‘বনলতা এক্সপ্রেস’ প্রদর্শনী বন্ধের প্রতিবাদে ঢাকায় মানববন্ধন
- শিল্পের স্বাধীন চর্চা ও সাংস্কৃতিক নিরাপত্তা দাবি

ছবি: আগামীর সময়
বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন বোর্ডের বৈধ ছাড়পত্র থাকা সত্ত্বেও ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ‘বনলতা এক্সপ্রেস’ চলচ্চিত্রের প্রদর্শনী বন্ধের প্রতিবাদ জানিয়ে ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়েছে মানববন্ধন।
শুক্রবার ‘জাতীয় চলচ্চিত্র আন্দোলন’- ‘ফেডারেশন অফ ফিল্ম সোসাইটিজ অফ বাংলাদেশ’, ডকল্যাব, বাংলাদেশ শর্ট ফিল্ম ফোরাম এবং দৃশ্যমাধ্যম সমাজ যৌথভাবে এই মানববন্ধনের আয়োজন করে। এতে চলচ্চিত্রকর্মী, শিল্পী, শিক্ষার্থী, বুদ্ধিজীবীসহ অংশ নেন অনেকে।
আয়োজকেরা জানান, শিল্পের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় এবং প্রান্তিক অঞ্চলে সাংস্কৃতিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আগামীতে আরও বৃহত্তর পরিসরে কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে দেশব্যাপী।
শুরুতেই আয়োজনের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে বক্তব্য দেন জাতীয় চলচ্চিত্র আন্দোলনের সংগঠক ও বাংলাদেশ ফেডারেশন অফ ফিল্ম সোসাইটিজের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরউল্লাহ।
এ সময় সংহতি প্রকাশ করে অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ বললেন, ‘সৃজনশীলতায় নতুন চিন্তার প্রকাশ ঘটে। কার স্বার্থে এগুলো বাধা দেওয়া হয়? ডিসি কোন অশ্লীলতা বন্ধ করতে চেয়েছিলেন বনলতা এক্সপ্রেস বন্ধের মধ্য দিয়ে, তার ব্যাখ্যা দিতে হবে। সরকার এই ঘটনায় নিষ্ক্রিয়তার মধ্য দিয়ে কাদের সমর্থন দিচ্ছে?’
জাতীয় চলচ্চিত্র আন্দোলনের সংগঠক শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘জাতির মনন গঠনের মাধ্যম হচ্ছে সাংস্কৃতিক কার্যক্রম। সাংস্কৃতিক কার্যক্রম রুখে দেয়ার যে অপচেষ্টা, আমরা সবসময়ই তার বিরুদ্ধে। আজকের প্রতিবাদ সমাবেশ থেকে সেই অবস্থানই আমরা ব্যক্ত করতে এসেছি।’
মানববন্ধনে ‘চলচ্চিত্র সংস্কার রোডম্যাপ’-এর পক্ষ থেকে রাষ্ট্রের নীতি-নির্ধারকদের প্রতি একটি খোলা চিঠি পাঠ করা হয়। স্বাধীন চলচ্চিত্র চর্চার সাংবিধানিক সুরক্ষা ও কাঠামোগত সমাধানের দাবি জানানো হয় চিঠিতে।




