দেখা যাক

ঘাড়ের ওপর থাকা নিজের মাথার মস্তিষ্কও নাকি প্যান্টের পকেটে নিয়ে ঘুরবে মানুষ! লম্বা তুর্কি সিরিজের মতো মন চাইলেই ‘ডাউনলোড’ করে ফেলবে মগজের যেকোনো পার্ট! ২০৫০ সালের মধ্যেই নাকি মানুষের শোবার ঘরে ঢুকে যাবে এ প্রযুক্তি। ২১ বছর আগেই মানবজাতির এ ভবিষ্যৎ বাতলে দিয়েছিলেন ব্রিটিশ ভবিষ্যৎবিদ ইয়ান পিয়ারসন। ২০২৫ সালে এ নিয়ে এক প্রতিবেদনও প্রকাশ করেছে সিএনএন। দিন দিন কোথায় যাচ্ছে দুনিয়া!
তবে সে সময়ও রাজার হালেই থাকবে পৃথিবীর ধনী-দরিদ্রের বৈষম্য। মানুষের কল্পসীমা ভেঙে ফেলা এই ‘সুপার কম্পিউটার’ শুধু থাকবে ধনীর খোঁয়াড়েই। সাধারণের হাতে আসতে আসতে ২০৮০ সাল। সেই দৃশ্যও পিয়ারসন তুলে ধরেছেন তার আগাম বাণীতে।
আসন্ন এ ভবিষ্যৎ দেখার আগে একটু পেছন ঘুরে দেখলে কেমন হয়! যা হয়তো কালের স্রোতে হারিয়ে যাবে আগামী কয়েক দশকেই! ১০-১৫ বছর আগের কথা। এখনকার মতো পকেটে ছিল না পৃথিবী। চাইলেই পছন্দের সিনেমা নিয়ে বসা যেত না যখন-তখন। ইন্টারনেট মানেই ছিল এক বিরাট ব্যাপার। ওয়াই-ফাইয়ের নামও শোনেনি কেউ। মডেম দিয়ে আনতে হতো সংযোগ। টরেন্ট— সে সময়ের বিখ্যাত ওয়েবসাইট। সিনেমা ডাউনলোডের জনপ্রিয় মাধ্যম। রাতে ইন্টারনেট সংযোগ



