প্রধানমন্ত্রী
সামনের সিটে পাশে বসিয়ে জুবাইদা রহমানকে মেডিকেলে নিয়ে আসতাম

ঢাকা মেডিকেল কলেজের ৮১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে যোগ দিতে সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমানকে নিয়ে আজ শনিবার সকালে কলেজ ক্যাম্পাসে যান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
এরপর সকাল ১০টার দিকে কলেজ ক্যাম্পাসের শহীদ মিলন চত্বরে শান্তির প্রতীক পায়রা ও বেলুন উড়িয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘ডিএমসি ডে’-এর উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।
উদ্বোধনের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও ডা. জুবাইদা রহমান ঢাকা মেডিকেল কলেজের কাজী ফজলুল হক মহিলা হোস্টেলে যান। ঢাকা মেডিকেল কলেজে পড়াশোনার সময় ডা. জুবাইদা রহমান এই হোস্টেলেই থাকতেন।
এদিকে প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে হোস্টেলের মূল ফটকের সামনে আগে থেকেই অপেক্ষা করছিলেন শিক্ষার্থীরা।
প্রধানমন্ত্রী ও ডা. জুবাইদা রহমানকে কাছে পেয়ে আনন্দে উচ্ছ্বসিত হয়ে ওঠেন তারা। তাদের সঙ্গে আনন্দঘন কিছু সময় কাটান শিক্ষার্থীরা।
এ সময় স্মৃতিচারণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ‘আগে যখন জুবাইদা রহমানকে মেডিকেলে নিয়ে আসতাম, তখন তাকে সামনের সিটে আমার পাশে বসিয়ে নিয়ে আসতাম। আজও আসার সময় তাকে বলেছি সামনের সিটে বসতে। পাশে বসিয়েই আপনাদের কাছে নিয়ে এসেছি।’
নিজের শিক্ষাজীবনের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন ডা. জুবাইদা রহমান। তিনি বলেছেন, ‘আজ অনেক স্মৃতি মনে পড়ছে। এই ক্যাম্পাসে আমার জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অনেকটা সময় কেটেছে। আজ সেই দিনগুলোর কথা খুব মনে পড়ছে।’
বর্তমান শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেছেন, ‘আমাদের সবসময় সামনের দিকে তাকাতে হবে। জীবনের টানাপড়েনে অনেক ঘাত-প্রতিঘাত আসবে। মনের ভেতর রাগ-ক্ষোভ পুষে রাখলে চলবে না। উজ্জ্বল ভবিষ্যতের পথে এগিয়ে যেতে হবে।’
তিনি আরও যোগ করেন, ‘মেডিকেল কলেজকে এমন জায়গায় নিয়ে যেতে হবে, যাতে সারা বিশ্ব এখানকার চিকিৎসাসেবা সম্পর্কে জানতে পারে। একদিন যেন এই মেডিকেল কলেজ নিয়ে আমরা গর্ব করতে পারি।’
সবশেষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও ডা. জুবাইদা রহমানের সঙ্গে সেলফি তোলেন শিক্ষার্থীরা।




