৮ ব্র্যান্ডের স্কিন ক্রিমে ক্ষতিকর মার্কারি, বিএসটিআইয়ের নিষেধাজ্ঞা

সংগৃহীত ছবি
ল্যাবরেটরি পরীক্ষায় বিপজ্জনক মাত্রায় বিষাক্ত মার্কারি শনাক্ত হওয়ায় ৮ ব্র্যান্ডের ত্বক ফর্সাকারী ক্রিমের ক্রয়, বিক্রয়, বিপণন ও মজুত থেকে বিরত থাকার অনুরোধ জানিয়েছে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই)। আজ মঙ্গলবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করে বিএসটিআই জানায়, এসব প্রসাধনী ব্যবহার করলে শরীরে মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হতে পারে।
সংস্থাটির তথ্যমতে, অবৈধ ও চোরাই পথে বিদেশি প্রসাধনী বাজারে প্রবেশ করায় এগুলোর মান আগে যাচাই করা সম্ভব হয় না। পরবর্তীতে বাজার থেকে সংগৃহীত রং ফর্সাকারী প্রসাধনী পরীক্ষা করে ৮টি ব্র্যান্ডের ক্রিমে নির্ধারিত সর্বোচ্চ গ্রহণযোগ্য মাত্রা ১.০০ পিপিএমের চেয়ে বহুগুণ বেশি মার্কারি পাওয়া গেছে।
নিষেধাজ্ঞার তালিকায় থাকা ক্রিমের মধ্যে রয়েছে পাকিস্তানের চাঁদনি হোয়াইটেনিং ক্রিম (১২০.৩৯ পিপিএম), নিউ ফেস বিউটি ক্রিম (৪৪.৭২ পিপিএম), নাভিয়া বিউটি ক্রিম (৫৯.৮২ পিপিএম), নাভিয়া হোয়াইটেনিং ক্রিম (৭৯.৭০ পিপিএম), নূর হোয়াইটেনিং ক্রিম (৮২.৭৬ পিপিএম), ডিউ বিউটি ক্রিম (১২৩.৩৭ পিপিএম) ও গৌরি বিউটি ক্রিম (৫৬.৯৩ পিপিএম)। এ ছাড়া চীনের ন্যাচারাল পার্ল স্কিন ক্রিমেও (৬৭.৪৯ পিপিএম) ক্ষতিকর মার্কারি শনাক্ত হয়েছে।
জনস্বাস্থ্যের সুরক্ষাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা জানিয়ে বিএসটিআইয়ের মহাপরিচালক কাজী ইমদাদুল হক উল্লেখ করেন, ক্ষতিকর উপাদানযুক্ত প্রসাধনী তৈরি, আমদানি বা বাজারজাত করলে কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে। বাজার নিরাপদ রাখতে অভিযান ও তদারকি জোরদার করার পাশাপাশি ক্রেতাদের অনুমোদনহীন প্রসাধনী কেনা থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান তিনি।






