শাপলাকুঁড়ির চূড়ান্ত পর্বে উত্তীর্ণদের তালিকা প্রকাশ

শাপলাকুঁড়ির ১৪তম জাতীয় শিশু শিল্পী প্রতিযোগিতায় শিশুরা
বাংলাদেশ জিয়া শিশু একাডেমির জাতীয় শিশু শিল্পী প্রতিযোগিতা ‘শাপলাকুঁড়ির’ চূড়ান্ত পর্বে উত্তীর্ণদের তালিকা প্রকাশ হয়েছে। কেরাত, আবৃত্তি, অভিনয় ও যন্ত্রসংগীতে যারা নির্বাচিত হয়েছে, তাদের নিয়েই আয়োজন করা হবে চূড়ান্ত পর্ব। গতকাল বৃহস্পতিবার সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হয়েছে এ তথ্য।
‘যেখানে প্রতিভা, সেখানেই আমরা’ এই আদর্শে ১৯৯৯ সালের ৯ জুলাই তারেক রহমানের (বর্তমান প্রধানমন্ত্রী) মেয়ে জাইমা রহমানের আবৃত্তি দিয়ে যাত্রা শুরু করে শাপলাকুঁড়ি। সেই থেকে দেশের আনাচে-কানাচে ছড়িয়ে থাকা কেরাত, আবৃত্তি, অভিনয়, সংগীত, নৃত্য ও যন্ত্রসংগীতের খুদে শিল্পীদের অন্বেষণ করছে সংগঠনটি। শিশুদের সুপ্ত প্রতিভার বিকাশে নানা চড়াই-উতরাই পার করে শাপলাকুঁড়ির ১৪তম আসর আয়োজন করছে জিয়া শিশু একাডেমি। সম্প্রচার হবে চ্যানেল আইয়ে আর মিডিয়া পার্টনার হিসেবে
এবার সারা দেশ থেকে ১২টি জোনে প্রাথমিক নির্বাচনে অংশ নিয়েছিল প্রায় ৬০ হাজার খুদে শিল্পী। তাদের মধ্য থেকে সহস্রাধিক শিশু রাজধানীর আফতাবনগরে শাপলাকুঁড়ি স্টুডিওতে ২২ অক্টোবর থেকে ২ নভেম্বর দ্বিতীয় রাউন্ডের কেরাত, আবৃত্তি, অভিনয়, সংগীত, নৃত্য ও যন্ত্রসংগীতের বিভিন্ন শাখায় অংশ নিয়ে চূড়ান্ত পর্বে উত্তীর্ণ হয়।
চূড়ান্ত পর্বে নির্বাচিতদের প্রথম অংশের ফলাফল
‘ক’ বিভাগ (কেরাত): চট্টগ্রামের কাশেফাতুল হোসনা কাউকাব, ঢাকার জান্নাতুল মাওয়া রাওয়াত, ঢাকার জুনায়েদ হাসান, রাজশাহীর ফারহান আমর, রাজশাহীর সম্রাট ইসলাম সামো ও ফরিদপুরের ইমতিয়াজ উদ্দীন।
‘খ’ বিভাগ (কেরাত): চট্টগ্রামের তানজিনাতুন হোসনা তাবিয়া, ঢাকার তাসনীম ফারহান মাহীর, কুমিল্লার আবরার হোসাইন আদিল, রাজশাহীর আহনাফ হাসান বিন আশরাফ, বগুড়ার তাহমীদ সাআদাত ও ঢাকার রুকাইয়া আক্তার।
‘ক’ বিভাগ (আবৃত্তি): বরিশালের রাজীন রাসুল, ফরিদপুরের তাবিয়া নওফা, রংপুরের তাসফিয়া সুলতানা অপ্সরী, ময়মনসিংহের তাজকিয়া হোনেস ইমি, ময়মনসিংহের রাওনাফ ফাইরুজ, কুমিল্লার কারিমা হোসাইন দিয়া, ময়মনসিংহের নুসাইবা জাহান আয়াত, বরিশালের উম্মে হুমায়রা নাফিসা, খুলনার পরিনীতা বিশ্বাস ও বরিশালের উমাইযা জুহিন প্রচ্ছদ।
‘খ’ বিভাগ (আবৃত্তি): খুলনার মাহিমা জামান কথা, ময়মনসিংহের হুমায়রা কবির, রংপুরের জাবিয়া জান্নাত বৃষ্টি, বরিশালের মোহাম্মদ ইসা আল মহিন, ঢাকার সমৃদ্ধি তালুকদার, বরিশালের আইমান নিগার হেভেন, রংপুরের মেহজাবিন মৌশি, ঢাকার ফাহমিদা ফাইজা দীপ্তি, বরিশালের তাখনুন হোসেন, ঢাকার মেহেরিন মোতাহার সামিয়া, ফরিদপুরের মিফতাহুল জান্নাত ও রংপুরের সানিয়া জাহান সারা।
‘ক’ বিভাগ (অভিনয়): ঢাকার তাহসিন হক আনিসা, ফরিদপুরের সাদিক আহম্মদ নিহান, ঢাকার ওয়াসিথ হামিদ রায়িদ, রংপুরের আদওয়া আব্দুল্লা অজসী, রংপুরের যারিন তাসনিম, যশোরের আফিফা রহমান, ফরিদপুরের মেহেরিমা আলম তানিমা, ময়মনসিংহের সিদরাতুল মুন ত্বাহা, কুমিল্লার মোহাম্মদ আবরার আকতার তাজবীর, যশোরের সাবিক সাদাত, ঢাকার রোজা ইসলাম ও ময়মনসিংহের জান্নাতুল মাওয়া।
‘খ’ বিভাগ (অভিনয়): রংপুরের জাবিয়া জান্নাত সৃষ্টি, খুলনার মাহিমা জামান কথা, বগুড়ার রুফাইদা আফরা, যশোরের অন্বেষা মিত্র, রংপুরের মিশকাত জান্নাত, ঢাকার আহনাফ হাসান, বগুড়ার জিসান, রংপুরের শারীকা মুহতাদি ময়ুখ, রংপুরের সালমান আল সাজিদ, ঢাকার আরশিয়া নূর ইউশা, ঢাকার আয়শা নূর সাত্তার ও ঢাকার অলি সাহা।
‘ক’ ও ‘খ’ বিভাগ (দলীয় অভিনয়): রংপুরের তাসফিয়া সুলতানা অপ্সরী, খুলনার মাহিমা জামান কথা, রংপুরের মিশকাত জান্নাত ও খুলনার পরিনীতা বিশ্বাস।
‘ক’ বিভাগ (যন্ত্রসংগীত): রংপুরের হৃদয় কুমার সরকার অক্ষ, খুলনার হিতেশ কুণ্ডু, যশোরের উজয়ন গাইন, চট্টগ্রামের অরিন্দম পান্ডে, সিলেটের উৎসব ঘোষ, রংপুরের ঋক সরকার, সিলেটের আরাধ্যা চৌধুরী, রংপুরের দেবব্রত দাস রিক, চট্টগ্রামের গল্প আচার্য, ঢাকার সমৃদ্ধি চৌধুরী ওম, ঢাকার সম্পৃতি সারা, কুমিল্লার সীমান্ত সাহা, রংপুরের পাপন কর্মকার ও চট্টগ্রামের ওমকার দেব।



