একই মামলায় আবার গ্রেপ্তার দেখানো হলো মুজিব পরদেশীকে

মুজিব পরদেশী
চেক ডিজঅনারের মামলায় এক বছরের সাজাপ্রাপ্ত ছিলেন শিল্পী মুজিব পরদেশী। এ মামলায় গত ৪ আগস্ট তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন ঢাকার অ্যাডিশনাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সেফাতুল্লাহ। আজ মঙ্গলবার আবারও চার লাখ ৪০ হাজার টাকার চেক ডিজঅনারের মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে তাকে।
ঢাকার ৫ম যুগ্ম মহানগর দায়রা জজ মো. সাদিক আহম্মেদ বাদীপক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আজ তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
৪ আগস্টে গ্রেপ্তার হওয়া মামলার বাদী ছিলেন ইদ্রিস আলী বিশ্বাস নামে এক ব্যক্তি। ২০২২ সালে মাগুরার আদালতে মুজিব পরদেশীর বিরুদ্ধে এ মামলা করেন তিনি। আজ গ্রেপ্তার দেখানো মামলার বাদী মজিবুর রহমান। ২০০৪ সালের ১ জুন মামলা দায়ের করেন তিনি।
মুজিবুর রহমানে বাদী হয়ে করা মামলার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারি শাহ আলম মিয়া জানান, ২০০৭ সালের ২১ নভেম্বর আসামি মুজিব পরদেশীকে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ৮ লাখ ৮০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়। এর মধ্যে বাদী পাবেন ৫ লাখ টাকা এবং অবশিষ্ট ৩ লাখ ৮০ হাজার টাকা যাবে রাষ্ট্রীয় কোষাগারে।
মামলার বিবরণে বলা হয়েছে, ২০০৩ সালে মামলার বাদী মজিবুর রহমানের ছোট ভাই মো. সোলায়মান সরদারকে ইংল্যান্ডে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে ৪ লাখ ৪০ হাজার টাকা নেন মুজিব পরদেশী। এর মধ্যে ব্যাংকের মাধ্যমে ২ লাখ ২০ হাজার এবং নগদে আরও ২ লাখ ২০ হাজার টাকা গ্রহণ করা হয়। পরবর্তী সময়ে সোলায়মানকে ইংল্যান্ডে নিয়ে যেতে ব্যর্থ হলে টাকা ফেরত চান বাদী। তখন মুজিব পরদেশী ২ লাখ ২০ হাজার টাকা করে দুটি চেক দেন। কিন্তু চেক দুটি ব্যাংকে জমা দিলে ‘ফান্ড অপর্যাপ্ত’ উল্লেখ করে তা একাধিকবার প্রত্যাখ্যাত হয়। এ ঘটনায় বাদী একাধিকবার আইনি নোটিস পাঠালেও টাকা পরিশোধ করা হয়নি বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
গত ৪ অগাস্ট ১০ লাখ টাকার চেক ডিজঅনার মামলায় মুজিব পরদেশীকে কারাগারে পাঠানো হয়। এই অবস্থায় তাকে সাজার এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন জানানো হয়।







