পি কে হালদারসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

পি কে হালদার
দুর্নীতির মামলায় রিলায়েন্স ফাইন্যান্স লিমিটেডের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রশান্ত কুমার (পি কে) হালদারসহ ১৮ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র আমলে গ্রহণ করেছেন আদালত। আজ বৃহস্পতিবার ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. শাহজাহান কবির এ অভিযোগ পত্র আমলে নেন। তবে পলাতক পি কে হালদারসহ ১২ আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।
এ বিষয়ে প্রতিবেদনের জন্য আগামী ১ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী রিয়াজ হোসেন এ তথ্য জানান।
পিকে হালদার বাদে অভিযোগপত্রের অপর আসামিরা হলেন মো. নুরুল আলম, নাসিম আনোয়ার, মো. নুরুজ্জামান, মোহাম্মদ আবুল হাসেম, এম এ হাশেম, জহিরুল আলম, মো. নওশেরুল ইসলাম, রাশেদুল হক, আল মামুন সোহাগ, রফিকুল ইসলাম খান, মর্জিনা বেগম, শঙ্ক বেপারী, বাসুদেব ব্যানার্জি, পাপিয়া ব্যানার্জি, নাহিদা রুনাই, রাফসান রিয়াদ চৌধুরী ও সৈয়দ আবেদ হাসান। আসামিদের মধ্যে শঙ্ক বেপারী, বাসুদেব, পাপিয়া, নাহিদা, রাফসান ও আবেদ কারাগারে আটক রয়েছেন।
মামলার বিবরণে বলা হয়েছে, আসামিরা পরস্পর যোগসাজসে, প্রতারণা ও জাল জালিয়াতির মাধ্যমে ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে নামসর্বস্ব/কাগুজে প্রতিষ্ঠান ‘মুন এন্টারপ্রাইজের’ নামে রেকর্ডপত্র প্রস্তুত করে। তা সঠিক হিসাবে ব্যবহার করে নামসর্বস্ব প্রতিষ্ঠানের মালিককে ঋণ পেতে এবং সংশ্লিষ্ট ঋণের গ্রহীতা ইন্টারন্যাশনাল লিজিং এন্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস লিমিটেডের কর্মকর্তা ও বোর্ড সদস্যদের প্রত্যক্ষ সহায়তার মাধ্যমে ৮৩ কোটি ৮৪ লাখ টাকার ভূয়া ঋণের কাগজপত্র প্রস্তুত করেন। পরবর্তীতে তা সঠিক হিসাবে ব্যবহার করে ৮৩ কোটি ৮৪ লাখ টাকা উত্তোলন করে আত্মসাত করেন। বিভিন্ন হিসাবে লেয়ারিংয়ের মাধ্যমে এই অর্থ বিভিন্ন কোম্পানি ও ব্যক্তির হিসাবে স্থানান্তর ও রুপান্তরের মাধ্যমে পাচার করা হয়।
এ ঘটনায় ২০২১ সালের ২৫ জানুয়ারি ১৮ জনের নাম উল্লেখ করে দুদকের উপসহকারী পরিচালক আফনান জান্নাত কেয়া মামলাটি দায়ের করেন। তদন্ত শেষে গত ২০ এপ্রিল আফনান জান্নাত কেয়া আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র জমা দেন।




