ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরির পাঠক সমাবেশে বইপড়ার সংস্কৃতি গড়ে তোলার আহ্বান

বর্ণাঢ্য র্যালি শেষে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়। ছবি : আগামীর সময়
দেশব্যাপী ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরি (তৃতীয় সংশোধিত) প্রকল্পের আওতায় বরিশালে অনুষ্ঠিত হয়েছে বিভাগীয় পাঠক সমাবেশ। আজ বৃহস্পতিবার বিভাগীয় সরকারি গণগ্রন্থাগার প্রাঙ্গণে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এবং গণগ্রন্থাগার অধিদপ্তরের ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনার অংশ হিসেবে এ আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বরিশাল বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার (অতিরিক্ত সচিব) খলিল আহমেদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব (প্রশাসন) ও প্রকল্প পরিচালক মু. বিল্লাল হোসেন খান, গণগ্রন্থাগার অধিদপ্তরের পরিচালক (যুগ্ম সচিব) প্রশাসন ও হিসাব মোছা. মরিয়ম বেগম এবং বরিশাল বিভাগের বিভাগীয় সরকারি গণগ্রন্থাগারের প্রিন্সিপাল লাইব্রেরিয়ান (উপপরিচালক) বেলায়েত হোসেন।
সভাপতিত্ব করেন বরিশাল রেঞ্জের অ্যাডিশনাল ডিআইজি (অ্যাডমিন অ্যান্ড ফিন্যান্স) ড. মো. সাইফুল্লাহ বিন আনোয়ার।
প্রধান অতিথি খলিল আহমেদ শিক্ষার্থীদের সমাজের দর্পণ উল্লেখ করে বলেছেন, বইপাঠের মাধ্যমে জ্ঞানের আলো ছড়িয়ে বৈষম্যমুক্ত ও আলোকিত সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব।
বিল্লাল হোসেন খান বলেছেন, সাংস্কৃতিক চর্চা, ক্রীড়া ও বইপাঠ মানুষের ডিভাইস-আসক্তি কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
মরিয়ম বেগম জানিয়েছেন, প্রকল্পের আওতায় দেশের ৭৬টি ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরির মাধ্যমে মানুষের দোরগোড়ায় বই পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। আর ড. মো. সাইফুল্লাহ বিন আনোয়ার শিক্ষার্থীদের বড় স্বপ্ন দেখতে এবং নিয়মিত বই পড়ে জ্ঞানকে সমাজ ও দেশের কল্যাণে কাজে লাগানোর আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য দেন বেলায়েত হোসেন। পরে বরিশাল বিভাগের ছয় জেলার ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরি-গাড়ির অংশগ্রহণে বর্ণাঢ্য র্যালি, ভ্রাম্যমাণ বইমেলা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়। এরই মধ্যে ছয় বিভাগের মধ্যে চারটিতে এ পাঠক সমাবেশ সম্পন্ন হয়েছে; পরবর্তী আয়োজন হবে সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগে।






