দুই বছরে বিমানভাড়া কমানো হয়েছে ৪০ হাজার: ধর্ম উপদেষ্টা

ফাইল ছবি
গত বছর যেমন সরকারি ব্যয়ে কাউকে হজে পাঠানো হয়নি, চলতি বছরও সেই নীতি বহাল থাকবে বলে জানিয়েছেন ধর্মবিষয়ক উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন। পাশাপাশি তিনি ২০২৬ সালের হজ কার্যক্রম শেষ হলে সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ পালনকারীদের মধ্যে তিন কোটির বেশি টাকা ফেরত দেওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। তিনি আরও বলেন দুই বছরে মোট প্রায় ৪০ হাজার টাকা বিমানভাড়া কমানো হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন তিনি।
উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও সততার সঙ্গে কাজ করার চেষ্টা করেছি। মন্ত্রণালয় ও এর অধীন দপ্তরগুলোকে আরও কার্যকর ও গতিশীল করতে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পেশাদারিত্ব বজায় রেখে দায়িত্ব পালনের পরিবেশ নিশ্চিত করতেও প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
ড. খালিদ হোসেন বলেন, জুলাই বিপ্লবের পর যৌক্তিক ব্যয়ে হজ পালনের জনআকাঙ্ক্ষাকে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করা হয়েছে। বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে ধারাবাহিক আলোচনা ও দরকষাকষির মাধ্যমে ২০২৫ সালের হজে বিমানভাড়া প্রায় ২৭ হাজার টাকা কমানো সম্ভব হয়। এ বছরও গত বছরের তুলনায় বিমানভাড়া আরও প্রায় ১৩ হাজার টাকা হ্রাস পেয়েছে।
উপদেষ্টা বলেন, ২০২৪ সালের হজে যেখানে বিমানভাড়া ছিল এক লাখ ৯৪ হাজার ৮০০ টাকা, সেখানে ২০২৬ সালের হজে তা কমে দাঁড়িয়েছে এক লাখ ৫৪ হাজার টাকায়।
ধর্ম উপদেষ্টা বলেন, গত বছর সরকারি মাধ্যমে হজ পালনকারীদের খরচ মেটানোর পর উদ্বৃত্ত ৮ কোটি ২৮ লাখ টাকা ফেরত দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ২০১৭ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত হজ এজেন্সিগুলোর অব্যয়িত প্রায় ৩৮ কোটি টাকা, যা সৌদি হজ ও উমরাহ মন্ত্রণালয়ের আইবিএন হিসাবে জমা ছিল, তা উদ্ধার করে সংশ্লিষ্ট এজেন্সিগুলোর কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, গত বছর সৌদি আরবে হজ ব্যবস্থাপনায় সমন্বিত চিকিৎসক ছাড়া ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের বাইরে কাউকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। একই সঙ্গে টিম সদস্যের সংখ্যাও আগের বছরের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো হয়। এ নীতির ধারাবাহিকতায় এ বছরও সরকারি ব্যয়ে কাউকে হজে পাঠানো হবে না।




