হামে মৃত শিশুরা অধিকাংশই গরিব, এজন্য হৈচৈ নেই

সংগৃহীত ছবি
মাত্র পাঁচ মাস বয়সী শামসুল ইসলামকে বাঁচাতে ৬০ হাজার টাকা ঋণ করেছিলেন বাবা। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আইসিইউর বিছানায় থেমে যায় তার নিশ্বাস। শামসুল একা নয়— চলতি বছরে হামে মারা যাওয়া শত শত শিশুর গল্প প্রায় একই। অধিকাংশই দরিদ্র পরিবারের সন্তান, যারা আগে থেকেই অপুষ্টিতে ভুগছিল।
চলতি বছরের মার্চে শুরু হওয়া হামের প্রাদুর্ভাব এখনো অব্যাহত রয়েছে। এ বছর এখন পর্যন্ত দেশে হামে আক্রান্ত হয়ে ৭৬৬ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছে প্রায় ১ লাখ ২৭ হাজার মানুষ। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ তথ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৭ শিশুর মৃত্যু এবং ৯৯০ জন নতুন আক্রান্ত হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি ঢাকা বিভাগে।
বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ১৪ জুলাই পর্যন্ত হামে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে ৫৭ শিশু। তাদের সবার বয়স পাঁচ বছরের নিচে। হাসপাতালের বিশ্লেষণে দেখা গেছে, নিহত শিশুদের প্রায় সবাই দরিদ্র পরিবারের সন্তান এবং অনেকেই হামে আক্রান্ত হওয়ার আগেই অন্য রোগে ভুগছিল।
পটুয়াখালীর শামসুল ইসলামের বাবা জহিরুল ইসলাম স্থানীয় একটি মাদ্রাসার শিক্ষক। মাসিক আয় মাত্র ৭ হাজার টাকা। সন্তানের চিকিৎসার জন্য ৬০ হাজার টাকা ঋণ করেও তাকে বাঁচাতে পারেননি। একইভাবে মারা যাওয়া গাজীপুরের রিপনের বাবা একজন অটোরিকশাচালক। হাসপাতালের তথ্যে দেখা যায়, মারা যাওয়া শিশুদের অধিকাংশের বাবাই রিকশাচালক, অটোরিকশাচালক, দিনমজুর, রাজমিস্ত্রি, কৃষক বা সবজি বিক্রেতা।
পুরো প্রতিবেদন পড়ুন এখানে...





