কম সৌর প্যানেলেই বেশি বিদ্যুৎ

সৌর প্যানেল
একই পরিমাণ সূর্যের আলো থেকে যদি আগের চেয়ে বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যায়, তাহলে কমসংখ্যক সোলার প্যানেলেই মিলবে বেশি বিদ্যুৎ। সহজ ভাষায় বলতে গেলে, একটি সৌরকোষের কার্যসক্ষমতা যত বেশি হবে, একই পরিমাণ সূর্যের আলো থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে তত বেশি। অর্থাৎ, একই ছাদে কম জায়গায় বা একই সংখ্যক প্যানেল ব্যবহার করেই বিদ্যুৎ পাওয়া যাবে আরও বেশি। সম্প্রতি প্রযুক্তিবিষয়ক সংবাদমাধ্যম এনগ্যাজেট জানিয়েছে, বিদ্যুৎ উৎপাদনের এই সম্ভাবনা সামনে এনেছে চীনের এক সৌরপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ‘লনজি’। প্রতিষ্ঠানটির দাবি, তারা এমন একটি নতুন সৌরকোষ তৈরি করেছে, যা সূর্যের আলোকে রূপান্তর করতে পারে ৩৫ দশমিক ৫ শতাংশ কার্যসক্ষমতার বিদ্যুতে— যা বাণিজ্যিক ব্যবহারের উপযোগী প্রযুক্তির ক্ষেত্রে নতুন বিশ্বরেকর্ড।
লনজির দাবি, তাদের উদ্ভাবিত নতুন প্রজন্মের সৌরকোষ সূর্যের আলো থেকে আগের তুলনায় উল্লেখযোগ্য পরিমাণ বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে সক্ষম। ইউরোপের স্বাধীন পরীক্ষাগার ইউরোপিয়ান সোলার টেস্ট ইনস্টলেশন (ইএসটিআই) লনজির এ দাবির সত্যতা নিশ্চিত করেছে।
বর্তমানে বাজারে প্রচলিত বেশিরভাগ বাণিজ্যিক সৌর প্যানেলের কার্যসক্ষমতা শুধু ২৫ শতাংশের কাছাকাছি। সে তুলনায় ৩৫ দশমিক ৫ শতাংশ কার্যসক্ষমতা একটি বড় অগ্রগতি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
লনজির উদ্ভাবিত এই নতুন প্রজন্মের পেছনে রয়েছে ‘ক্রিস্টালাইন সিলিকন-পেরোভস্কাইট ট্যান্ডেম’ প্রযুক্তি। গবেষকদের মতে, সৌরবিদ্যুতের ভবিষ্যৎ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে এ প্রযুক্তি। এ ধরনের সৌরকোষের কার্যসক্ষমতা পৌঁছাতে পারে ৪৩ শতাংশ পর্যন্ত।




