রিমান্ড শেষে কারাগারে সেই ওসি

মোহাম্মদ রাকিবুল হাসান রাকিব—ফাইল ছবি
রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় ক্যান্টনমেন্ট থানার সাবেক ওসি মোহাম্মদ রাকিবুল হাসান রাকিবকে রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুর রহমান তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
এদিন রিমান্ড শেষে আসামিকে আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও ডিএমপির গোয়েন্দা বিভাগের গুলশান জোনাল টিমের পরিদর্শক মো. জেহাদ হোসেন। শুনানি শেষে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
এর আগে গত ২৪ সেপ্টেম্বর রাত পৌনে ৯টার দিকে রাকিবকে আদালতে হাজির করা হয়। ওইদিন তার ৭ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করা হয়। শুনানি শেষে আদালত তার পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। পরবর্তী সময়ে মামলাটি ডিএমপির গোয়েন্দা বিভাগে (ডিবি) হস্তান্তর করা হয়। পরে গত ২৮ সেপ্টেম্বর জিজ্ঞাসাবাদে তার আরও দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়।
রাকিবুল হাসান রাজধানীর ক্যান্টনমেন্ট থানার ওসি থাকা অবস্থায় গত ১৬ সেপ্টেম্বর রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার কথোপকথনের একটি অডিও ছড়িয়ে পড়ে। বিভিন্ন মাধ্যমে প্রচারিত ওই অডিওতে একজন ব্যক্তিকে পুলিশের সক্ষমতা, মাঠপর্যায়ের পুলিশ সদস্যদের অবস্থান এবং শেখ হাসিনার দেশে ফেরার প্রসঙ্গে কথা বলতে শোনা যায়।
অডিওতে ওই ব্যক্তিকে বলতে শোনা যায়, ‘রাস্তায় থাকা পুলিশ খুবই দুর্বল। শেখ হাসিনা যদি ডিসেম্বরে ফিরে আসে, তবে তারা কিছুই করতে পারবে না।’ অডিওতে আরও দাবি করা হয়, ‘পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের একটি অংশ বিএনপির দিকে ঝুঁকে পড়ছেন, তবে মাঠপর্যায়ের পুলিশ সদস্যরা সেই অবস্থানে নেই।’
পুলিশের বিভিন্ন পদে পদায়নের ক্ষেত্রে ঘুষ লেনদেনের অভিযোগ নিয়েও কথোপকথনে আলোচনা রয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
অডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই এটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা শুরু হয়। পরে বিষয়টি সংবাদমাধ্যমেও আসে এবং এর মধ্যেই ক্যান্টনমেন্ট থানার ওসি পদ থেকে রাকিবুল ইসলামকে প্রত্যাহার করা হয়।




