কীভাবে সূর্যের পূর্ণগ্রহণ হয়, গ্রহণের প্রকার কত রকমের

সংগৃহীত ছবি
সূর্য ও চন্দ্র গ্রহণ একটি বর্ণিল আর আকর্ষণীয় মহাজাগতিক ঘটনা। সে কারণেই গ্রহণকে ঘিরে রয়েছে মানুষের গভীর আগ্রহ।
চাঁদ যখন পরিভ্রমণরত অবস্থায় কিছু সময়ের জন্য পৃথিবী ও সূর্যের মাঝখানে এসে পড়ে, তখন পৃথিবীর কোন দর্শকের কাছে সূর্য আংশিক বা সম্পূর্ণরূপে কিছু সময়ের জন্য অদৃশ্য হয়ে যায়।
এই ঘটনাকে সূর্যগ্রহণ বলা হয়। অমাবস্যার পরে নতুন চাঁদ উঠার সময় এ ঘটনা ঘটে। পৃথিবীতে প্রতি বছর অন্তত দুই থেকে পাচঁটি সূর্যগ্রহণ পরিলক্ষিত হয়।
আজ ১৭ই ফেব্রুয়ারি হচ্ছে বছরের প্রথম সূর্যগ্রহণ। আজ সূর্যের বলয়গ্রাস গ্রহণ - যা দেখার জন্য উদগ্রীব বিশ্বের বহু মানুষ।
আর এই গ্রহণকে ঘিরে পৃথিবীব্যপী গড়ে উঠেছে নানাধরনের পর্যটন আকর্ষণ। এ সময়ে কী করা যাবে আর কী করা যাবে না - তা নিয়ে দুনিয়া জুড়ে রয়েছে নানা মিথ আর প্রচলিত আচারসমূহ।
বাংলাদেশের আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, মঙ্গলবার বাংলাদেশ সময় বিকেল পাঁচটা ৫৬ মিনিট ৩৬ সেকেন্ডে এ গ্রহণ শুরু হবে এবং রাত আটটা ২৭ মিনিট ৩৬ সেকেন্ডে গ্রহণটি শেষ হবে।
তবে, বাংলাদেশ থেকে গ্রহণটি দেখা যাবে না। সূর্যগ্রহণটি দেখা যাবে আর্জেন্টিনা, চিলি, দক্ষিণ আফ্রিকা ও অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশে ।
ইসলামের দৃষ্টিতে সূর্য ও চন্দ্রগ্রহণ প্রসঙ্গে বেশ কিছু তথ্য পাওয়া যায়। পবিত্র কোরআনুল কারিমে ইরশাদ হয়েছে,
তিনিই সত্তা, যিনি সূর্যকে কিরণোজ্জ্বল ও চাঁদকে স্নিগ্ধ আলোয় আলোকিত করেছেন। (সুরা ইউনুস ৫)
অন্যত্র ইরশাদ হয়েছে, ‘আর আমি সৃষ্টি করেছি একটি প্রজ্বলিত বাতি।’ (সুরা নাবা ১৩) পবিত্র কোরআন আরো বলা হয়েছে, ‘আল্লাহ চাঁদকে স্থাপন করেছেন আলোরূপে, আর সূর্যকে স্থাপন করেছেন প্রদীপরূপে।’ (সুরা নুহ ১৬)
‘আর তিনিই তোমাদের কল্যাণে নিয়োজিত করেছেন রাত, দিন, সূর্য ও চাঁদকে; এবং নক্ষত্ররাজিও তারই নির্দেশে নিয়োজিত। নিশ্চয় এতে বোধশক্তি সম্পন্ন সম্প্রদায়ের জন্য রয়েছে অনেক নিদর্শন। (সুরা নাহল ১৬)
‘আর তিনি তোমাদের কল্যাণে নিয়োজিত করেছেন সূর্য ও চাঁদকে, যারা অবিরাম একই নিয়মের অনুবর্তী এবং তোমাদের কল্যাণে
সাধারণত আমরা দুই ধরনের গ্রহণের কথা জানি: চন্দ্রগ্রহণ এবং সূর্যগ্রহণ," লিখেছেন চিলের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের জ্যোতির্বিজ্ঞানী হুয়ান কার্লোস বিমিন তার সাম্প্রতিক বই "ইলাসট্রেটেড অ্যাস্ট্রোনমি"-তে।



