বইপড়ার পুরস্কার পেল ৩ হাজার ২৬৯ শিক্ষার্থী

সংগৃহীত ছবি
বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের আয়োজনে এবং গ্রামীণফোনের সহযোগিতায় খুলনায় অনুষ্ঠিত হয়েছে স্কুল পর্যায়ের বইপড়া কর্মসূচির বর্ণাঢ্য পুরস্কার বিতরণ উৎসব। আজ শুক্রবার সেন্ট জোসেফ্স উচ্চ বিদ্যালয় মিলনায়তনে দিনব্যাপী এ আয়োজনে খুলনা মহানগরীর ৪৬টি স্কুলের ৩ হাজার ২৬৯ জন কৃতী শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে পুরস্কার দেওয়া হয়।
সেন্ট জোসেফ্স উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। পরে বিজয়ী শিক্ষার্থীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।
উৎসবে ৩০টি স্কুলের ২ হাজার ২৫৭ জন শিক্ষার্থীকে সরাসরি মঞ্চ থেকে এবং ১৬টি স্কুলের পুরস্কার সংশ্লিষ্ট স্কুলের সংগঠকদের হাতে দেওয়া হয়। পুরস্কারপ্রাপ্তদের মধ্যে ২ হাজার ২৫৪ জন ‘শুভেচ্ছা’, ৯২৩ জন ‘অভিনন্দন’ এবং ৯২ জন ‘সেরা পাঠক’ ক্যাটাগরিতে পুরস্কার পেয়েছে। তাদের মধ্যে ছেলে ১ হাজার ১৪৬ এবং মেয়ে ২ হাজার ১২৩ জন।
এ বছর প্রথমবারের মতো শিক্ষার্থীদের জন্য ‘অনলাইন সেফটি ফান্ডামেন্টালস’ শীর্ষক সচেতনতামূলক অনলাইন কোর্স চালু করা হয়েছে। এর মাধ্যমে অভিভাবক ও শিশু-কিশোররা নিরাপদ, দায়িত্বশীল ও সচেতন ইন্টারনেট ব্যবহারের মৌলিক জ্ঞান লাভ করবে। অনুষ্ঠানস্থলে ‘অনলাইন সেফটি কর্নার’-এ অভিভাবক ও শিক্ষকদের শিশুদের নিরাপদ ইন্টারনেট ব্যবহার ও দায়িত্বশীল ডিজিটাল আচরণ বিষয়ে তথ্য দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব (প্রশাসন) ও দেশব্যাপী ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরি (৩য় সংশোধিত) প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক বিল্লাল হোসেন খান, আর্কিটেক্ট, স্ট্যামফোর্ড ইউনিভার্সিটির সাবেক ভিসি ও বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের অন্যতম ট্রাস্টি অধ্যাপক মুহাম্মাদ আলী নকী, খুলনার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (উন্নয়ন ও মানবসম্পদ) ইরুফা সুলতানা, প্রকৌশলী, শিক্ষাবিদ ও বিজ্ঞান সংগঠক অধ্যাপক ফারসীম মান্নান মোহাম্মদী, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা, খুলনা অঞ্চলের ভারপ্রাপ্ত উপপরিচালক মো. কামরুজ্জামান, গ্রামীণফোন লিমিটেড খুলনার রিজিওনাল হেড ছানোয়ার হোসেন, সেন্ট জোসেফ্স উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আলফ্রেড রণজিৎ মণ্ডল এবং বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের নির্বাহী পরিচালক ও প্রাক্তন সচিব খোন্দকার মো. আসাদুজ্জামান।
দিনব্যাপী এ উৎসবের আয়োজন ও পুরস্কারের বই স্পন্সর করেছে গ্রামীণফোন লিমিটেড।





