ডেঙ্গু প্রতিরোধে শুরু হচ্ছে অভিযান

বুধবার সচিবালয়ে ‘জাতীয় ডেঙ্গু প্রতিরোধ দিবস’ বাস্তবায়ন উপলক্ষে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় বক্তব্য দেন প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম
ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলায় দেশজুড়ে তিন মাসব্যাপী অভিযান পরিচালনা করবে সরকার। আগামী শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯ টায় জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় আনুষ্ঠানিকভাবে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
জাতীয় ডেঙ্গু প্রতিরোধ দিবস বাস্তবায়ন উপলক্ষে বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
উদ্বোধনী কর্মসূচি সমন্বয়ের জন্য একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী। এতে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সালামকে আহ্বায়ক এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম মিলটনকে যুগ্ম আহ্বায়ক করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব আব্দুস সাত্তার কমিটির উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। আর জাতীয় পর্যায় থেকে জেলা ও মাঠপর্যায়ে প্রচার-প্রচারণায় সহযোগিতা করবে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়।
সংবাদ সম্মেলনে প্রতিমন্ত্রী বলেছেন, ‘আগামী ১২ সেপ্টেম্বর থেকে ১২ ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রতি শনিবার দেশের ৬৪ জেলা ও ৫০৩ উপজেলাসহ ইউনিয়ন, পৌরসভা ও মহানগর পর্যায়ে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার ক্রাশ প্রোগ্রাম চালানো হবে। এডিস মশার লার্ভা উৎপন্ন হতে পারে এমন স্থান চিহ্নিত করে পরিষ্কারের পাশাপাশি সাধারণ ময়লা-আবর্জনাও অপসারণ করা হবে।’
তিনি জানান, সেপ্টেম্বর থেকে নভেম্বর পর্যন্ত ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়তে পারে। তাই রোগীদের চিকিৎসার পাশাপাশি এবার এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
দেশের প্রতিটি কলেজ, হাইস্কুল ও মাদ্রাসাকে কর্মসূচির আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে উল্লেখ করে মীর শাহে আলম বললেন, ‘শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রতি শনিবার নির্ধারিত এলাকায় পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনা করবেন। নর্দমা, খাল, পুকুরের কচুরিপানা, খেলার মাঠসহ এডিস মশার প্রজননস্থল হতে পারে—এমন স্থানগুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।’
তিনি জানান, উদ্বোধনী কর্মসূচিতে বাংলাদেশ স্কাউটস, বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেট কোর (বিএনসিসি), বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি, সেচ্চাসেবী সংগঠন বিডি ক্লিন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের স্বেচ্ছাসেবক দল, শিক্ষার্থী স্বেচ্ছাসেবক এবং সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা অংশ নেবেন। অনলাইনে অনুষ্ঠানে যুক্ত হবেন ডিসি ও ইউএনওগণ। প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধনী বক্তব্য দেওয়ার পর জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের নেতৃত্বে স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবীরা এবং শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ এলাকায় পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি শুরু করবেন।






