সম্ভবত

গ্রাফিকস: আগামীর সময়
প্রযুক্তিতে ইন্টারনেটের যাত্রা শুরু হয় তথ্য দিয়ে মানুষকে সংযুক্ত করার লক্ষ্যে। সাধারণত প্রতিটি ব্যক্তি স্মার্টফোন বা কম্পিউটারে ইন্টারনেট ব্যবহার করে তথ্য জানতে, বুঝতে বা বাছাই করতে। অনেকে আবার শুধু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম স্ক্রল করতেও সক্রিয় রাখে নিজের ডিভাইসের ইন্টারনেট। তবে এমন একটা সময় আসবে, যখন এটি শুধু তথ্য নয়, মানুষের পুরো জীবনকেই সংযুক্ত করার দায়িত্ব নেবে। আর সেটি হবে ২০৫০ সালেই। ভবিষ্যতের ইন্টারনেট দুনিয়া নিয়ে এমন পূর্বাভাসই দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েবসাইট ‘হাউ স্টাফ ওয়ার্ক্স’।
ভবিষ্যতের টেক, গ্যাজেট এবং ইন্টারনেট জগৎ আজকের থেকে হবে অনেক ভিন্ন। জ্ঞানপিপাসু ব্যক্তিদের মাথায় প্রশ্ন জন্মানোর আগেই, তা সবজান্তা ইন্টারনেট মহাশয়কে জানানোর আগেই তার চোখের সামনে এসে হাজির হবে উত্তর! ইন্টারনেট তখন শুধু মানুষকে তথ্য প্রদানেই ক্ষান্ত হবে না; জানাবে তার মনের সব কথাও। বর্তমান পৃথিবীর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ হলো ইন্টারনেট। এক মিনিটের জন্য সংযোগ বিচ্ছিন্ন হলেই হুলুস্থূল পরিবেশ। সাময়িক বিভ্রাটেই হাজার প্রশ্নের পাহাড়। কেন গেল, লাইনে সমস্যা, নাকি যন্ত্রে, কখন আসবে— আরও কত জিজ্ঞাসা গ্রাহকদের! চব্বিশ বছর পর নাকি একেবারেই থাকবে না এসব। দ্রুতগতির ইন্টারনেট হবে অধিকাংশ ডিভাইসের মূলমন্ত্র। আর সেক্ষেত্রে তারবিহীন নেটওয়ার্কই কাজ করবে প্রাথমিক সংযোগ-বিন্দু হিসেবে। ওয়েবসাইটের দাবি, ভবিষ্যতের ইন্টারনেটের মেরুদণ্ড হিসেবে কাজ করা যন্ত্রগুলো এমন সব উচ্চগতির ভৌত সংযোগের ওপর নির্ভর করবে, যা অত্যন্ত দ্রুতগতিতে ডেটা আদান-প্রদানে সক্ষম।




