Agamir Somoy E-Paper
শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
মোবাইল আসক্তি ঠেকাতে খোকনের ‘পথ পাঠাগার’
শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় সংসদ

নাহিদ ইসলাম

রাষ্ট্রপতিকে অপসারণ করে গ্রেপ্তার করা প্রয়োজন

নিজস্ব প্রতিবেদক
agamir somoy
প্রকাশ: ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৫:৪০
রাষ্ট্রপতিকে অপসারণ করে গ্রেপ্তার করা প্রয়োজন

ফাইল ছবি

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের অপসারণ ও তাকে গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। তার বক্তব্য, ‘রাষ্ট্রপতির বক্তব্য আমি শুনিও নাই, পড়িও নাই। সেই বক্তব্য এবং বক্তব্য দেওয়ার সুযোগকে আমরা প্রত্যাখ্যান করেছি। আমরা স্পষ্টভাবে বলেছি— এই রাষ্ট্রপতির অপসারণ প্রয়োজন। তাকে গ্রেপ্তার করা প্রয়োজন। তার আর কোনো অধিকার নেই বঙ্গভবনে থাকার বা এখানে এসে বক্তব্য দেওয়ার।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ২৫তম দিন আজ বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনা ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে এ বক্তব্য দেন নাহিদ। এ সময় অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।

‘রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন চুপ্পুর বক্তব্য আমি শুনিনি, এ নিয়ে কিছু বলার আগ্রহ আমার নেই। তবে রাষ্ট্রপতির কিছু কুকীর্তি এ হাউজের সামনে তুলে ধরতে চাই। সাহাবুদ্দিন চুপ্পুকে দুদকের কমিশনার করা হয়েছিল তিনটি  অ্যাসাইনমেন্ট দিয়ে— খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানকে দুর্নীতির অভিযোগে শাস্তি নিশ্চিত করা, পদ্মা সেতুর দুর্নীতির অভিযোগ থেকে আওয়ামী লীগকে ক্লিনচিট দেওয়া, ফখরুদ্দীন-মইন উদ্দিনের আমলে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে হওয়া দুর্নীতির মামলা থেকে শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগ নেতাদের মুক্তি দেওয়া। এমন একজন ব্যক্তিকে বিএনপি এখনো রাষ্ট্রপতি হিসেবে রেখেছে। এটি বিএনপির দেউলিয়াত্ব’— মন্তব্য করেন বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ।

তার ভাষ্য, ‘আমাদের দুর্ভাগ্য এই দুর্নীতিবাজ, মিথ্যুক, অপদার্থ এখনো বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি। আমাদের হাতে দুটি অপশন ছিল, জাতীয় সরকার করতে চেয়েছি; কিন্তু বিএনপি সেটি মানেনি। আরেকটি অপশন ছিল, সেনাবাহিনীর হাতে তুলে দেওয়া। সেটা হলে বিএনপি এখন ক্ষমতায় আসতে পারত না। সংবিধানের ধারাবাহিকতার কথা বলে রাষ্ট্রপতিকে অপসারণে বাধা দিয়েছে বিএনপি।’

‘এখন তো সাংবিধানিক সংকট নেই। তাহলে কেন এখন তাকে অপসারণ করা হচ্ছে না?’, প্রশ্ন রাখেন নাহিদ ইসলাম।

‘বাহাত্তরের সংবিধানকে অনেকে একাত্তরের সঙ্গে মিলিয়েছেন। কিছু কিছু সদস্য এটি করেছেন। এটা তো আওয়ামী লীগ মেলাত। বাহাত্তরের সংবিধানকে একাত্তরের ফসল মনে করত। বাহাত্তরের মূলনীতিকে একাত্তরের মূলনীতি হিসেবে চালিয়ে দিয়েছে। আমরা সবসময় এর বিরোধিতা করেছি। বিএনপির বহু নেতা এর বিরোধিতা করেছেন’, সংবিধান নিয়ে বলছিলেন নাহিদ।

‘৭২-এর সংবিধান রচনা করেছে, সত্তরে যারা নির্বাচিত হয়েছিল যারা পাকিস্তানের শাসনতন্ত্র নির্বাচন করেছিল। এটা ইনহেরেন্টলি আনডেমোক্রেটিক সংবিধান। একজন ব্যক্তির হাতে সব ক্ষমতা দেওয়ার সংবিধান। শেখ মুজিবকে সামনে রেখে এ সংবিধান করা হয়েছিল। নির্বাহী বিভাগ, আইন বিভাগ, এমনকি বিচার বিভাগের ক্ষমতাও কায়দা করে তার হাতে দেওয়া হয়েছে’, বলেছেন নাহিদ ইসলাম।

সংবিধানকে মুজিববাদী আদর্শ বলে উল্লেখ করেছেন নাহিদ। ‘এই সংবিধান মুজিববাদী সংবিধান। একাত্তরের সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচারের পরিবর্তে বাঙালি জাতীয়তাবাদ, ধর্মনিরপেক্ষতাকে যুক্ত করা হয়েছে। এটার বিরুদ্ধে প্রথম বিদ্রোহ করেছিলেন জিয়াউর রহমান। তার হাতে সুযোগ ছিল, গণপরিষদ নির্বাচন করে এদেশের মানুষের মাধ্যমে সংবিধান রচনা করার, তিনি সেটা করেননি।’

সংবিধান সংস্কার প্রসঙ্গে বিরোধীদলীয় নেতার বক্তব্য, ‘গণঅভ্যুত্থানের পর যখন সংস্কারের আলোচনা এলো বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন থেকে আমরা বলেছিলাম, আমরা নতুন সংবিধান চাই। সংবিধান পুনর্লিখন চাই। বিএনপি বলেছিল তারা নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় যেতে চায়। ৫ আগস্টের পর থেকেই আমাদের পথ আলাদা হয়ে যায়। তখন আমরা একটা মধ্যমপন্থায় আসি। সেখান থেকে ঐকমত্য কমিশন, সংবিধান সংস্কার— এসবের আলোচনা হয়। সংবিধান সংস্কার পরিষদ করার কথা গণভোটের আলোকে। এখন বিএনপি যদি সে জায়গা থেকে সরে যায়, আমাদেরও আগের জায়গায় ফেরত যেতে হবে। আমরা নতুন সংবিধান অথবা সংবিধান পুনর্লিখন চাই।’

‘জুলাই সনদ যেদিন স্বাক্ষর করা হয়েছিল, আমরা জাতীয় নাগরিক পার্টি সেদিন স্বাক্ষর করিনি। পরে তো আমরা স্বাক্ষর করেছি সেটা বলা যায় না, সেখানে আমরা আমাদের মতামত দিয়ে এসেছি। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের অনেক কষ্টের ফসল জুলাই জাতীয় সনদকে নোট অব ডিসেন্ট দিয়ে কলুষিত করা হয়েছে। স্বাক্ষরের দিন একটি রাজনৈতিক দলের ইন্ধনে গুরুত্বপূর্ণ সরকারের পাশে নাটক ডিসেন্ট দেওয়া হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে জুলাই সনদকেও অন্তহীন প্রতারণার দলিল পরিণত করা হয়েছে’— যোগ করেন নাহিদ।

মুক্তিযুদ্ধ প্রসঙ্গে নাহিদের বক্তব্য, ‘মুক্তিযুদ্ধকে মাননীয় স্পিকার আমরা সম্মান করি। আমরা মনে করি এই প্রজন্মের যারা জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশ নিয়েছে তার মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের নবায়ন হয়েছে। ফলে মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের কোনো সাংঘর্ষিক অবস্থান নেই। আমরা বারবার বলেছি, জুলাই গণঅভ্যুত্থান হচ্ছে মুক্তিযুদ্ধেরই আরেকটি ধারাবাহিকতা। মুক্তিযুদ্ধে আমরা সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায়বিচারের কথা বলেছি।’

‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানেও আমরা বৈষম্যের বিরুদ্ধে কথা বলেছি, কোথায় পার্থক্য?’ প্রশ্ন বিরোধীদলীয় চিফ হুইপের।

‘আমরা কেউ বলিনি জুলাই গণঅভ্যুত্থান মুক্তিযুদ্ধ থেকে বড়। জুলাই নব্বই থেকে বড় কিংবা ছোট। বাংলাদেশের ইতিহাসে জুলাই বিশেষ ঘটনা। মুক্তিযুদ্ধ আরেকটি বিশেষ ঘটনা। মুক্তিযুদ্ধ বাংলাদেশের ফাউন্ডেশন। এ ব্যাপারে আমরা আনকমপ্রোমাইজিং’, জোর দিয়েছেন নাহিদ।

নাহিদ ইসলামজাতীয় সংসদরাষ্ট্রপতি
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    মৃত্যুদণ্ড কার্যকরে দুই দফা ইনজেকশন, তবুও বেঁচে রইলেন নারী

    মৃত্যুদণ্ড কার্যকরে দুই দফা ইনজেকশন, তবুও বেঁচে রইলেন নারী

    প্রথম দুই-তিন লাইন পড়েই ঠিক করি অনুবাদ করতে হবে

    প্রথম দুই-তিন লাইন পড়েই ঠিক করি অনুবাদ করতে হবে

    ক্ষুব্ধ প্রধানমন্ত্রী, এমপি মিষ্টিকে পদত্যাগের নির্দেশ

    ক্ষুব্ধ প্রধানমন্ত্রী, এমপি মিষ্টিকে পদত্যাগের নির্দেশ

    ৯ গোল খেয়ে দুই ফুটবলারের ‘নারীসঙ্গ’ নিয়ে যা জানা গেল

    ৯ গোল খেয়ে দুই ফুটবলারের ‘নারীসঙ্গ’ নিয়ে যা জানা গেল

    অভিযোগ নেই, তবু সাংবাদিকের ডোপ টেস্ট করল পুলিশ

    অভিযোগ নেই, তবু সাংবাদিকের ডোপ টেস্ট করল পুলিশ

    পদত্যাগের নির্দেশ পেয়ে এমপি মিষ্টি স্পিকারের দপ্তরে

    পদত্যাগের নির্দেশ পেয়ে এমপি মিষ্টি স্পিকারের দপ্তরে

    পদত্যাগপত্রে যা লিখেছেন মিষ্টি

    পদত্যাগপত্রে যা লিখেছেন মিষ্টি

    মাদক নির্মূলের নামে সালিশ, কান ধরে উঠবস ও টাকা আদায়ের অভিযোগ

    মাদক নির্মূলের নামে সালিশ, কান ধরে উঠবস ও টাকা আদায়ের অভিযোগ

    ৪৯তম বিসিএসে গেজেট থেকে বাদ গোপালগঞ্জের ৯ সুপারিশপ্রাপ্ত

    ৪৯তম বিসিএসে গেজেট থেকে বাদ গোপালগঞ্জের ৯ সুপারিশপ্রাপ্ত

    বাসে ওঠার পর নিখোঁজ বাউফলের ব্যবসায়ী, ১২ দিনেও সন্ধান নেই

    বাসে ওঠার পর নিখোঁজ বাউফলের ব্যবসায়ী, ১২ দিনেও সন্ধান নেই

    বাউফলের সাবেক মেয়র জুয়েল ঢাকায় গ্রেপ্তার

    বাউফলের সাবেক মেয়র জুয়েল ঢাকায় গ্রেপ্তার

    অ্যাকশনে বিএনপি, দেখছে না পদ-পদবিও

    অ্যাকশনে বিএনপি, দেখছে না পদ-পদবিও

    থানার সামনে ওসির গাড়িচালককে মারধর, যুবদল নেতা আটক

    থানার সামনে ওসির গাড়িচালককে মারধর, যুবদল নেতা আটক

    ‘মাঠে উপস্থিত থাকতে  হবে ঊর্ধ্বতনদের’

    ‘মাঠে উপস্থিত থাকতে হবে ঊর্ধ্বতনদের’

    বিমানবন্দরে নিরাপত্তা কর্মকর্তাকে ‘লাঞ্ছনা’, আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে মামলা

    বিমানবন্দরে নিরাপত্তা কর্মকর্তাকে ‘লাঞ্ছনা’, আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে মামলা