ঢাকাসহ তিন শহরে আ.লীগের ঝটিকা মিছিল, ককটেল

গ্রাফিকস: আগামীর সময়
রাজধানী ঢাকাসহ চট্টগ্রাম ও বরিশালে ঝটিকা মিছিল করেছে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ। এসব মিছিল থেকে ৯ জনকে আটক করেছে পুলিশ। গতকাল শুক্রবার সকাল থেকে জুমার নামাজের পর পর্যন্ত মিছিলগুলো করেন তারা।
গতকাল দুপুর পৌনে ১২টায় রাজধানীর গুলশান-১-এর ভোলা মসজিদের সামনে থেকে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা মিছিল বের করেন। মিছিল থেকে দুজনকে আটক করে পুলিশ। এ সময় দুটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। গুলশান থানার ওসি মো. দাউদ হোসেন বলেছেন, কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠনটির ১৫০-২০০ জন সদস্য জমায়েত হয়ে মিছিলের চেষ্টা করছিলেন। নিকেতন এলাকায় দায়িত্বরত পুলিশের এক উপপরিদর্শক তাদের ছত্রভঙ্গ করতে দুই রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছোড়েন। এ সময় তারা পাঁচটি তাজা ককটেল ফেলে রেখে পালিয়ে যান। তবে ঘটনাস্থল থেকে দুজনকে আটক করা হয়েছে। তারা হলেন মো. আরাফাত (২০) ও আ. রহিম (৪৯)।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) ১ নম্বর গেট এলাকায়ও জুমার নামাজের পর নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ মিছিল বের করে। ওই মিছিলের একটি ভিডিও আওয়ামী লীগের ফেসবুক পেজে পোস্ট করা হয়।
হাটহাজারী মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) নজরুল ইসলাম বলেছেন, ‘চবির ১ নম্বর গেটে ছাত্রলীগের মিছিল সম্পর্কে আমার কাছে এখনো কোনো তথ্য আসেনি।’
এদিকে বরিশাল নগরীতেও ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা ঝটিকা মিছিল বের করেছেন। এরপর অভিযান চালিয়ে সাতজনকে আটক করে পুলিশ। গতকাল জুমার নামাজের পর কবি জীবনানন্দ দাশ স্টেডিয়ামের সামনে থেকে ‘দেশ বাঁচাতে প্রয়োজন শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তন’ লেখা ব্যানার নিয়ে মিছিলটি বের করেন তারা।
প্রত্যক্ষদর্শীদের দেওয়া তথ্য ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা গেছে, মিছিলকারীরা সড়কে অবস্থান নিয়ে বিভিন্ন স্লোগান দেন।
মিছিলের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে অভিযান চালিয়ে পাঁচজনকে আটক করে পুলিশ। পরে আরও দুজনকে আটক করা হয়। আটক ব্যক্তিদের রাজনৈতিক পরিচয়, মিছিলের সঙ্গে সম্পৃক্ততা ও ভূমিকা যাচাই করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
বরিশাল মহানগরীর কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি আল মামুন উল ইসলাম বলেছেন, মিছিলের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। সেখান থেকে পাঁচজনকে আটক করা হয়। পরে অভিযান চালিয়ে আরও দুজনকে আটক করা হয়েছে। তাদের সংশ্লিষ্টতা যাচাই করা হচ্ছে। যাচাই শেষে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।



