তবে

বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে জোরদার সরকার। এরই পরিপ্রেক্ষিতে সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে বিভিন্ন এলাকায় চলমান ও অনুষ্ঠিতব্য মেলা, বাণিজ্য মেলা এবং সাংস্কৃতিক প্রোগ্রাম শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে এই নির্দেশনার আওতায় জেনারেটর ব্যবহার করে এবং মিলনায়তনের ভেতরে কোনো সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান করা যাবে কি না, সেই প্রশ্ন সবার। তা ছাড়া দেশের বিভিন্ন সিনেমা হলে সন্ধ্যা ৭টার পর চলচ্চিত্র প্রদর্শন করা যাবে কি না, তাও স্পষ্ট নয় নির্দেশনায়। এ নিয়ে বিভ্রান্ত অনেকে। এ অবস্থায় সুধী সমাজের প্রশ্ন, সন্ধ্যা ৭টার পর নাটক, গান, সিনেমাসহ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান কি তবে বন্ধ থাকবে?
নাট্যকর্মীসহ সচেতন মহলের জিজ্ঞাসা, প্রতি সন্ধ্যায় শিল্পকলা একাডেমি, মহিলা সমিতিসহ ঢাকার কয়েকটি মিলনায়তনে নাটকের প্রদর্শনী হয়। এগুলো তো মিলনায়তনে মঞ্চস্থ হয়। এখন সরকারের নির্দেশনায় স্পষ্ট করা উচিত, আউটডোর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, নাকি ইনডোর অনুষ্ঠান করা যাবে না। তা ছাড়া কেউ যদি জেনারেটর ব্যবহার করে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে, তবে তা করা যাবে কি না, বিজ্ঞপ্তিতে সেটিও বোঝা যায় না।
অনেক ঐতিহ্যবাহী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আছে, যেগুলো বহু বছর ধরে সন্ধ্যার পরই আয়োজিত হয়। সরকারের উচিত মেলা বা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং চলচ্চিত্র প্রদর্শনের ক্ষেত্রে নির্দেশনাটি পর্যালোচনা করা। এ ছাড়া ঈদে মুক্তি পাওয়া সিনেমাগুলোর প্রদর্শনের ক্ষেত্রে কী হবে, সেটাও স্পষ্ট করা জরুরি।
এর আগে সোমবার বিদ্যুৎ বিভাগ থেকে এ নির্দেশনা জারি করে দেশের সব সিটি করপোরেশনের মেয়র ও প্রশাসক, বিভাগীয় কমিশনার এবং জেলা প্রশাসকদের কাছে পাঠানো হয়। এতে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা মোতাবেক বিভিন্ন শপিং মল, মার্কেট ও দোকানগুলো সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত খোলা রাখা, সব বিলবোর্ডের বাতি আবশ্যিকভাবে সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে বন্ধ করা এবং দেশের বিভিন্ন প্রান্তে চলমান ও অনুষ্ঠেয় মেলা, বাণিজ্য মেলা এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে শেষ করতে হবে। পরে ঈদুল আজহা উপলক্ষে সাময়িকভাবে রাত ১০টা পর্যন্ত শপিং মল, মার্কেট ও দোকান খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।




