Agamir Somoy E-Paper
শুক্রবার, ২৬ জুন, ২০২৬
আগামীর সময়
গাছ থেকে পেরেক তোলেন ওয়াহিদ
শুক্রবার, ২৬ জুন, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় কাজললেখা

যে জীবন মনে পড়ে না

নূর সিদ্দিকী
agamir somoy
প্রকাশ: ২৬ জুন ২০২৬, ০৫:২৯
যে জীবন মনে পড়ে না

গ্রাফিকস: আগামীর সময়

বৃষ্টি থামার আগের শহর আর বৃষ্টি থামার পরের শহর— দুটো যেন আলাদা পৃথিবী। খানিক আগেই ঝুম বৃষ্টি হয়ে গেছে। এখন শুধু ফোঁটায় ফোঁটায় ঝিরঝিরে পড়ে চলছে। ফুটপাতে মানুষে ঠাসাঠাসি। কেউ ছাতা গুটিয়ে হাঁটছে, কেউ দোকানের কার্নিশের নিচে গা এলিয়ে দাঁড়িয়ে। প্লাস্টিকের শেডে বৃষ্টির পানি টুপটাপ পড়ে আর সেই শব্দ শহরের কোলাহলের ভেতরেও আলাদা করে শোনা যায়। টিনের চালে বৃষ্টির পড়ার শব্দ যারা শুনেছেন তাদের কাছে এ শব্দ খানিকটা বিরক্তিকরই।

এই বৃষ্টিতে ভিজে, বিরক্ত, ব্যস্ত পৃথিবীর মাঝখানে বসে আছেন গুলেজান বেগম। মাথায় মলিন ওড়না, হাতে একটি পুরনো টিনের বাটি। বৃষ্টির পানিতে ভিজে গেছে ওড়নার প্রান্ত, কিন্তু চোখেমুখে কোনো ভাবান্তর নেই। যেন এ ভেজা, ঠান্ডা, দমবন্ধ করা শহরের সঙ্গে তার কোনো সম্পর্কই নেই। অথবা সবই মেনে নিয়েছেন তিনি। চেহারা দেখে তার বয়স বোঝা কঠিন। ৬০ পার করেছেন— এটা বোঝা যায় তার হাতের চামড়ার ভাঁজে, চোখের কোণের গভীর রেখায়। কিন্তু তার চেয়ে বেশি বোঝা যায় তার দৃষ্টিতে— যেন জীবনের অনেকটাই হেঁটে পেরিয়ে এসেছেন, এখন আর তাড়াহুড়া নেই।

আজ তার টিনের বাটিতে খুব একটা কিছু পড়েনি। কয়েকটা ভেজা দশ টাকার নোট, কিছু খুচরো পয়সা। অথচ শহরের রাস্তায় হাঁটুসমান পানি, গাড়ি বন্ধ, মানুষ বিরক্ত— এমন দিনে সাধারণত ভিক্ষা একটু কমে। আজকের দশা আরও খারাপ। বাটিটা যে প্রায় শূন্য তা নিয়েও গুলেজান বেগমের কোনো আক্ষেপ নেই। এই শহরে বা এই পৃথিবীতে তার উপস্থিতির মতোই সব অবহেলা যোগ্য।

গুলেজান তাকানও না কারও দিকে। কেউ টাকা দিলেও তিনি চোখ তুলে ঠিকমতো দেখেন না। যেন এই টাকা, এই মানুষ— সবকিছুই তার কাছে অচেনা। অচেনা মানুষের দিকে তাকিয়েইবা কী লাভ। চেনা চোখের তাপ বহুদিন পান না তিনি।

‘আমি যদি সব মনে রাখি... আমি বাঁচব কীভাবে?’ সব ভুলে গিয়ে তো বেঁচে ছিলাম। আবার সব মনের মধ্যে ভিড় করলে বাঁচব কীভাবে?

নিজের স্বজন বলতে যা বোঝায় তেমন কেউ আছে কি না, তাও ঠিক মনে নেই তার। গুলেজান থাকেন গুপ্তিপাড়া বস্তিতে। একটা টিনের চাল, পলিথিন টাঙানো দেয়াল, মাটির ওপর সিমেন্টের ফাটল ধরা মেঝে। সেই ঘরেই তার রাত কাটে। দিনও কাটে নগণ্য জীবনের সবটুকু নিয়ে।

কিন্তু নিজের ‘বাড়ি’ বলতে যে জায়গা, তার কোনো ঠিকানা গুলেজানের মাথায় ঠিকমতো নেই। মাঝে মাঝে মনে হয়— তার একটা বাড়ি ছিল, নদীর ধারে। বড় একটা আমগাছ ছিল উঠোনে। আবার কখনো মনে হয়—সবটাই কল্পনা। হয়তো তার কোনো বাড়িই ছিল না কোনোদিন।

তার কি বিয়ে হয়েছিল? কখনো কখনো মনে হয়, হ্যাঁ— একজন মানুষ ছিল, লম্বা, শীর্ণ, হাসলে চোখ চিকচিক করত। আবার কখনো মনে হয়— না, এসব গল্প হয়তো অন্য কারও।

এসব প্রশ্ন কেউ গুলেজানকে জিজ্ঞেস করে না। আর সে নিজেও এখন আর খুব একটা মনে করার চেষ্টা করে না। বারবার একা একা ভাবতে ভাবতে তার স্মৃতিগুলো যেন ফিকে হয়ে গেছে, রঙ হারানো পুরনো ছবির মতো।

কিন্তু আজ কী যেন হয়েছে।

বৃষ্টির দমকটা যখন একটু থামল, শহরের শব্দগুলো ফের ফিরে এলো— হর্ন, চিৎকার, দোকানে দরদাম। সে ফাঁকেই গুলেজানের বুকের ভেতর হঠাৎ একটা অদ্ভুত ঢেউ উঠল।

তিনি হালকা করে কেঁপে উঠলেন।

‘আমগাছটা...,” তিনি যেন খুব আস্তে নিজেকেই নিজে বললেন। ‘ওই আমগাছটা তো ছিল...”

‘খালা, বসে আছেন অনেকক্ষণ?’ জিজ্ঞাসাটি মায়াময়। কিন্তু তাতে গুলেজানের খুব ভাবান্তর হলো না।

গুলেজান তাকালেন, কিন্তু উত্তর দিলেন না।

ছেলেটা নিচু হয়ে বাটিতে একটা পঞ্চাশ টাকার নোট রাখল। তারপর একটু ইতস্তত করে জানতে চাইল,

‘আপনার নাম কী?’ প্রশ্নটি গুলেজান নিজেকেই করলেন আবার— আমার নাম কী? উত্তর পেতে কয়েক সেকেন্ড সময় নিতে হলো। মনে পড়লে তার। গুলেজান এবার ধীরে বললেন, ‘গুলেজান... গুলেজান বেগম।’ কেন, আমার নাম দিয়া আপনে কী করবেন? ছেলেটা একটু চমকে উঠল।

‘গুলেজান বেগম?’ সে যেন নামটা কোথাও শুনেছে।

‘আপনি কি আগে...,’ ছেলেটি থেমে গেল, ‘না, থাক।’

গুলেজানও আবার চুপ। ছেলেটা কিছুক্ষণ তাকিয়ে থাকল গুলেজানের মুখের দিকে। তারপর ক্যামেরাটা হাতে তুলে নিল।

‘খালা, একটা ছবি তুলতে পারি?’

গুলেজান না বললেন না, হ্যাঁও না। ক্যামেরায় ক্লিকের শব্দ হলো কয়েকটি। এরপর ভিউ ফাইন্ডারে চোখ রাখল ছেলেটি।

ছেলেটার নাম ওয়াসিফ। সে একটি অনলাইন পোর্টালের সাংবাদিক। শহরের বৃষ্টি-পরিস্থিতি, জলজট আর মানুষের দুর্ভোগ নিয়ে ফটোস্টোরি করতে হবে তাকে। কিন্তু গুলেজানের ছবি তোলার পর তার মাথায় ঘুরতে লাগল সেই নাম— ‘গুলেজান বেগম’। দুদিন আগে সে আর্কাইভে একটি পুরনো রিপোর্ট পড়েছিল। প্রায় ত্রিশ বছর আগের একটা রিপোর্ট। নদীভাঙনে হারিয়ে যাওয়া এক নারী— গুলেজান বেগম। সেই রিপোর্টে লেখা ছিল— তিনি ছিলেন এক গ্রামীণ বিদ্যালয়ের শিক্ষক। ওয়াসিফের বুক ধড়ফড় করতে লাগল।

সে আবার জিজ্ঞেস করল, ‘খালা, আপনি কোনোদিন স্কুলে পড়াতেন?’ গুলেজান প্রথমে কিছু বুঝতে পারলেন না। তারপর হঠাৎ তার চোখে একঝলক আলো এলো।

‘স্কুল?’ তিনি ফিসফিস করে বললেন। তারপর যেন দূর কোথাও তাকালেন। ‘হ্যাঁ... বাচ্চারা ছিল... তারা কবিতা বলত...।’ তার কণ্ঠ কেঁপে উঠল। স্মৃতির দরজা এবার একটু একটু করে খুলতে লাগল। নদীর পাড়ে একটা ছোট্ট স্কুলঘর। মাটির মেঝে, টিনের ছাদ। বাচ্চাদের কোলাহল। আর একজন মানুষ— তার স্বামী।

‘ওর নাম ছিল...,’ গুলেজান চেষ্টা করলেন মনে করতে, ‘সালাম... না... শফিক?’ তার কপাল কুঁচকে গেল। হঠাৎ তার মুখ শক্ত হয়ে গেল। ‘পানি... পানি আসতেছিল...,’ সে হাঁপাতে হাঁপাতে বললেন, ‘রাতের ভেতর সব নিয়ে গেল...’

নদী।

      ভাঙন।

               চিৎকার।

                          আর তারপর— শূন্যতা।

ওয়াসিফ বুঝতে পারল— এ নারী শুধু একজন ভিক্ষুক নন, তিনি হারিয়ে যাওয়া ইতিহাসের একটা জীবন্ত অংশ।

ওয়াসিফ প্রতিবেদনটি করল। ৩০ বছরের পুরনো গল্পটির কাটিংসহ প্রতিবেদনটি প্রকাশিত হলো। কদিন ধরেই গুলেজানের শরীরটা ভালো নেই। ফুটপাতে বাটি হাতে দাঁড়ানোর সাধ্য নেই।

২.

একদিন বস্তিতে একটি গাড়ি এসে থামে। সেখান থেকে নেমে আসেন একজন মধ্যবয়সী মানুষ। চোখে পানি, হাতে একটা পুরনো ছবি। তিনি গুলেজানের সামনে এসে দাঁড়ান।

‘আপনি...,’ তিনি কাঁপা কাঁপা গলায় বললেন, ‘আপনি কি আমার মা?’ গুলেজান তাকিয়ে থাকেন। লোকটা ছবিটা বাড়িয়ে দেন— একজন তরুণী নারী, পাশে ছোট্ট একটা ছেলে।

গুলেজানের হাত কেঁপে ওঠে। ছবির দিকে তাকিয়ে তার বুকের ভেতর যেন কিছু ভেঙে পড়ল। ‘রাশেদ...?’ তিনি খুব আস্তে বলে উঠলেন। মায়ের মুখে নিজের নামটি শুনে রাশেদের কান্নার দমক বেড়ে যায়। মেঘের গর্জনের মতো একটি শব্দ তিনি বারবার বলতে থাকেন— ‘মা!’ গুলেজান ছেলের মুখে হাত রাখেন, হাত কাঁপে যতটা তারও বেশি কেঁপে ওঠে মন। কিন্তু তার চোখে ভয়। ‘তুই... কোথায় ছিলি এতদিন?’

রাশেদ বললেন— ভাঙনের রাতে তিনি অন্যদের সহায়তায় জীবন বাঁচিয়েছিলেন। কিন্তু বহু চেষ্টাও আর মাকে খুঁজে পাননি তিনি। গ্রামের পর ছেড়ে শহর-নগর কোথায় খোঁজেননি তিনি! গুলেজান শুনতে শুনতে চুপ হয়ে গেলেন। তার চোখে পানি নেই, শুধু এক গভীর শূন্যতা। ‘তুই বড় হইছিস... ভালো আছিস বাবা’— তিনি বললেন। রাশেদ বললেন, ‘চলো মা, তোমাকে নিয়ে যাই।’ গুলেজান মাথা নাড়লেন, ‘না।’ ‘এই শহর... এই রাস্তা...,’ তিনি বললেন, ‘এখানেই তো আমি সব ভুলে গেছিলাম। আবার মনে পড়তেছে... সহ্য হয় না।’ তার গলায় কাঁপন। ‘আমি যদি সব মনে রাখি... আমি বাঁচব কীভাবে?’ সব ভুলে গিয়ে তো বেঁচে ছিলাম। আবার সব মনের মধ্যে ভিড় করলে বাঁচব কীভাবে? আমার সব স্মৃতি আমাকে মেরে ফেলবে।

গুলেজান আকাশের দিকে তাকান। তার বুক থেকে এক দীর্ঘ, গভীর হাহাকার বেরিয়ে আসে— যেন হারিয়ে যাওয়া নদীর শব্দ, ভাঙা ঘরের ক্রন্দন আর বছরের পর বছর জমে থাকা না কাঁদা কান্না একসাথে আকাশ ছুঁতে চায়। রাশেদ নামের মানুষটি হাওয়ায় মিলিয়ে যান। যেমন তিনি হাওয়া থেকেই এসেছিলেন। ভুলে যাওয়া জীবন এবং সেই জীবনের স্বজনরা তো এমনই! আপনার কী মনে হয়?

    শেয়ার করুন:
    advertisement
    advertisement
    ২৬ জুন ২০২৬
    সকাল ৮:০০ টা
    তুরস্ক
    ০
    যুক্তরাষ্ট্র
    ০
    ২৬ জুন ২০২৬
    সকাল ৮:০০ টা
    প্যারাগুয়ে
    ০
    অস্ট্রেলিয়া
    ০
    ২৭ জুন ২০২৬
    রাত ১:০০ টা
    নরওয়ে
    ০
    ফ্রান্স
    ০
    ২৭ জুন ২০২৬
    রাত ১:০০ টা
    সেনেগাল
    ০
    ইরাক
    ০
    ২৭ জুন ২০২৬
    সকাল ৬:০০ টা
    কেপ ভার্দে
    ০
    সৌদি আরব
    ০
    ২৭ জুন ২০২৬
    সকাল ৬:০০ টা
    উরুগুয়ে
    ০
    স্পেন
    ০
    ভারতীয় ট্যুরিস্ট ভিসার আবেদন শুরু রবিবার, জেনে নিন নতুন নিয়ম

    ভারতীয় ট্যুরিস্ট ভিসার আবেদন শুরু রবিবার, জেনে নিন নতুন নিয়ম

    ২৬ জুন ২০২৬, ০০:০২

    ‘মানবিকতা কোথায়? মৃত্যুপথযাত্রীর সব নিয়ে গেল’

    ‘মানবিকতা কোথায়? মৃত্যুপথযাত্রীর সব নিয়ে গেল’

    ২৬ জুন ২০২৬, ০০:২৩

    বিশ্বকাপে ভারতের কাছে সহজ হার বাংলাদেশের

    বিশ্বকাপে ভারতের কাছে সহজ হার বাংলাদেশের

    ২৬ জুন ২০২৬, ০০:২৫

    প্রধানমন্ত্রীর সফরে কি সংকট কাটবে

    প্রধানমন্ত্রীর সফরে কি সংকট কাটবে

    ২৬ জুন ২০২৬, ০০:১৩

    গান ও স্মৃতিচারণে প্রকাশক মহিউদ্দিন আহমেদকে স্মরণ

    গান ও স্মৃতিচারণে প্রকাশক মহিউদ্দিন আহমেদকে স্মরণ

    ২৬ জুন ২০২৬, ০০:২২

    চীনে কাঁঠাল রপ্তানি করবে বাংলাদেশ

    চীনে কাঁঠাল রপ্তানি করবে বাংলাদেশ

    ২৬ জুন ২০২৬, ০১:০৬

    হরমুজ প্রণালিতে সিঙ্গাপুরের জাহাজে ইরানের হামলা

    হরমুজ প্রণালিতে সিঙ্গাপুরের জাহাজে ইরানের হামলা

    ২৬ জুন ২০২৬, ০২:০৮

    কুমিল্লায় মাদক নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের সঙ্গে মনিরুল হক চৌধুরীর জরুরি বৈঠক

    কুমিল্লায় মাদক নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের সঙ্গে মনিরুল হক চৌধুরীর জরুরি বৈঠক

    ২৬ জুন ২০২৬, ০১:৫৬

    হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ সরানো স্থগিত করল জাতিসংঘ

    হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ সরানো স্থগিত করল জাতিসংঘ

    ২৬ জুন ২০২৬, ০১:২৮

    আর্টসেল থেকে বিরতি নিয়েছেন লিংকন

    আর্টসেল থেকে বিরতি নিয়েছেন লিংকন

    ২৬ জুন ২০২৬, ০১:৪৯

    হরমুজে বছরে ৪০ বিলিয়ন ডলারের টার্গেট ইরানের

    হরমুজে বছরে ৪০ বিলিয়ন ডলারের টার্গেট ইরানের

    ২৬ জুন ২০২৬, ০২:৪৯

    গেস্টরুম-গণরুম সংস্কৃতি নিয়ে স্মৃতিচারণ প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের সম্মাননা

    গেস্টরুম-গণরুম সংস্কৃতি নিয়ে স্মৃতিচারণ প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের সম্মাননা

    ২৬ জুন ২০২৬, ০১:৪২

    এআই কেবল গতি বাড়াবে, বিশ্বাসযোগ্যতা আসবে মাঠের সাংবাদিকতা থেকে

    এআই কেবল গতি বাড়াবে, বিশ্বাসযোগ্যতা আসবে মাঠের সাংবাদিকতা থেকে

    ২৬ জুন ২০২৬, ০৩:০৬

    মালবাহী ট্রেনের ইঞ্জিনে ১৬ কেজি গাঁজা, লোকোমাস্টার আটক

    মালবাহী ট্রেনের ইঞ্জিনে ১৬ কেজি গাঁজা, লোকোমাস্টার আটক

    ২৬ জুন ২০২৬, ০৫:৩২

    মৌখিক পরীক্ষা দিতে এসে আটক প্রক্সি কাণ্ডের ৪ পরীক্ষার্থী

    মৌখিক পরীক্ষা দিতে এসে আটক প্রক্সি কাণ্ডের ৪ পরীক্ষার্থী

    ২৬ জুন ২০২৬, ০৩:৪৯

    advertiseadvertise