তাজুল ইসলাম
দেশে ফেরার ঘোষণা দিচ্ছে, এই দুঃসাহস তাদের হওয়ার কথা ছিল না

মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম—ফাইল ছবি
২০২৪ সালের গণ–অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত শক্তিগুলোর আবারও দেশে ফেরার ঘোষণা ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সক্রিয়তা ‘রাষ্ট্রের ব্যর্থতার বহিঃপ্রকাশ’ বলে মন্তব্য করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সাবেক চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম।
তিনি বলেছেন, ‘গণ–অভ্যুত্থানের মাধ্যমে যাদের ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল, তারা এখন প্রকাশ্যে দেশে ফেরার তারিখ ঘোষণা করছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তাদের সমর্থকদের সক্রিয়তা বেড়েছে। আজকে তারা তারিখ দিয়ে বলে ফেরত আসবে। এই দুঃসাহস তাদের হওয়ার কথা ছিল না। এটি সামগ্রিকভাবে রাষ্ট্রের ব্যর্থতা।’
জুলাই গণ–অভ্যুত্থানের স্মৃতি, সংগ্রাম ও আত্মত্যাগ নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে অডিও–ভিজ্যুয়াল প্রকাশনা অনুষ্ঠানে এ কথা বলেছেন তাজুল ইসলাম। আজ শনিবার বিকেলে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন।
অভ্যুত্থানের পর প্রথম দেড় বছরে এমন পরিস্থিতি দেখা না গেলেও গত কয়েক মাসে পলাতক গোষ্ঠীগুলোর আত্মবিশ্বাস বেড়েছে বলে মনে করেন সাবেক চিফ প্রসিকিউটর। তার ভাষ্য, গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বিচার নিশ্চিত না হলে আরও বাড়তে পারে এই প্রবণতা।
বিচারপ্রক্রিয়ার গুরুত্ব তুলে ধরে তাজুল ইসলাম বললেন, গণ–অভ্যুত্থানকে কেন্দ্র করে সংঘটিত অপরাধের বিচার কেবল দায়ীদের শাস্তির জন্য নয়, রাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ স্থিতিশীলতার জন্যও জরুরি। এই বিচার সম্পন্ন করতে না পারলে সমাজে ক্ষোভ ও অস্থিরতা জমতে থাকবে। ভবিষ্যতে রাষ্ট্র সংকটে পড়লে মানুষ এগিয়ে আসার অনুপ্রেরণাও হারাতে পারে।’





