জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় অর্থায়ন বাড়ানোর তাগিদ বিশেষজ্ঞদের

‘অ্যান্টালিয়ার পথে: জলবায়ু অর্থায়ন ও জাতীয় অঙ্গীকার ৩.০’ শীর্ষক আন্তর্জাতিক অনলাইন আলোচনা— সংগৃহীত ছবি
বাংলাদেশসহ উন্নয়নশীল দেশগুলোর জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় অর্থায়ন বাড়ানোর তাগিদ দিয়েছেন দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞরা। একই সঙ্গে জলবায়ু অগ্রাধিকারগুলোকে বাস্তবসম্মত ও বিনিয়োগযোগ্য প্রকল্পে রূপান্তর, প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব জোরদারের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন তারা।
‘অ্যান্টালিয়ার পথে: জলবায়ু অর্থায়ন ও জাতীয় অঙ্গীকার ৩.০’ শীর্ষক আন্তর্জাতিক অনলাইন আলোচনায় বুধবার এসব কথা বলা হয়। বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় এবং টেকসই উন্নয়ন, সবুজ দক্ষতা ও জলবায়ু কার্যক্রমবিষয়ক ইউনেস্কো চেয়ার যৌথভাবে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. মো. সাইমুম পারভেজ। উদ্বোধনী বক্তব্য দেন বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী রওনাকুল ইসলাম।
আলোচনায় বক্তারা বলেছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকিতে থাকা উন্নয়নশীল দেশগুলো এখনো প্রয়োজনীয় অর্থায়নে পর্যাপ্ত প্রবেশাধিকার পাচ্ছে না। তাই জাতীয় জলবায়ু অঙ্গীকারের লক্ষ্যগুলোকে সুস্পষ্ট অর্থায়ন পরিকল্পনার সঙ্গে যুক্ত করতে হবে। একই সঙ্গে প্রকল্পের কারিগরি ও আর্থিক গ্রহণযোগ্যতা, বাস্তবায়ন সক্ষমতা এবং পরিবেশগত ও সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করা জরুরি।
ড. সাইমুম পারভেজ বললেন, জলবায়ু অর্থায়নের উৎস বহুমুখীকরণের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।
আলোচনায় কাজী রওনাকুল ইসলাম বলেছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ক্রমবর্ধমান ঝুঁকি মোকাবিলায় জাতীয় অর্থায়নের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক জলবায়ু অর্থায়নের সুযোগ কার্যকরভাবে কাজে লাগানো জরুরি।
আলোচনায় ইন্দোনেশিয়ার জাতীয় উন্নয়ন পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী লিওনার্দো এ এ তেগুহ সাম্বোদো, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পরিবেশ, জলবায়ু পরিবর্তন ও স্বাস্থ্য বিভাগের সাবেক পরিচালক মারিয়া নেইরা, অস্ট্রেলিয়ার কিউকিউনিভার্সিটির অধ্যাপক ওলাভ মুরলিঙ্ক, তুরস্কের ইস্তাম্বুল আয়দিন বিশ্ববিদ্যালয়ের এলিফ কায়া, তুরস্কের উমায় ইলমাজ এবং উগান্ডার ক্লাইমেট হাব ইন্টারন্যাশনালের পরিচালক ক্লিনটন মাওয়ান্ডা অংশ নেন। তারা জলবায়ু অর্থায়নে উন্নয়নশীল দেশগুলোর প্রবেশাধিকার বাড়ানো এবং জলবায়ু অগ্রাধিকারকে বিনিয়োগযোগ্য প্রকল্পে রূপান্তরের ওপর গুরুত্ব দেন।




