সংগীতের মাধ্যমে মানবিক মূল্যবোধ জাগানোর আহ্বান

ছবি: আগামীর সময়
বিশ্ব সংগীত দিবস উপলক্ষে দুই দিনের জমকালো আয়োজন শেষ হয়েছে আজ। রাজধানীর সেগুনবাগিচার কেন্দ্রীয় কচি-কাঁচার মেলা মিলনায়তনে এ আয়োজন করেছিল বাংলাদেশ সংগীত সংগঠন সমন্বয় পরিষদ। এবারের প্রতিপাদ্য ছিল— ‘কণ্ঠ মেলাও সুর ও তানে, বিশ্ব জাগুক গানে গানে’।
সমাপনী দিনের অনুষ্ঠান শুরু হয় কিশলয় কচিকাঁচার মেলার শিল্পীদের দলীয় নৃত্য পরিবেশনার মধ্য দিয়ে। পরে আয়োজিত আলোচনা সভায় স্বাগত বক্তব্য দেন বাংলাদেশ সংগীত সংগঠন সমন্বয় পরিষদের সাধারণ সম্পাদক নারায়ণ চন্দ্র শীল। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন দেশবরেণ্য লোকসংগীতশিল্পী আকরামুল ইসলাম। সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ সংগীত সংগঠন সমন্বয় পরিষদের সভাপতি ও একুশে পদকপ্রাপ্ত গণসংগীতশিল্পী মাহমুদ সেলিম।
আলোচনা পর্ব শেষে শুরু হয় সংগীত ও নৃত্যানুষ্ঠান। এতে দলীয় পরিবেশনা নিয়ে মঞ্চে ওঠেন বাঁশুরিয়া লোকসংগীত গবেষণা ও চর্চা কেন্দ্র, সুর নন্দন, মহীরুহ, সপ্তরেখা শিল্পীগোষ্ঠী ও লোকাঙ্গন সাংস্কৃতিক সংগঠনের শিল্পীরা। পাশাপাশি একক সংগীত পরিবেশন করেন দেশের বরেণ্য শিল্পীরা।
এর আগে রবিবার (২১ জুন) উদ্বোধন করা হয় বিশ্ব সংগীত দিবসের দুই দিনব্যাপী কর্মসূচির। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন স্বাধীনতা পদকপ্রাপ্ত বিশিষ্ট বাচিকশিল্পী ও সংস্কৃতিজন আশরাফুল আলম। এ দিনের আলোচনা পর্বে বক্তব্য দেন একুশে পদকপ্রাপ্ত শেখ সাদী খান ও আশরাফুল আলম। পরে সাংস্কৃতিক আয়োজনে দলীয় নৃত্য পরিবেশন করে স্পন্দন। এছাড়াও সংগীত পরিবেশন করে সুরের ধারা, নিবেদন, গীতশতদল, অভ্যূদয়, রাধারমণ সংস্কৃতি চর্চা কেন্দ্র, বিশ্ববীণা, সংগীত ভবন, নির্ঝরিণী একাডেমি, বুলবুল ললিতকলা একাডেমি ওয়াইজঘাট, বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী, মরমী লোকগীতি শিল্পীগোষ্ঠী এবং দেলোয়ার হোসেন বয়াতী ও তার দল।





