আরো এক মামলায় জামিন, ‘মুক্তিতে বাধা নেই’ খায়রুল হকের

সংগৃহীত ছবি
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় হত্যাচেষ্টা ও বিস্ফোরকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে রাজধানীর বনানী থানার এক মামলায় সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হক অন্তর্বর্তীকালীন জামিন পেয়েছেন। তার করা এক জামিন আবেদনের শুনানি করে বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ার ও বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ আজ সোমবার রুলসহ এই আদেশ দেন।
ওই মামলায় জামিন হওয়ায় সাবেক বিচারপতি খায়রুল হকের কারামুক্তিতে আইনি বাধা নেই বলে জানিয়েছেন তার আইনজীবী মোনায়েম নবী শাহীন।
এর আগে ওই মামলায় অধস্তন আদালতে গত ২৭ জুলাই বিফল হয়ে গতকাল রবিবার হাইকোর্টে জামিন চেয়ে আবেদন করেন সাবেক প্রধান বিচারপতি।
আদালতে খায়রুল হকের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন সিনিয়র আইনজীবী মো. মনসুরুল হক চৌধুরী ও মোতাহার হোসেন সাজু, আইনজীবী মোনায়েম নবী শাহীন। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সৈয়দা সাজিয়া শারমিন।
রুলে ওই মামলায় খায়রুল হককে কেন নিয়মিত জামিন দেওয়া হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়েছে বলে জানালেন আইনজীবী মোনায়েম নবী শাহীন। তিনি বলেছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ওই মামলায় খায়রুল হককে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট। এখন পর্যন্ত সব মিলে তার বিরুদ্ধে ৯টি মামলা রয়েছে, আটটিতে তিনি জামিনে আছেন। বনানী থানার এই মামলায় জামিন হওয়ায় তার কারামুক্তিতে আইনি কোনো বাধা নেই।
খায়রুল হক ২০১০ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে ২০১১ সালের ১৭ মে পর্যন্ত প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব পালন করেন। তার নেতৃত্বাধীন আপিল বেঞ্চ ২০১১ সালের ১০ মে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিল করে রায় দেন।
গত বছরের ২৪ জুলাই রাজধানীর ধানমন্ডির বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে তাকে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় ঢাকার যাত্রাবাড়ীতে যুবদল কর্মী আবদুল কাইয়ুম আহাদ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। এরপর থেকে বিভিন্ন মামলায় তিনি কারাগারে আছেন।
আবদুল কাইয়ুম আহাদ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর পর তাকে বিভিন্ন মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। পৃথক আট মামলায় জামিনের পর বনানী থানার মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর জন্য গত ২ জুলাই আদালতে আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা। এ মামলায় গত ৮ জুলাই খায়রুল হককে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।





