হয়তো

সকালে ঘুম থেকে ওঠার পরও শরীর ক্লান্ত। পাশে থাকা ফোনে একের পর এক আসছে নোটিফিকেশন। জীবনটা যেন আটকে আছে শুধু দৌড়ের মধ্যে। একসময় সুস্থতার অর্থ ছিল শুধুই শারীরিক। তবে ধীরে ধীরে সময়ের সঙ্গে সেই পুরনো সংজ্ঞা হয়ে যাচ্ছে ভেঙে চুরমার। ভবিষ্যতে অপেক্ষা করছে এক নতুন বাস্তবতা। যুক্তরাষ্ট্রের ভবিষ্যৎবিদ লিন্ডসে অ্যাঞ্জেলোর পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০৩৪ সালে নতুন রূপ নেবে স্বাস্থ্য খাত। প্রযুক্তি, মানসিক সুস্থতা এবং শরীরের যত্ন তখন হবে একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ। ভবিষ্যতের চিকিৎসা জগৎ নিয়ে ২০২৪ সালে নিজের ওয়েবসাইটে নানান ধারণা দিয়েছেন অ্যাঞ্জেলো।
তার মতে, ভবিষ্যতে চিকিৎসা হবে সুস্থতা ও প্রযুক্তির মিশ্রণ। ২০৩৪ সালে অসুস্থ হওয়ার পর চিকিৎসা নিতে হবে, এ ধারণা আর থাকবে না। বরং আগে থেকেই সুস্থ থাকা হবে প্রতিটি মানুষের মূল লক্ষ্য। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এবং মানসিক স্থিতিশীলতা দৈনন্দিন জীবনের কেন্দ্রবিন্দু হবে বলে আশা অ্যাঞ্জেলোর। তার ধারণা, ভবিষ্যতে সামগ্রিক সুস্থতা হবে একধরনের শিল্প। ‘ওয়েলনেস ইন্ডাস্ট্রি’ নামে এ শিল্পে বিনিয়োগ হবে প্রায় ১.৮ ট্রিলিয়ন ডলার। সে সময় প্রতিটি ব্যক্তি নিজের শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা নিয়ে হবে আরও অনেক বেশি সচেতন। অত্যাধুনিক প্রযুক্তি, উন্নত পরিধানযোগ্য ডিভাইস এবং ফিটনেস অ্যাপের ব্যবহার সাহায্য করবে স্বাস্থ্যের অবস্থা বুঝতে। তার মতে, ২০৩৪ সাল নাগাদ, বাড়িতে ব্যবহারের উপযোগী টেস্টিং কিটগুলো পরিণত হবে দৈনন্দিন স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনার অবিচ্ছেদ্য অংশ। সবাই তখন ভিটামিনের ঘাটতি, সর্দি-জ্বর বা ফ্লু-এর লক্ষণ এবং কোলেস্টেরলের মাত্রা যাচাইয়ের জন্য নিয়মিতভাবে ব্যবহার করবেন এই কিটগুলো। কেননা, বাড়িতে পরীক্ষা করার সুবিধা, দ্রুত ফলাফল পাওয়ার সক্ষমতা এবং ঘনঘন পরীক্ষা করার সুযোগকে তারা দেবেন অধিক গুরুত্ব।



