খেলাপি ঋণের লাগাম টানতে দরকার রাজনৈতিক সদিচ্ছা

গ্রাফিকস: আগামীর সময়
‘ধরি মাছ না ছুঁই পানি’— বড় ঋণখেলাপিদের ক্ষেত্রে এমন নীতিই অনুসরণ করেছিল বিগত আওয়ামী লীগ সরকার। ১৫ বছর ছিল না তেমন কোনো কার্যকর ও দৃশ্যমান পদক্ষেপ। উল্টো নানা ধরনের নীতি সহায়তা ও বিশেষ সুবিধা দিয়ে তাদের ঋণ পরিশোধের দায় থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পথ প্রশস্ত করা হয়েছে। সামান্য অর্থ দিয়েই পুনঃতফসিল এবং ঋণ নবায়ন করে আবার অর্থ নেওয়া— এ যেন ব্যাংক খাতের ‘স্থায়ী সংস্কৃতি’ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এতে নির্বিঘ্নে লুটপাট হয়েছে সাধারণ মানুষের ‘ঘাম ঝরানো’ আমানতের অর্থ।
যদিও নানা শ্রেণি-পেশার মানুষের চাপের মুখে ২০২৩ সালে ব্যাংক কোম্পানি আইনে সংশোধনী এনে খেলাপিদের জন্য নামমাত্র শাস্তির বিধান যুক্ত করা হয়। কিন্তু সেখানে রেখে দেওয়া হয়েছে ‘শুভংকরের ফাঁক’। ‘ইচ্ছাকৃত খেলাপি’ বা উইলফুল ডিফল্টারের বিষয়টি থাকায় বাস্তবে এর অপপ্রয়োগের সুযোগ তৈরি হয়েছে। ‘ইচ্ছাকৃত’ শব্দটির ব্যাখ্যা ও প্রয়োগের ক্ষেত্রেও দেখা গেছে নানা অস্পষ্টতা। ‘অধিকাংশ ঋণগ্রহীতা ইচ্ছা করে খেলাপি হননি’— এমন যুক্তি দেখিয়ে বড় খেলাপিরা আবারও ঋণ নবায়নের সুযোগ পেয়েছেন। আবার কেউ কেউ অর্থঋণ আদালতের আশ্রয় নিয়ে বছরের পর বছর মামলা ঝুলিয়ে রাখছেন। আটকে আছে বিশাল অঙ্কের টাকা। শুধু তা-ই নয়, যারা ব্যাংকের রক্ষক (পরিচালক), তারাও নিয়মবহির্ভূতভাবে নামে-বেনামে প্রায় ২ লাখ কোটি টাকার বেশি ঋণ নিয়েছেন; যার সিংহভাগই খেলাপি।
এমন পরিস্থিতিতে যা হওয়ার তাই হয়েছে। নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে ব্যাংক খাতের শৃঙ্খলা। হু হু করে বেড়েছে খেলাপির অঙ্ক। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ঘোষণা অনুযায়ী তা ছাড়িয়ে গেছে ৬ লাখ কোটি টাকা, যা বিতরণ করা মোট ঋণের ৩২ দশমিক ৭৮ শতাংশ। বাস্তবে আরও বেশি। কারণ, হিসাবে রাখা হয়নি অবলোপনের নামে খেলাপির খাতা থেকে বাদ দেওয়া কু বা মন্দ ঋণ, যার অঙ্ক ৮৩ হাজার কোটি টাকা। আরও আছে পুনঃতফসিলের আড়ালে থাকা মেয়াদোত্তীর্ণ অনাদায়ি ঋণ ২ লাখ ৬৯ হাজার কোটি টাকা। এ ছাড়া আদালতের নির্দেশে আটকে থাকা ১ লাখ ৮২ হাজার কোটি টাকা। অর্থাৎ অনাদায়ি ঝুঁকিপূর্ণ ঋণের অঙ্ক দাঁড়িয়েছে প্রায় ১১ লাখ কোটি টাকা, যা বিতরণ করা মোট ঋণের প্রায় ৫৯ শতাংশ। এভাবেই খেলাপি হারের দিক থেকে এই মুহূর্তে বিশ্বের এক নম্বরে পৌঁছে গেছে বাংলাদেশ। অথচ ২০০৯ সালে ছিল মাত্র ২২ হাজার ৪৮১ কোটি টাকা।
পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে, খেলাপির বিপরীতে নির্দিষ্ট হারে অর্থ প্রভিশন (নিরাপত্তা সঞ্চিতি) আকারে জমা রাখার যে বিধান রয়েছে, সেটিও রাখতে ব্যর্থ হচ্ছে অনেক ব্যাংক। এতে তারল্য সংকট দিন দিন ভয়াবহ আকার ধারণ করছে। প্রশ্ন হচ্ছে— এত অনিয়মের পরও চিহ্নিত বড় খেলাপিদের বিরুদ্ধে কেন কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি? ওই সময় ক্ষমতাসীনদের আশীর্বাদ নিয়ে খেলাপিরা সরকারকে এক ধরনের ‘জুজুর ভয়’ দেখাতেন। বড় ঋণগ্রহীতাদের পক্ষ থেকে বলা হতো— নতুন করে ঋণ না দিলে কিংবা তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিলে প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যাবে, কর্মসংস্থান কমবে এবং বেকারত্ব বাড়বে। এই যুক্তিকে সামনে রেখে বারবার ঋণ নবায়ন করা হয়েছে। নতুন করে ঋণ নেওয়া হয়েছে। তা আর ফেরত আসেনি। কিন্তু এই যুক্তির আড়ালে ঋণখেলাপিদের অনির্দিষ্টকাল ছাড় দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই।
বিশেষ সুবিধা দিয়ে বছরের পর বছর খেলাপিদের টিকিয়ে রাখার সংস্কৃতি বন্ধ করতে হবে। কারণ এর মূল্য দিতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে, তাদের কষ্টার্জিত সঞ্চয়ের অর্থ দিয়ে। এখন সময় এসেছে বড় খেলাপিদের আইনের কঠোর মুখোমুখি করার। বিশ্বের অন্য দেশগুলো যদি ঋণখেলাপিদের বিরুদ্ধে শক্ত ব্যবস্থা নিতে পারে, তাহলে বাধা কোথায় বাংলাদেশের? মূল বাধা— আইনের কার্যকর প্রয়োগ এবং রাজনৈতিক সদিচ্ছার ঘাটতি।
সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয়— এসব অপকর্ম দেখেও রহস্যজনক কারণে ‘নীরব দর্শকের ভূমিকা’য় ছিলেন তৎকালীন সরকারের সংশ্লিষ্ট নীতিনির্ধারক ও ব্যাংকের দায়িত্বপ্রাপ্তরা। তারা যদি ঋণ বিতরণ ও ব্যবস্থাপনা এবং তদারকি যথাযথভাবে মনিটর করতেন, তাহলে ব্যাংক খাতে এমন নাজুক পরিস্থিতি হওয়ার কথা নয়। অথচ সরকারের পক্ষ থেকে বারবার বলা হয়েছে, আইন মেনেই ঋণ দেওয়া হয়েছে এবং কোথাও অনিয়ম হলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বর্তমান সরকারও একই ধরনের ঘোষণা দিয়েছে। কিন্তু বাস্তবে খেলাপিদের সুযোগ-সুবিধা দেওয়ার প্রবণতা পুরোপুরি বন্ধ হয়নি।
তবে বিএনপি সরকারের কাছে সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা অনেক বেশি। কারণ তাদের ক্ষমতায় আসার পথ মোটেই কুসুমাস্তীর্ণ ছিল না। ১৭ বছরের দীর্ঘ আন্দোলন এবং ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছেছে দলটি।
যদিও ক্ষমতায় এসেই ব্যাংক খাতে একটি সাহসী ও আশা জাগানিয়া পদক্ষেপ নিয়েছে বর্তমান সরকার। দুর্বল হয়ে পড়া পাঁচ ইসলামী ব্যাংককে একীভূত করে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক গঠনে অন্তর্বর্তী সরকারের সিদ্ধান্ত পুরোপুরি বাস্তবায়ন করেছে। ব্যাংকগুলোতে প্রথমে প্রশাসক বসানো হয়েছিল। এখন সম্মিলিত ব্যাংকটির সার্বিক কার্যক্রম সরকার নিজেই পরিচালনা করছে। অর্থ ফেরত দেওয়া শুরু হয়েছে। স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছেন ৭৫ লাখ গ্রাহক। সরকারের এমন যুগান্তকারী পদক্ষেপকে সাধুবাদ জানিয়েছে দল-মত নির্বিশেষে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। তবে ছাপানো টাকা দিয়ে গ্রাহকদের অর্থ ফেরত দেওয়ার উদ্যোগ সামগ্রিক অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। শুধু সংকট মোকাবিলা করলেই হবে না; ভবিষ্যতে যাতে একই ধরনের পরিস্থিতির পুনরাবৃত্তি না ঘটে, সে বিষয়েও সরকারকে সতর্ক থাকতে হবে।
অর্থনীতিতে ঝুঁকি আছে— এমন আশঙ্কার বিষয়টি জানার পরও জনগণের কথা চিন্তা করেই মূলত পাঁচ ব্যাংকের ক্ষেত্রে কঠিন সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। একইভাবে এখন সময়ে এসেছে খেলাপি ঋণ নিয়ন্ত্রণে কঠোর সিদ্ধান্ত নেওয়ার। এখানে কিন্তু তেমন কোনো ঝুঁকি নেই। বরং ঝুঁকিতে থাকা মোটা অঙ্কের অর্থ উদ্ধারে আশার আলো দেখা যেতে পারে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে ব্যাংক লুটপাটের পথও বন্ধ হবে। সেই লক্ষ্যে পৌঁছাতে হলে কালক্ষেপণ না করে বড় খেলাপিদের সব প্রতিষ্ঠানে নিয়ম মেনে প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া যেতে পারে। প্রয়োজনে প্রতিষ্ঠান সচল রাখতে নতুন করে ঋণ দেওয়ার ব্যবস্থাও করা যেতে পারে। তবে সেই ঋণের প্রতিটি টাকা কোথায়, কীভাবে এবং কোন শর্তে ব্যবহার হচ্ছে— তা কঠোরভাবে মনিটর করতে হবে। ব্যাংক ও সরকারের তদারকি ব্যবস্থা শক্তিশালী করেই প্রতিষ্ঠানগুলোকে পরিচালনার সুযোগ দেওয়া যেতে পারে। পাশাপাশি আদালতে বছরের পর বছর ঝুলে থাকা মামলাগুলোর দ্রুত নিষ্পত্তিতে প্রয়োজন বিশেষ উদ্যোগ।
তবে এসব পদক্ষেপ নিতে গিয়ে অনেক বাধা আসবে— এটাই স্বাভাবিক। কারণ বড় খেলাপিদের ‘কালো হাত’ অনেক দীর্ঘ। আগের মতো বর্তমান সরকারকেও সেই হাত স্পর্শ করবে, সন্দেহ নেই। প্রকাশ্যে তারা নানা অকাট্য যুক্তি তুলে ধরবে আর পর্দার আড়ালে সরকারের সংশ্লিষ্টদের ‘ম্যানেজ’ করে যেকোনো উপায়ে সিদ্ধান্ত নিজেদের অনুকূলে নেওয়ার সর্বাত্মক চেষ্টা চালাবে। এমন ‘কণ্টকাকীর্ণ পথ’ পাড়ি দিয়ে এবং নিজেদের ব্যক্তিগত স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে কঠোর সিদ্ধান্তের দিকে এগোতে হবে সরকারকে। অর্থাৎ একদিকে খেলাপিদের প্রতিষ্ঠানগুলো সরকারের তত্ত্বাবধানে এনে সচল রাখা, অন্যদিকে ব্যাংক খাত থেকে অর্থ লুটপাটের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কার্যকর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া।
অন্য দেশগুলো যেভাবে খেলাপি ঋণ নিয়ন্ত্রণ করছে: বিশ্বের বিভন্ন দেশ মূলত আইনের কঠোর বাস্তবায়ন, নিয়মিত নজরদারি, শাস্তি দেওয়া, রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতা না করা, প্রাতিষ্ঠানিক পদ্ধতিতে খেলাপি ঋণ আদায় এবং দুর্বল ব্যাংক বন্ধ বা অন্যের সঙ্গে একীভূত করে খেলাপি ঋণ কমিয়ে এনেছে। এক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি সাফল্য এসেছে সম্পদ ব্যবস্থাপনা কোম্পানির মাধ্যমে। দক্ষিণ কোরিয়া, থাইল্যান্ড, চীন, মালয়েশিয়াসহ অনেক দেশ সরকারি পর্যায়ে সম্পদ ব্যবস্থাপনা কোম্পানি গঠন করে খেলাপি ঋণ আদায় করেছে। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) এখন বাংলাদেশকে এ ধরনের কোম্পানি গঠনের পরামর্শ দিয়েছে।
রিজার্ভ ব্যাংক অব ইন্ডিয়া (আরবিআই) ২০১৫ সালে অ্যাসেট কোয়ালিটি রিভিউ (একিউআর) চালু করেছে। যাতে ব্যাংকগুলোর প্রকৃত খেলাপি ঋণ শনাক্ত এবং পুনঃতফসিলের আড়ালে থাকা ঋণও খেলাপি হিসেবে চিহ্নিত করা যায়। ২০১৬ সালে তৈরি করা ইনসলভেন্সি অ্যান্ড ব্যাংকরাপ্টসি কোড (আইবিসি) আইন অনুযায়ী, বড় খেলাপি প্রতিষ্ঠানের বোর্ড সরিয়ে আদালত নিযুক্ত পেশাদার প্রশাসক নিয়োগ, পুনর্গঠন বা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সমাধানের ব্যবস্থা করে। উদাহরণ হিসেবে এসার স্টিল ইন্ডিয়া লিমিটেড, ভূষণ স্টিল লিমিটেডের পুনর্গঠন উল্লেখযোগ্য। ভারতের সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর শেষে দেশটির বাণিজ্যিক ব্যাংকের মোট এনপিএ (নন-পারফরমিং অ্যাসেট) হার কমে ২ দশমিক ১৫ শতাংশে নেমেছে, যা ঐতিহাসিকভাবে সর্বনিম্ন।
চীনে শুধু ঋণ পরিশোধে ব্যর্থ হওয়াই শাস্তির একমাত্র ভিত্তি নয়; আদালতের আদেশ অনুযায়ী অর্থ পরিশোধে সক্ষম হয়েও ইচ্ছাকৃত তা এড়িয়ে গেলে খেলাপিকে ‘অবিশ্বস্ত’ তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে ভ্রমণ, বিলাসী জীবনযাপন, উচ্চমূল্যের ভোগব্যয় ও কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকার ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়া যায়। আদালতের আদেশ অমান্য করা গুরুতর হলে জরিমানা, আটক এমনকি ফৌজদারি মামলায় কারাদণ্ডও হতে পারে। আর প্রতারণার মাধ্যমে ঋণ নেওয়ার ক্ষেত্রে শাস্তি আরও কঠোর— গুরুতর ঘটনায় ১০ বছরের বেশি কারাদণ্ড বা যাবজ্জীবন এবং সম্পত্তি বাজেয়াপ্তের বিধান রয়েছে। এ ছাড়া খেলাপি ঋণ পরিশোধ না করায় ভিয়েতনামে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ারও নজির আছে।
দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি কোরিয়া অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট করপোরেশন (কেএএমসিও) ব্যাংকের খেলাপি ঋণ অধিগ্রহণ করে পুনর্গঠনের মাধ্যমে খাত স্থিতিশীল করছে। আয়ারল্যান্ডের জাতীয় সম্পদ ব্যবস্থাপনা সংস্থা ন্যাশনাল অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট এজেন্সি (এনএএমএ) ২০০৮ সালের বৈশ্বিক সংকটের পর ব্যাংকগুলোর খারাপ সম্পদ কিনে পুনর্গঠন ও বিক্রি করে খাতটিকে স্থিতিশীল করতে সাহায্য করেছে। আর যুক্তরাষ্ট্রে ক্রেডিট স্কোর শূন্যের কোঠায় নেমে যায় বড় খেলাপিদের। তারা আর নতুন করে কোনো ঋণ পান না।
তবে বাংলাদেশে সংশোধিত ব্যাংক কোম্পানি আইন অনুযায়ী ইচ্ছাকৃত খেলাপিরা রাষ্ট্রীয়ভাবে কোনো সম্মাননা পাবেন না, কোনো সংগঠনের পদে থাকতে পারবেন না। পাশাপাশি নিষেধাজ্ঞা থাকবে— বিদেশ ভ্রমণ, গাড়ি-বাড়ি নিবন্ধন, ট্রেড লাইসেন্স এবং কোম্পানি নিবন্ধনে। কিন্তু অধিকাংশ ক্ষেত্রে এই বিধান এখন পর্যন্ত কার্যকর অর্থে প্রয়োগ হয়নি।
লেখক: নির্বাহী সম্পাদক, আগামীর সময়



