কিন্তু

গ্রাফিকস: আগামীর সময়
দিল্লিতে বাংলাদেশ ও ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবি ও বিএসএফের মহাপরিচালক পর্যায়ের সম্মেলন শুরু হয়েছে গতকাল সোমবার। সীমান্ত হত্যা, চোরাচালান, অবৈধ অনুপ্রবেশ এবং সামগ্রিক সীমান্ত ব্যবস্থাপনা নিয়ে দুই দেশের শীর্ষ পর্যায়ে আলোচনা চলছে। কিন্তু সে আলোচনার মধ্যেই সীমান্তে বিতর্কিত ‘পুশইন’ কার্যক্রম অব্যাহত থাকায় নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে— আলোচনার টেবিল আর সীমান্তের বাস্তবতার মধ্যে ব্যবধান কতটা?
সম্মেলন শুরুর দিনই খবর এসেছে, নওগাঁর পোরশা সীমান্ত দিয়ে কয়েকজনকে বাংলাদেশে ঠেলে পাঠানোর চেষ্টা করেছে বিএসএফ। তবে বিজিবি ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সতর্ক অবস্থানের কারণে সে চেষ্টা সফল হয়নি। শুধু তা-ই নয়, কুড়িগ্রামের রৌমারী সীমান্ত এলাকায়ও একই ধরনের ঘটনার খবর পাওয়া গেছে। অর্থাৎ দিল্লিতে যখন দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তারা বৈঠকে বসেছেন, তখন সীমান্তে পুশইনের অভিযোগও সমানতালে সামনে আসছে।
বিজিবির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এবারের বৈঠকে সীমান্ত হত্যা ও পুশইনই থাকবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এজেন্ডার মধ্যে। বিজিবি সদর দপ্তরের উপমহাপরিচালক (মিডিয়া) কর্নেল আবুল হাসনাত মোহাম্মদ মাহমুদ আজম গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট তথ্য-প্রমাণ তুলে ধরে বিএসএফের কাছে কড়া প্রতিবাদ জানানো হবে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক আইন ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগগুলোও আলোচনায় উত্থাপন করবে বাংলাদেশ।




