Agamir Somoy E-Paper
শুক্রবার, ২৬ জুন, ২০২৬
আগামীর সময়
গাছ থেকে পেরেক তোলেন ওয়াহিদ
শুক্রবার, ২৬ জুন, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় কাজললেখা

নতুন বইয়ের দোকান ঘুরে

নজরুল সৈয়দ
agamir somoy
প্রকাশ: ২৬ জুন ২০২৬, ০৫:২৭
নতুন বইয়ের দোকান ঘুরে

বিমানবন্দরের কাছে যাত্রা শুরু করেছে নতুন বইয়ের দোকান কিনোকুনিয়া। যাত্রা শুরুর শুভক্ষণে অন্যদের সঙ্গে ছিলেন কবি ও কথাসাহিত্যিক মাসরুর আরেফিনও

একদিকে যেমন ‘আজকালকার পোলাপান বই পড়ে না’ কিংবা ‘বই এখন আর কেউ কেনে টেনে না’— ধরনের হতাশা বাড়ছে, অন্যদিকে তখন সারা বিশ্বের মতো বাংলাদেশেও বই নিয়ে শুরু হয়েছে ট্রেন্ডি সব কাজ কারবার- টিকটকে হচ্ছে বুকটক, ফেসবুক আর ইনস্টাগ্রামে হচ্ছে বুকস্টাগ্রাম, বুকম্যাক্সিং আর বুককেশন প্রবণতা জনপ্রিয় হচ্ছে। সে সময় বাংলাদেশে দোকান খুলল পৃথিবীর শীর্ষ চেইন বুকস্টোর ব্র্যান্ড ‘কিনোকুনিয়া’। যথারীতি চালু হওয়ার আগে থেকেই এ নিয়ে পাঠক মহলে বেশ শোরগোল, তর্ক পক্ষে বিপক্ষেও।

আজ থেকে প্রায় ১০০ বছর আগে ১৯২৭ সালের ২২ জানুয়ারি জাপানের রাজধানী টোকিওর শিনজুকু এলাকায় মোয়িচি তানাবে নামে এক ব্যক্তি চালু করেছিলেন একটি ছোট বইয়ের দোকান ‘কিনোকুনিয়া’। একেবারেই পারিবারিক একটি ব্যাবসা ছিল। যার মূল উদ্দেশ্য ছিল উচ্চমানের সাহিত্য আর জ্ঞানচর্চার বই পাঠকের হাতে তুলে দেওয়া। জাপানের কিনোকুনি অঞ্চলের নামানুসারে রাখা হয় দোকানের নাম। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় বোমা হামলায় দোকান ধ্বংস হয়ে যায়, যুদ্ধের পরে আবার চালু হয় কিনোকুনিয়া। আর তখন থেকে ধীরে ধীরে গোটা জাপানের অন্যতম প্রধান সাংস্কৃতিক কেন্দ্র হয়ে উঠতে থাকে এটা।

১৯৬৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের সান ফ্রান্সিকোতে শাখা খোলে কিনোকুনিয়া। সময়ের ধারাবাহিকতায় নিউইয়র্ক, লস অ্যাঞ্জেলস, সিয়াটলসহ অন্যান্য শহরেও পত্তন হয় কিনোকুনিয়ার। আশি আর নব্বই দশকে কিনোকুনিয়া নজর দেয় এশিয়া-ওশেনিয়া অঞ্চলে। সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড, ইন্দোনেশিয়া, অস্ট্রেলিয়া, তাইওয়ান, সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ বিভিন্ন দেশে এর শাখা তৈরি এবং জনপ্রিয় হয়। বিশেষ করে সিঙ্গাপুরে তাদের যে ফ্ল্যাগশিপ, সেটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অন্যতম বৃহৎ বইয়ের দোকান হিসেবে পরিচিত। যার মধ্যে আছে প্রায় পাঁচ লাখ বইয়ের বিপুল সমারোহ। শুধু বই বিক্রি না, কিনোকুনিয়া যেখানে যেখানে গেছে, সেখানকার সাহিত্য-সংস্কৃতি, লেখক-পাঠক-প্রকাশক আর পাঠচর্চার কেন্দ্র হিসেবেই ঠাঁই করে নিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের বার্নস অ্যান্ড নোবেল, যুক্তরাজ্যের ওয়াটারস্টোন প্রভৃতির পাশাপাশি ‘কিনোকুনিয়া’ এখন বিশ্বের সবচেয়ে বৃহত্তর চেইন বুকস্টোর ব্র্যান্ড।

বিশ্বের সবচেয়ে বেশি ভাষাভাষীর অন্যতম হলেও বাংলা সাহিত্য বা বাংলা বইয়ের বাজার বিস্তৃত হয়নি, নিতান্তর চেয়েও বেশি ছোট। বাংলাদেশের বইয়ের বাজার মূলত একটি ভাষাভিত্তিক বাজার, যার মূল চালিকাশক্তি বাংলা ভাষা। তার মধ্যেও ভারতীয় বাংলা সাহিত্য এবং ভারতীয় বাংলা প্রকাশনার আধিপত্য প্রবল। বাংলাদেশের নিজস্ব প্রকাশনা আর নিজস্ব সাহিত্য অনেকটাই মাসব্যাপী একুশে বইমেলাকেন্দ্রিক। চব্বিশের বইমেলায় প্রায় ৬০ কোটি টাকার বই বিক্রি হয়েছিল।

কিন্তু ‘বারো মাসে এগারো হতাশা’র মতো সারা বছর এ দেশে বইয়ের বিক্রিবাট্টা কম। সারা দেশে আগে বইয়ের দোকান ছিল, এখন তা সীমিত। কয়েকটি অভিজাত দেশি চেইন বুকস্টোর ব্র্যান্ডের বাইরে সারা দেশে সাহিত্যের বিকিকিনি সামান্যই। পাড়া-মহল্লার খুচরা বইয়ের দোকানগুলোয় এখন পাঠ্যপুস্তক, নোট গাইড, স্টেশনারির বাইরে খুব সামান্যই হালনাগাদ সাহিত্য থাকে।

কিন্তু এর বিপরীতে নগরকেন্দ্রিক শহরগুলোয় গড়ে উঠেছে বেশকিছু অভিজাত বইয়ের দোকান। আর বইয়ের বিক্রি বেড়েছে অনলাইনে। গড়ে উঠেছে সমৃদ্ধ কিছু অনলাইন বুকশপ। এ ছাড়া প্রকাশকরাও সরাসরি অনলাইনে বই বিক্রি করছেন।

আর ট্রেন্ডি দুনিয়ায় বই ইদানীং হুজুগেও হয়ে উঠছে। বাংলাদেশেই বুকস্টাগ্রাম করে লাখ খানেক ফলোয়ার তৈরি করেছে কেউ কেউ, বুক ইনফ্লুয়েন্সার বা বুকটকার হওয়াটা এখন জনপ্রিয় হচ্ছে তরুণদের মধ্যে। সেপিওসেক্সুয়ালিটি, বুকম্যাক্সিং আর বুককেশন দিনদিন জনপ্রিয় টার্মে পরিণত হচ্ছে তরুণদের মধ্যে।

‘ডিজিটাল দুনিয়ায় বইয়ের পাঠক কমে যাবে’— এই আশঙ্কার মুখে ছাই দিয়ে বার্নস অ্যান্ড নোবেল বা ওয়াটারস্টোন নতুন নতুন আউটলেট চালু করছে। তারই ধারাবাহিকতায় অবশেষে কিনোকুনিয়া এলো বাংলাদেশে।

ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনাল চালু হচ্ছে শিগগির, একে কেন্দ্র করে খুব কাছাকাছি অঞ্চলে গড়ে উঠছে এবং উঠেছে বেশ কয়েকটি তারকা মানের হোটেল। বাংলাদেশের শীর্ষ বাণিজ্য প্রতিষ্ঠান ‘ইউনাইটেড গ্রুপ’ এরই মধ্যে এয়ারপোর্ট আর পার্শ্ববর্তী উত্তরা কিংবা অদূরবর্তী পূর্বাচলকে কেন্দ্র করে গড়ে তুলেছে ‘সেন্টার পয়েন্ট’। সেখানে ইউনিমার্ট নামের অভিজাত বাজারের পাশাপাশি আছে সিনেপ্লেক্স। ভূমি আর্ট গ্যালারিতে এক্সিবিশন উদ্বোধন করে গেলেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত! ভূমির পাশেই বইয়ের দোকান ‘কিনোকুনিয়া’।

যথারীতি শুরুর আগে থেকেই এর পক্ষে বিপক্ষে নানা তর্ক। কিনোকুনিয়ার আগমন বাংলা সাহিত্য বা বইয়ের বাজারে কতটুকু প্রভাব ফেলবে বা আদৌ প্রভাব ফেলবে কি না? এটা কি বড়লোকের ছানাপোনাদের সেলফি তুলে ভাব দেখানো জায়গা হয়ে রবে নাকি পাঠক তৈরিতে ভূমিকা রাখবে? ইত্যাদি নানা প্রশ্ন আর তর্কে সোশ্যাল মিডিয়া সয়লাব। ঢাকার কিনোকুনিয়া সিঙ্গাপুর বা অন্যগুলোর মতো অত বড় না, প্রাথমিকভাবে বইয়ের সংগ্রহও খুব বেশি না। ইউনাইটেড গ্রুপ নিজেদের তত্ত্বাবধানেই কিনোকুনিয়াকে নিয়ে এসেছে ঢাকায়। প্রথম দুদিন খুব ভিড় ছিল। আগে থেকে রেজিস্ট্রেশন করে লাইন দিয়ে মানুষ বইয়ের দোকান দেখতে গিয়েছে। তৃতীয় দিন থেকে ভিড় কমতে শুরু করেছে।

কিনোকুনিয়ায় প্রায় সবই বিদেশি ভাষার বই, মাত্র দুটি বুকশেলফে কিছু ‘লোকাল বুকস’ অর্থাৎ বাংলা বই রাখা আছে, যার সবই ভারতীয় প্রকাশনীর। জিজ্ঞেস করলে কর্তৃপক্ষ জানাল বাংলাদেশি প্রকাশনীর বই তারা রাখবে অবশ্যই, আগ্রহ আছে। কিন্তু এই দীর্ঘ প্রস্তুতিকালীন আগ্রহ থাকা সত্ত্বেও বাংলাদেশি কোনো প্রকাশনা সংস্থার একটি বইও তারা কিনোকুনিয়ায় রাখতে পারল না কেন, সে প্রশ্নের জবাব পাওয়া যায়নি। এমনকি এর ফলে যে লোকাল পাঠকের কাছে একটি নেগেটিভ বার্তা গেল, তা নিয়েও কর্তৃপক্ষ সম্ভবত চিন্তিত না।

অনেক উচ্ছ্বাস, প্রশংসা আর উৎফুল্ল কনটেন্টের পাশাপাশি সাধারণ পাঠকের অভিযোগ— কিনোকুনিয়ায় বইয়ের দাম অত্যধিক বেশি। বিদেশি বই প্রকৃত দাম দিয়ে কিনে পড়ার মতো পাঠক বাংলাদেশে স্রেফ হাতে গোনা। বেশিরভাগই পিডিএফ, প্রিমিয়াম প্রিন্ট ইত্যাদির ওপর নির্ভরশীল। তার মধ্যেও বইয়ের দোকানগুলোয় সাধারণত অন্তত ২০ পার্সেন্ট কমিশনে বই কিনে অভ্যস্ত বাংলাদেশের পাঠকরা। কিন্তু কিনোকুনিয়ায় সেই সুবিধা নেই, অরজিনাল বই অরজিনাল দামেই কিনতে হবে, নো পার্সেন্টেজ। ফলে সাধারণ পাঠকের কাছে তা বেশি ঠেকবে, সেটাই স্বাভাবিক।

তাহলে প্রশ্ন হলো, কিনোকুনিয়ার ভোক্তা আসলে কারা হবে? খুব স্বাভাবিক আর স্পষ্টই বোঝা যায় একেবারে আমপাঠকের জন্য কিনোকুনিয়া স্বস্তির না। এয়ারপোর্ট, পাঁচ তারকা হোটেল, ক্লাব আর আধুনিক শহুরে উচ্চ-মধ্যবিত্তদের চিত্ত বিনোদনের একটা নর্দার্ন হাব হিসেবে গড়ে তোলা হচ্ছে যে সেন্টার পয়েন্টকে, সেখানে অভিজাত বাজার, সিনেমা হল, আর্ট গ্যালারির পাশে কিনোকুনিয়া অবশ্যই সম্ভ্রান্ত স্পেস আর ব্র্যান্ড হয়ে রইবে। কিনোকুনিয়া নিজে লাভজনক হতে পারবে কি না, সেই সন্দেহ থাকলেও অন্যান্য পার্শ্ববর্তী বাণিজ্যের সাবসিডি হিসেবে এর কাটতি ভালো নিঃসন্দেহে।

তবে ‘লোকাল’ বলতে প্রকৃত লোকাল, অর্থাৎ বাংলাদেশি লেখক প্রকাশককে অন্তত একেবারেই দূরে ঠেলে দিয়ে যে বইয়ের দোকান শুরু হলো ঢাকায়, তাকে কিছুটা অন্তত লোকাল বা গ্লোকাল হতে হলে বাংলাদেশের বাংলা সাহিত্যেই ফিরতে হবে। পাশেই ভূমি গ্যালারির সমক্ষে সদ্য প্রয়াত শিল্পী তরুণ ঘোষের ছবি প্রবেশদ্বারে রেখে সম্মান প্রদর্শন করা হচ্ছে, তাতে যেমন ভূমির ‘অভিজাতত্বে’ কোনো অসুবিধে হচ্ছে না, বরঞ্চ গ্রহণযোগ্যতা বাড়ছে। তেমনি কিনোকুনিয়াও অধিক গ্রহণযোগ্য হয়ে উঠতে পারে বাংলাদেশি সাহিত্য আর প্রকাশনার সান্নিধ্যে।

ফ্যাশন বা স্টাইল বা ট্রেন্ড হিসেবেও মানুষ বইয়ের সান্নিধ্যে যাক, বইবিমুখতা থেকে মুক্তি পাক। কিনোকুনিয়ার জন্য শুভকামনা।

নতুনবইয়ের দোকান
    শেয়ার করুন:
    advertisement
    advertisement
    ২৬ জুন ২০২৬
    সকাল ৮:০০ টা
    তুরস্ক
    ০
    যুক্তরাষ্ট্র
    ০
    ২৬ জুন ২০২৬
    সকাল ৮:০০ টা
    প্যারাগুয়ে
    ০
    অস্ট্রেলিয়া
    ০
    ২৭ জুন ২০২৬
    রাত ১:০০ টা
    নরওয়ে
    ০
    ফ্রান্স
    ০
    ২৭ জুন ২০২৬
    রাত ১:০০ টা
    সেনেগাল
    ০
    ইরাক
    ০
    ২৭ জুন ২০২৬
    সকাল ৬:০০ টা
    কেপ ভার্দে
    ০
    সৌদি আরব
    ০
    ২৭ জুন ২০২৬
    সকাল ৬:০০ টা
    উরুগুয়ে
    ০
    স্পেন
    ০
    ভারতীয় ট্যুরিস্ট ভিসার আবেদন শুরু রবিবার, জেনে নিন নতুন নিয়ম

    ভারতীয় ট্যুরিস্ট ভিসার আবেদন শুরু রবিবার, জেনে নিন নতুন নিয়ম

    ২৬ জুন ২০২৬, ০০:০২

    ‘মানবিকতা কোথায়? মৃত্যুপথযাত্রীর সব নিয়ে গেল’

    ‘মানবিকতা কোথায়? মৃত্যুপথযাত্রীর সব নিয়ে গেল’

    ২৬ জুন ২০২৬, ০০:২৩

    বিশ্বকাপে ভারতের কাছে সহজ হার বাংলাদেশের

    বিশ্বকাপে ভারতের কাছে সহজ হার বাংলাদেশের

    ২৬ জুন ২০২৬, ০০:২৫

    প্রধানমন্ত্রীর সফরে কি সংকট কাটবে

    প্রধানমন্ত্রীর সফরে কি সংকট কাটবে

    ২৬ জুন ২০২৬, ০০:১৩

    গান ও স্মৃতিচারণে প্রকাশক মহিউদ্দিন আহমেদকে স্মরণ

    গান ও স্মৃতিচারণে প্রকাশক মহিউদ্দিন আহমেদকে স্মরণ

    ২৬ জুন ২০২৬, ০০:২২

    চীনে কাঁঠাল রপ্তানি করবে বাংলাদেশ

    চীনে কাঁঠাল রপ্তানি করবে বাংলাদেশ

    ২৬ জুন ২০২৬, ০১:০৬

    হরমুজ প্রণালিতে সিঙ্গাপুরের জাহাজে ইরানের হামলা

    হরমুজ প্রণালিতে সিঙ্গাপুরের জাহাজে ইরানের হামলা

    ২৬ জুন ২০২৬, ০২:০৮

    কুমিল্লায় মাদক নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের সঙ্গে মনিরুল হক চৌধুরীর জরুরি বৈঠক

    কুমিল্লায় মাদক নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের সঙ্গে মনিরুল হক চৌধুরীর জরুরি বৈঠক

    ২৬ জুন ২০২৬, ০১:৫৬

    হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ সরানো স্থগিত করল জাতিসংঘ

    হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ সরানো স্থগিত করল জাতিসংঘ

    ২৬ জুন ২০২৬, ০১:২৮

    আর্টসেল থেকে বিরতি নিয়েছেন লিংকন

    আর্টসেল থেকে বিরতি নিয়েছেন লিংকন

    ২৬ জুন ২০২৬, ০১:৪৯

    হরমুজে বছরে ৪০ বিলিয়ন ডলারের টার্গেট ইরানের

    হরমুজে বছরে ৪০ বিলিয়ন ডলারের টার্গেট ইরানের

    ২৬ জুন ২০২৬, ০২:৪৯

    গেস্টরুম-গণরুম সংস্কৃতি নিয়ে স্মৃতিচারণ প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের সম্মাননা

    গেস্টরুম-গণরুম সংস্কৃতি নিয়ে স্মৃতিচারণ প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের সম্মাননা

    ২৬ জুন ২০২৬, ০১:৪২

    এআই কেবল গতি বাড়াবে, বিশ্বাসযোগ্যতা আসবে মাঠের সাংবাদিকতা থেকে

    এআই কেবল গতি বাড়াবে, বিশ্বাসযোগ্যতা আসবে মাঠের সাংবাদিকতা থেকে

    ২৬ জুন ২০২৬, ০৩:০৬

    মালবাহী ট্রেনের ইঞ্জিনে ১৬ কেজি গাঁজা, লোকোমাস্টার আটক

    মালবাহী ট্রেনের ইঞ্জিনে ১৬ কেজি গাঁজা, লোকোমাস্টার আটক

    ২৬ জুন ২০২৬, ০৫:৩২

    মৌখিক পরীক্ষা দিতে এসে আটক প্রক্সি কাণ্ডের ৪ পরীক্ষার্থী

    মৌখিক পরীক্ষা দিতে এসে আটক প্রক্সি কাণ্ডের ৪ পরীক্ষার্থী

    ২৬ জুন ২০২৬, ০৩:৪৯

    advertiseadvertise