পর্তুগালের মাটিতে স্বপ্ন গড়ছেন বাংলাদেশি উদ্যোক্তারা

রাজধানী লিসবনের বাইরে পর্তুগালের বিভিন্ন শহরে বসতি, কর্মসংস্থান ও ব্যবসা-বাণিজ্যের পরিধি বাড়াচ্ছেন বাংলাদেশি প্রবাসীরা। গ্রোসারি শপ, রেস্তোরাঁ, পোশাকের দোকান ও মোবাইল ব্যবসাসহ বিভিন্ন উদ্যোগের মাধ্যমে স্থানীয় অর্থনীতিতে অবদান রাখার পাশাপাশি নিজেদের কমিউনিটিকেও এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছেন তারা।
ইউরোপের দেশ পর্তুগালে বাংলাদেশিদের বসবাস ও ব্যবসায়িক কার্যক্রম দীর্ঘদিন ধরে রাজধানী লিসবনকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে। তবে বর্তমানে রাজধানীর বাইরেও বিভিন্ন শহরে বাংলাদেশি উদ্যোক্তাদের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। এসব উদ্যোগের মাধ্যমে নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হচ্ছে এবং পর্তুগালের বিভিন্ন অঞ্চলে বাংলাদেশিদের উপস্থিতিও আরও দৃশ্যমান হচ্ছে।
প্রবাসে নিজের ভাগ্য পরিবর্তনের আশায় পর্তুগালে পাড়ি জমিয়েছিলেন বাংলাদেশি উদ্যোক্তা ফারুক শিকদার। শুরুতে ছোট একটি মোবাইলের দোকান দিয়ে ব্যবসা শুরু করলেও বর্তমানে তার রয়েছে দুটি বড় দোকান। নিজের ব্যবসা সম্প্রসারণের পাশাপাশি কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরিতেও ভূমিকা রাখছেন তিনি।
ফারুক শিকদারের ভাষ্য, লিসবনে জীবনযাত্রার ব্যয় ও ব্যবসা পরিচালনার খরচ তুলনামূলক বেশি হওয়ায় অনেক উদ্যোক্তা রাজধানীর বাইরে ব্যবসার সুযোগ খুঁজছেন। সীমিত পুঁজি ও নানা প্রতিকূলতা মোকাবিলা করে বাংলাদেশিরা বিভিন্ন শহরে নিজেদের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তুলছেন। তাঁদের এই উদ্যোগ নতুন করে পর্তুগালে আসা প্রবাসীদেরও ব্যবসায় আগ্রহী করে তুলছে।
পর্তুগালের রাজধানীর বাইরে বাংলাদেশিদের ব্যবসায়িক উদ্যোগের এই বিস্তার প্রবাসে আত্মনির্ভরশীলতা অর্জনের পাশাপাশি স্থানীয় সমাজের সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়ারও একটি পথ তৈরি করছে। তবে এই অগ্রযাত্রার স্থায়িত্ব নির্ভর করবে ব্যবসার পরিবেশ, প্রশাসনিক সুযোগ-সুবিধা এবং উদ্যোক্তাদের সামনে থাকা বাধাগুলো কতটা কার্যকরভাবে মোকাবিলা করা যায়, তার ওপর।



