বিমানবন্দরে প্রবাসীদের হয়রানি বন্ধ চায় সংসদীয় কমিটি
- ২৮৬০টি রিক্রুটিং এজেন্সির ২১৮৭টি সচল
- সাড়ে সাত মাসে পাঠানো হয়েছে সাড়ে ৪ লাখ কর্মী
- রেমিট্যান্স প্রবাহ ছিল ২৪.৭৫ বিলিয়ন ডলার

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় কমিটি। ছবি: সংগৃহীত
প্রবাসীকর্মীরা বিমানবন্দরে পৌঁছার পর তারা যেন কোনো রকম অবহেলা বা হয়রানির শিকার না হয়, সে ব্যাপারে সংশ্লিষ্টদের কঠোর নজরদারি চায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি। একই সঙ্গে মন্ত্রণালয়ের সার্বিক কার্যক্রমে কোনো অনিয়ম, দুর্নীতি ও ব্যত্যয় যেন না ঘটে, সেজন্য মন্ত্রণালয়ের সব কর্মকর্তাকে সতর্কতার সঙ্গে কাজ করতে সুপারিশ করেছে কমিটি।
আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত কমিটির প্রথম বৈঠকে এই সুপারিশ করা হয়েছে বলে সংসদ সচিবালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। কমিটির সভাপতি ফজলুল হক মিলন এতে সভাপতিত্ব করেন।
বৈঠকে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের কর্মপরিধি ও বাজেট বরাদ্দ পর্যালোচনা করা হয়। বৈঠকে উল্লেখ করা হয়, ২০২৬ সালে (১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত) বিশ্বের বিভিন্ন দেশে মোট ৪ লাখ ৩২ হাজার ৭৮৬ জন কর্মী পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে নারী ৩৬ হাজার ৫৯০ জন। একই সময়ে রেমিট্যান্স প্রবাহ ছিল ২৪.৭৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। আগের তুলনায় প্রায় ২.৮০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বেড়েছে।
বৈঠকে উল্লেখ করা হয়, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতিতে ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের অর্থায়নে ইরান থেকে ১২ নারী ও ৮ শিশুসহ মোট ১৮৬ জনকে দেশে ফেরত আনা হয়েছে।
এ ছাড়াও, সরকার অনুমোদিত বেসরকারি রিক্রুটিং এজেন্ট এবং বোয়েসেলের (বাংলাদেশ ওভারসিজ এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেড) মাধ্যমে বিদেশে কর্মী পাঠানো হয়ে থাকে। বর্তমানে রিক্রুটিং এজেন্সির মোট সংখ্যা ২৮৬০টি। এর মধ্যে সচল রয়েছে ২১৮৭টি।
বৈঠকে কমিটির সদস্য হিসেবে মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর, গোলাম মোহাম্মদ সিরাজ, মো. জসীম উদ্দিন, রফিকুল ইসলাম হিলালী, নাসির উদ্দিন আহমেদ, মো. আনোয়ারুল ইসলাম এবং আবুল কাওছার মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম অংশগ্রহণ করেন। এ ছাড়া প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান সচিব, মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বিভিন্ন দপ্তর প্রধান এবং সংসদ সচিবালের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।



