ছায়ানটে চলছে বর্ষবরণ অনুষ্ঠান

ছবি: ভিডিও থেকে নেওয়া
রাজধানীর রমনার বটমূল, সকাল ৬টা ১৫ মিনিট। প্রায় ২০০ শিল্পী একযোগে গেয়ে উঠলেন ‘জাগো আলোক-লগনে’ গান। এর মাধ্যমে শুরু হলো বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপনে ছায়ানটের অনুষ্ঠান। এর পরপরই সকলে গেয়ে ওঠেন ‘এ কী সুগন্ধহিল্লোল বহিল’ ও ‘তোমার হাতের রাখীখানি বাঁধো আমার দখিন-হাতে’ গান। ‘চিত্ত যেথা ভয়শূন্য, উচ্চ যেথা শির’- এই মূল ভাবনা নিয়ে হচ্ছে প্রভাতি এই অনুষ্ঠান।
প্রতিবছরের মতো এবারও এবারের অনুষ্ঠান সাজানো হয়েছে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, কাজী নজরুল ইসলাম, লালন সাঁই, দ্বিজেন্দ্রলাল রায়, অজয় ভট্টাচার্য, আবদুল লতিফ, জ্যোতিরিন্দ্র মৈত্রের গান দিয়ে। সঙ্গে রয়েছে লোকগানও। আগেই ছায়ানট জানিয়েছে এবারের গান থাকছে ২২টি। পাঠ থাকছে দুটি।
১৯৬৭ সাল থেকে রমনার এই বটমূলে হয়ে আসছে পয়লা বৈশাখে বর্ষবরণের অনুষ্ঠান। আর এর আয়োজন করে দেশের ঐতিহ্যবাহী সাংস্কৃতিক সংস্থা ছায়ানট। এবারের অনুষ্ঠান সরাসরি সম্প্রচার করছে বিটিভি। অনুষ্ঠান সরাসরি দেখা যাচ্ছে ছায়ানটের ইউটিউব চ্যানেল ও ফেসবুক পেজেও। এবারের অনুষ্ঠান চলবে প্রায় দুই ঘণ্টা।
প্রসঙ্গত, পাকিস্তান আমলে যখন বাঙালি সংস্কৃতিকে দমবন্ধ করে দেওয়ার প্রচেষ্টা চলছিল, তখন আত্মপ্রকাশ করে ছায়ানট। সংগীতচর্চাকে প্রতিরোধের ভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন সানজীদা খাতুন ও ওয়াহিদুল হকের মতো সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বরা। রবীন্দ্রসংগীত, নজরুলসংগীত ও লোকগানের চর্চার মাধ্যমে ছায়ানট গড়ে তোলে এক অসাম্প্রদায়িক সাংস্কৃতিক ধারা।
















