মনে হয়

গ্রাফিকস: আগামীর সময়
আগামী ২৪ বছরের মধ্যে মানুষ হয়তো অমর হবে না। তবে দুর্ঘটনায় তার অঙ্গ ক্ষতবিক্ষত হলে মনে হয় কষ্ট এবং শোকে বিদায় জানাতে হবে না সেই অঙ্গপ্রত্যঙ্গকে। ২০৫০ সালে হাত-পা হারানোর মতো ঘটনা কোনো স্থায়ী ক্ষতি হবে না, বরং হবে সাময়িক অসুবিধা। কেননা ভবিষ্যতে চিকিৎসাবিজ্ঞান এমন পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে, যেখানে হারানো অঙ্গ আবার গজিয়ে তোলা সম্ভব হবে! সায়েন্স ফিকশন গল্পের মতো হলেও, যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাস্ট্রোফিজিসিস্ট এবং লেখক নিল ডিগ্রাস টাইসনের ২০৫০ সালের ভবিষ্যৎচিত্রে এমনই এক অবিশ্বাস্য সম্ভাবনার কথা উঠে এসেছে। মানব শরীরের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ নতুন করে জন্মানোর পাশাপাশি ২০২২ সালে দ্য জো রোগান এক্সপেরিয়েন্স পডকাস্টে একাধিক বিস্ময়কর ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন তিনি।
এটি নিয়ে একই বছরে একটি বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশ করে যুক্তরাজ্যের অনলাইন মিডিয়া পোর্টাল ইউনিল্যাড।
টাইসনের দেখা ভবিষ্যতে আছে উড়ন্ত গাড়ি এবং প্রযুক্তির উন্নতি। তবে পডকাস্টের আলোচনায় ক্রমেই তার নানা পূর্বাভাস হয়ে ওঠে বেশ মজার এবং বিস্ময়ে ভরা। টাইসনের ধারণায় ২০৫০ সালে বড় রকমের অগ্রগতি আসবে ক্যানসারের চিকিৎসায়। সঙ্গে ২৪ বছর পর ব্যক্তির ডিএনএ অনুযায়ী তৈরি ওষুধ এবং ভাইরাস মোকাবিলায় আসতে পারে আরও কার্যকর চিকিৎসা। এমনকি নিউরোসায়েন্সের অগ্রগতিতে মানসিক স্বাস্থ্য চিকিৎসার প্রচলিত ধারণাও যেতে পারে বদলে। পডকাস্টের একপর্যায়ে টাইসন বলেছেন, ‘স্নায়ুবিজ্ঞান এবং মানবমন সম্পর্কে আমাদের বোঝাপড়া এতই উন্নত হয়ে উঠবে যে, মানসিক রোগের নিরাময় সম্ভব হবে, যার ফলে মনোবিজ্ঞানী ও মনোরোগ চিকিৎসকরা কর্মহীন হয়ে পড়বেন।’ তবে টাইসনের ২০৫০ সালের পূর্বাভাস এখানেই থেমে যায় না। তিনি মনে করেন, আগামী কয়েক দশকের মধ্যেই আবিষ্কৃত হবে ক্যানসারের নিরাময়। সেই সঙ্গে মানুষের হারিয়ে যাওয়া অঙ্গপ্রত্যঙ্গ আবার গজিয়ে তোলার সক্ষমতাও অর্জিত হবে। টাইসন বলেছেন, ‘আমরা শিখব, কীভাবে হারিয়ে যাওয়া অঙ্গপ্রত্যঙ্গ এবং অকার্যকর হয়ে পড়া অভ্যন্তরীণ অঙ্গ আবার গড়ে তোলা যায়।’



