মানুষকে মানবিক করে তোলে যে সুর

সম্মেলনী গান পরিবেশন করছেন শিল্পীরা
একমাত্র সংগীতের সুরই পারে মানুষের সূক্ষ্ম অনুভূতিতে প্রবেশ করে মনের হিংস্রতা দূর করতে। পরশ্রীকাতরতা, অসহিষ্ণু মনোভাব আর অশান্তির পরিবর্তে সংগীত পারে অহিংস, মানবিক, সহিষ্ণু ও শান্তিপ্রিয় মানুষ গড়তে। অথচ এই বিষয়টি সমাজে উপেক্ষিত। এমনকি সংস্কৃতি চর্চার পরিসর সংকুচিত হচ্ছে দিন দিন।
গতকাল রবিবার বিশ্ব সংগীত দিবস ২০২৬ উপলক্ষ্যে আয়োজিত ধানমন্ডির ছায়ানট মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে বক্তারা নিজেদের মতামত জানান্তে গিয়ে এসব বলেন।
'শান্তির জন্য সংগীত' স্লোগানকে প্রতিপাদ্য করে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে সাংস্কৃতিক সংগঠন সৃষ্টি বিশ্বময়।
সংগীতের সুর ছড়িয়ে পড়ুক সুক্ষ অনুভূতিতে, জাগিয়ে তুলুক মানবিক ও অহিংস চেতনা, এই প্রত্যয়ে ছিল সাংস্কৃতিক সংগঠন সৃষ্টি বিশ্বময়ের এই আয়োজন। এতে সভাপতিত্ব করেন প্রবীণ সাংবাদিক বাসুদেব ধর। আলোচনা সভার প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন নাট্যজন খায়রুল আলম সবুজ। বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব গোলাম মোস্তফা। মুখ্য আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগীত বিভাগের চেয়ারম্যান শিল্পী প্রিয়াংকা গোপ।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সাংস্কৃতিক সংগঠক পুলক রাহা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক অলক দাশগুপ্ত।
বক্তারা বলছেন, শিশু-কিশোরদের মনন বিকাশে সংস্কৃতি চর্চা খুবই জরুরী হয়ে পড়েছে। তাই এ ব্যাপারে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা দরকার। পৃষ্ঠপোষকতায় এগিয়ে আসা দরকার দেশের বিত্তবান মানুষের।
সংগঠনের শিল্পীদের উদ্বোধনী সম্মেলনী গান 'সবার মিলন মোহনায় এসো' পরিবেশনের মধ্য দিয়ে সূচনা হয় এ অনুষ্ঠানের।
তারপর একক সংগীত পরিবেশন করেন শিল্পী শামীমা রহমান মুন্নী, বর্ষা রাহা, আশরাফুন নেসা খানম মুন্নী, তরুণ কর্মকার প্রমুখ। পুরো অনুষ্ঠানের উপস্থাপনায় ছিলেন বাচিক শিল্পী পলি পারভিন, শোয়াইব আহমদ, রূপশ্রী চক্রবর্তী প্রমুখ। জাতীয় সংগীতের মধ্য দিয়ে সমাপ্তি ঘটে এ অনুষ্ঠানের।







