৫ নদীর পানি এখন বিপৎসীমার ওপরে

সংগৃহীত ছবি
দেশের সার্বিক বন্যা পরিস্থিতিতে এখনো উদ্বেগ কাটেনি। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের সর্বশেষ তথ্য বলছে, দেশের পাঁচটি প্রধান নদীর পানি ৭টি স্টেশনে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার, নেত্রকোনা, বান্দরবান ও চট্টগ্রামের বিভিন্ন নিম্নাঞ্চলে বন্যার ঝুঁকি বেড়েছে।
বিশেষ করে গত তিন ঘণ্টায় সোমেশ্বরী নদীর পানি বেড়ে বিপৎসীমা অতিক্রম করেছে। এতে নেত্রকোনার কলমাকান্দায় নতুন করে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ স্টেশনে কুশিয়ারা নদীর পানি বিপৎসীমার ২৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। গত তিন ঘণ্টায় সেখানে পানি আরও ১ সেন্টিমিটার বেড়েছে।
সুনামগঞ্জের মারকুলি স্টেশনে কুশিয়ারা নদীর পানি বিপৎসীমার ১৫ সেন্টিমিটার ওপরে রয়েছে। তবে গত তিন ঘণ্টায় সেখানে পানির উচ্চতা অপরিবর্তিত ছিল।
মৌলভীবাজার স্টেশনে মনু নদীর পানি গত তিন ঘণ্টায় ১১ সেন্টিমিটার কমেছে। তবু নদীটির পানি এখনো বিপৎসীমার ৫ সেন্টিমিটার ওপরে রয়েছে।
নেত্রকোনার কলমাকান্দা স্টেশনে সোমেশ্বরী নদীর পানি গত তিন ঘণ্টায় বেড়েছে। বর্তমানে তা বিপৎসীমার ১ সেন্টিমিটার ওপরে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে এলাকায় নতুন করে বন্যার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
সাঙ্গু নদীর পানি এখনো সবচেয়ে বেশি উচ্চতায় রয়েছে। বান্দরবান স্টেশনে নদীটির পানি বিপৎসীমার ১৯০ সেন্টিমিটার ওপরে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে গত তিন ঘণ্টায় সেখানে পানি ১১ সেন্টিমিটার কমেছে।
চট্টগ্রামের দোহাজারী স্টেশনে সাঙ্গু নদীর পানি আরও ৪ সেন্টিমিটার বেড়েছে। বর্তমানে সেখানে পানি বিপৎসীমার ৩৮ সেন্টিমিটার ওপরে রয়েছে।
এদিকে, মাতামুহুরী নদীর লামা স্টেশনে পানি বিপৎসীমার ১৮ সেন্টিমিটার ওপরে প্রবাহিত হচ্ছে। গত তিন ঘণ্টায় সেখানে পানি ১৫ সেন্টিমিটার কমেছে। এতে পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে।




