এনসিপি নিয়ে ভাবছেন বিএনপির বহিষ্কৃত নেতা ইসহাক
- বিএনপিই শেষ ঠিকানা: নিরব

ইসহাক সরকার
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-তে যোগদানের বিষয়ে ভাবছেন জাতীয়তাবাদী যুবদলের সাবেক কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ইসহাক সরকার। তিনি ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৭ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করায় দল থেকে বহিষ্কৃত হন। এ বিষয়ে এনসিপির দায়িত্বশীলদের সঙ্গে এরই মধ্যে আলোচনা হয়েছে তার। তবে চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত এখনও নেননি তিনি।
রবিবার (১৯ এপ্রিল) রাতে আগামীর সময়কে এ তথ্য জানিয়েছেন ইসহাক সরকার। জানালেন, এ বিষয়ে তার এবং এনসিপির মধ্যে আরও আলোচনা হবে।
আওয়ামী লীগ আমলে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের যেসব নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে বেশি সংখ্যক মামলা এবং গ্রেপ্তার হয়ে কারাবন্দী থাকতে হয়েছে, তাদের মধ্যে পুরান ঢাকার ইসহাক সরকার অন্যতম।
ছাত্রদলের তৃণমূল থেকে রাজনীতিতে হাতেখড়ি হওয়া ইসহাক সরকার ছিলেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক। পরবর্তীতে তিনি যুবদলেও কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
সদ্য অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৭ আসন থেকে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী ছিলেন ইসহাক সরকার। তবে ধানের শীষ না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত হন তিনি।
অন্যদিকে ঢাকা-১২ থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করে বহিষ্কৃত হওয়া সাইফুল আলম নিরব বিএনপিতেই থাকবেন। বহিষ্কৃত থাকলেও এখনও বিএনপিকেই নিজের দল মনে করেন তিনি।
সাইফুল আলম নিরব যুবদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি ছাড়াও ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক ছিলেন।
নীরব আগামীর সময়কে বলেছেন, পদছাড়া রাজনীতি করেছি অনেক বছর। ছাত্রদল থেকে বের হওয়ার পর পদছাড়া রাজনীতি করেছি ছয় বছর; আবার যুবদল ছাড়ার পর পদ ছাড়া রাজনীতি করেছি দুই বছর। আবার দু-তিন বছর পদ ছাড়া রাজনীতি করব। আমার কোনো সমস্যা নেই।
তার দাবি, তিনি বিএনপিতে ছিলেন, বিএনপিতে আছেন; বিএনপিই তার শেষ ঠিকানা।
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে দলের সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে অর্ধ-শতাধিক আসনে স্বতন্ত্র তথা বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করেন বিএনপি নেতারা। তারা এখন দলে ফেরার অপেক্ষায় থাকলেও তাদের ব্যাপারে এখনও কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি বিএনপি। ফলে দলে ফিরতে তাদের প্রতীক্ষা আরও দীর্ঘ হবে বলে বিএনপির একাধিক সূত্র জানিয়েছে।

