জামিন পেলেন না আখতারুজ্জামান, শুনানিতে যা বললেন দুই পক্ষের আইনজীবীরা

আদালতে মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান—ফাইল ছবি
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি, সরকারি কাজে বাধা এবং দায়িত্বরত নিরাপত্তা কর্মকর্তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার মামলায় জামায়াতে ইসলামীর সহযোগী সদস্য মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের জামিন নামঞ্জুর করেছেন আদালত।
আজ সোমবার ঢাকার পঞ্চম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ সালেকীন হাবিব বাপ্পী শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।
এদিন আইনজীবী শিশির মনির আসামির জামিন চেয়ে শুনানি করেন। শুনানিতে তিনি উল্লেখ করেন, ‘আক্তারুজ্জামান ৭৩ বছর বয়সী একজন মুক্তিযোদ্ধা। যে মামলাটি করা হয়েছে, এটা থানায় করা যায় না। মামলা করতে হয় আদালতে, যা আইনের ১৯৫ ধারার সরাসরি লঙ্ঘন। তিনি কারও গায়ে হাত দেননি। ক্রিমিনাল ফোর্স ব্যবহার করেননি। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। ক্ষোভ এবং রাগের জন্য তিনি ২৪ দিন কারাগারে আছেন। একজন মানুষ ক্ষোভ প্রকাশ করলে আর কতদিন জেলে থাকতে হবে। আমরা তার জামিন প্রার্থনা করছি।’
অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ওমর ফারুক ফারুকী জামিনের বিরোধিতা করেন। তিনি বলেছেন, ‘মামলাটি তদন্তধীন। তিনি জামিন পেলে তদন্তে বিঘ্ন ঘটবে। আমরা জামিনের বিরোধিতা করছি।’ উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন।
এর আগে ২ অক্টোবর আক্তারুজ্জামানকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। রিমান্ড শেষে তার জামিন নামঞ্জুর করে ৪ অক্টোবর কারাগারে পাঠানো হয়। এরপর থেকে কারাগারে রয়েছেন তিনি।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, ১ অক্টোবর মদিনা থেকে আসা বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটের যাত্রীদের লাগেজ পেতে বিলম্ব ও ট্রলি সংকটকে কেন্দ্র করে বিমানবন্দরে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। এ সময় বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন এস এম রাগীব সামাদের সঙ্গে আখতারুজ্জামানের বাগ্বিতণ্ডা হয়।
ঘটনার পর বিমানবন্দর থানায় মামলা করেন বিমানবন্দরের নিরাপত্তা কর্মকর্তা মো. শাহরিয়ার আলম সজীব।





