দেশে না বিদেশে— কোথায় থাকবেন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন?

মো. সাহাবুদ্দিন
স্বাস্থ্যগত কারণ দেখিয়ে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন আগামীকাল শুক্রবার পদত্যাগ করতে পারেন বলে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। বঙ্গভবনের অভ্যন্তরীণ প্রশাসনিক প্রস্তুতির খবরটি চাউর হওয়ার পর থেকেই আলোচনা শুরু হয়েছে, দায়িত্ব ছাড়ার পর তিনি দেশে থাকবেন নাকি পাড়ি জমাবেন বিদেশে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, দায়িত্ব হস্তান্তরের পর শারীরিক অবস্থা বিবেচনা করে চিকিৎসা নেওয়ার জন্য বিদেশ যেতে পারেন মো. সাহাবুদ্দিন।
তার স্বজনদের একজন নাম প্রকাশ না করার শর্তে আগামীর সময়কে বলেছেন, ‘দায়িত্ব ছাড়ার পর তিনি (মো. সাহাবুদ্দিন) দেশেই থাকবেন। তবে চিকিৎসার জন্য তার বিদেশ যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কিছুদিনের মধ্যেই তিনি আবার বিদেশ যেতে পারেন।’
চলতি বছরের ৯ মে স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও চিকিৎসার জন্য লন্ডনে গিয়েছিলেন মো. সাহাবুদ্দিন। প্রয়োজনীয় চিকিৎসা শেষে ১৮ মে তিনি দেশে ফেরেন। এর আগে ২০২৩ সালের অক্টোবরে সিঙ্গাপুরে তার কার্ডিয়াক বাইপাস সার্জারি সম্পন্ন হয়। এর পর থেকে নিয়মিত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হয় তাকে।
বঙ্গভবনের নির্ভরযোগ্য সূত্র বলছে, এরই মধ্যে সরকারের উচ্চপর্যায় থেকে তাকে পদত্যাগের বিষয়ে জানানো হয়েছে। তবে এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়নি। সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির পদ খালি হলে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন স্পিকার এবং পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করা হবে।
২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন মো. সাহাবুদ্দিন।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারতে চলে গেলে রাষ্ট্রপতি পদে মো. সাহাবুদ্দিনের থাকা-না থাকা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হয়। তবে সংবিধান রক্ষায় তার কাছেই শপথ নেয় ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার। পরে ২০২৬ সালের নির্বাচনে জয়ী হয়ে বিএনপিও তার কাছে শপথ নিয়ে সরকার গঠন করে।





