সাহাবুদ্দিনসহ ২০ জনের নামে তদন্ত প্রতিবেদন ২০ জানুয়ারি

সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন
ব্রিলিয়ান্ট বিজনেস কোম্পানি লিমিটেডের নামে ২৫১ কোটি টাকার শেয়ার অধিগ্রহণের মামলায় সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনসহ ২০ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন পিছিয়েছে। আগামী ২০ জানুয়ারি প্রতিবেদন দাখিলের নতুন দিন ধার্য করেছেন আদালত।
গতকাল মঙ্গলবার এ দিন ধার্য করেছেন ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক শাহজাহান কবির।
মামলার অন্য আসামিরা হলেন— ব্রিলিয়ান্ট বিজনেস কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবদুল ওয়াহেদ, চেয়ারম্যান মিরফাত আরা বেগম, এস আলম গ্রুপ ও এস আলম সেন্টারের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাইফুল আলম ওরফে এস আলম, ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির পরিচালক মো. জয়নাল আবেদিন, আরাস্ত খান, অধ্যাপক মো. নাজমুল হাসান, আবু সাইদ মোহাম্মদ কাশেম, সাইফুল ইসলাম, মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন, সৈয়দ আবু আসাদ, মো. কামরুল হোসেন, আহসান আলম, অধ্যাপক ডা. মো. সেলিম উদ্দিন, শওকত হোসেন, খুরশিদ-উল-আলম, অধ্যাপক ডা. কাজী শহীদুল আলম, মেজর জেনারেল (অব.) ইঞ্জিনিয়ার আবদুল মতিন, জামাল মোস্তফা চৌধুরী এবং অধ্যাপক ডা. মো. সিরাজুল করিম।
মামলায় সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনকে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির পরিচালক ‘মো. শাহাবুদ্দিন’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এজাহারে তাকে ১২ নম্বর আসামি করা হয়। সেখানে দাবি করা হয়, এস আলম ও ব্রিলিয়ান্ট বিজনেস কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবদুল ওয়াহেদের সঙ্গে যোগসাজশে পরিচালক নির্বাচিত হন তিনি।
ইসলামী ব্যাংকের প্রধান শাখার সিনিয়র কর্মকর্তা মো. আবদুচ ছামাদ বাদী হয়ে ২০২৫ সালের ৪ সেপ্টেম্বর ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতে মামলার আবেদন করেন। বাদীর জবানবন্দি রেকর্ড করে দুর্নীতি দমন কমিশনকে (দুদক) মামলাটি তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন তৎকালীন বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজ। এজাহারে বলা হয়েছে, জেএমসি বিল্ডার্স লিমিটেডের মনোনীত প্রতিনিধি হিসেবে ২০১৭ সালে ইসলামী ব্যাংকের পরিচালক হন মো. সাহাবুদ্দিন। পরে ব্যাংকটির ভাইস চেয়ারম্যানও হন তিনি। পরে দুদকের সাবেক কমিশনার ছিলেন এবং ব্যাংকের অডিট কমিটির সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। ২০২৩ সালে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার পর নিয়মানুযায়ী ব্যাংকের পদ ছাড়েন তিনি।
মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, আসামিদের পরিচালিত ব্রিলিয়ান্ট বিজনেস কোম্পানি লিমিটেড ইসলামী ব্যাংকের ৭ কোটি ৭৫ লাখ ৩৬ হাজার ৩৯৩টি শেয়ার অধিগ্রহণ করে। এসব শেয়ার ব্যাংকটির মোট শেয়ারের ৪ দশমিক ৮১৬০ শতাংশ। শেয়ারগুলোর মোট মূল্য ছিল ২৫১ কোটি টাকা।



