বিদ্যুৎ বিভ্রাট তদন্তে ৫ সদস্যের কমিটি

গ্রাফিকস: আগামীর সময়
বিদ্যুৎ বিভ্রাটের প্রকৃত কারণ উদঘাটন এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে করণীয় সম্পর্কে মতামত ও সুপারিশমালা প্রণয়নে ৫ সদস্যের কমিটি গঠন করেছে পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসি।
কমিটির প্রধান করা হয়েছে সঞ্চালন-২-এর প্রধান প্রকৌশলী (অতিরিক্ত দায়িত্ব) সৈয়দ এবাদুল্লাহ হায়দার আলীকে। কমিটিকে আগামী পাঁচ কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার রাতে এক বার্তায় এ তথ্য জানিয়েছে পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসি।
এর আগে মঙ্গলবার দুপুর ১২টা ৪৩ মিনিটে ঢাকার পূর্বাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকা ও চট্টগ্রামের একাংশে হঠাৎ বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। মেঘনাঘাট-হরিপুর জাতীয় গ্রিড লাইন বিকল হয়ে যাওয়ায় এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে জানায় বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিপিডিবি) চেয়ারম্যান প্রকৌশলী রেজাউল করিম।
দুপুরে বিদ্যুৎ বিভ্রাটের পর ঢাকা ও চট্টগ্রামের একাংশে সাধারণ মানুষ ভোগান্তিতে পড়েন। অফিস-আদালত, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও বাসাবাড়িতে ব্যাহত হয় স্বাভাবিক কার্যক্রম।
বিদ্যুৎ সরবরাহ বিচ্ছিন্ন হওয়া এলাকাগুলোর মধ্যে ছিল, ঢাকার ভুলতা, হরিপুর, সিদ্ধিরগঞ্জ, গুলশান, রামপুরা, উলন ও মতিঝিলসহ পূর্বাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকা। বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায় চট্টগ্রামের একটি অংশেও।
বেলা আড়াইটার দিকে আগামীর সময়কে বিপর্যয়ের কারণ জানান বিপিডিবির চেয়ারম্যান প্রকৌশলী রেজাউল করিম। তিনি বলেন, ‘মেঘনাঘাট-হরিপুর জাতীয় গ্রিড লাইন বিকল হয়ে যাওয়ায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেছে।’
এরপর বিকাল ৩টায় বিদ্যুৎ বিভাগের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে ঢাকা ও চট্টগ্রামের কিছু অংশে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়েছে। জরুরিভিত্তিতে সংযোগ পুনর্বহালের কাজ চলছে।
বিজ্ঞপ্তিতে সাময়িক অসুবিধার জন্য গ্রাহকদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করে কর্তৃপক্ষ।





