পালিত হলো নজরুলের ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী

গ্রাফিকস: আগামীর সময়
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে পালন করা হয়েছে নানা কর্মসূচি। বিদ্রোহ, সাম্য ও মানবতার কবি নজরুলকে শ্রদ্ধা জানাতে তার সমাধিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের সদস্য, পেশাজীবী, পরিবারের সদস্য এবং ভক্ত-অনুরাগীরা।
১৯৭৬ সালের ২৯ আগস্ট ঢাকার তৎকালীন পিজি হাসপাতালে (বর্তমানে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়) শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন কাজী নজরুল ইসলাম। দিবসটি উপলক্ষে গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদসংলগ্ন কবির সমাধিতে করা হয় শ্রদ্ধা নিবেদন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলামের নেতৃত্বে কবির সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও ফাতেহা পাঠ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা। পরে সমাধি প্রাঙ্গণের উন্মুক্ত মঞ্চে হয় আলোচনা সভা।
জাতীয় কবির সমাধিতে শ্রদ্ধা জানিয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলছিলেন, ‘জুলাই অভ্যুত্থানের সময় ফ্যাসিবাদ প্রতিরোধে শিক্ষার্থীরা নজরুলের গান গাইতে গাইতে রাস্তায় নেমেছিল। নজরুলের গান ও কবিতা মানুষকে সাহসী হতে শেখায়। জুলুমের মুখে নজরুলের কবিতাই মানুষকে প্রতিবাদ করতে শিখিয়েছে। অন্যায় প্রতিরোধ করে ন্যায় প্রতিষ্ঠায় নজরুল শক্তি জোগান।’
জাতীয় কবির মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি আয়োজন করেছে দুই দিনব্যাপী আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের। আজ শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় জাতীয় সংগীত ও নৃত্যকলা কেন্দ্র মিলনায়তনে হবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। ‘আমারে দেবো না ভুলিতে...’ শীর্ষক এ আয়োজনে পরিবেশন করা হবে নজরুলের জীবন, সাহিত্য ও সৃষ্টিকর্ম নিয়ে আলোচনা, সংগীত ও নৃত্য।
নজরুল একাডেমিও পালন করছে তিন দিনব্যাপী কর্মসূচি। গতকাল সকালে কবির সমাধিতে হয় ফাতেহা পাঠ ও ফুলেল শ্রদ্ধা নিবেদন। বাদ জোহর সমাধিসংলগ্ন মসজিদে হয় মিলাদ মাহফিল। আজ বিকাল সাড়ে ৫টায় মগবাজারের বেলালাবাদ কলোনির ‘কাজী নজরুল ইসলাম মিলনায়তনে’ হবে আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। ২৯ আগস্ট একই সময়ে হবে সমাপনী অনুষ্ঠান।







