Agamir Somoy E-Paper
মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
১৩ হাজার গাছ লাগিয়েছেন রিকশাচালক রেজাউল
মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় সাহিত্য

স্মরণে শরদিন্দু

ব্যোমকেশকে যিনি বুড়ো হতে দেননি

শিমুল সালাহ্‌উদ্দিন
শিমুল সালাহ্‌উদ্দিন
agamir somoy
প্রকাশ: ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:১৬
ব্যোমকেশকে যিনি বুড়ো হতে দেননি

শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায় (৩০ মার্চ ১৮৯৯–২২ সেপ্টেম্বর ১৯৭০)

বাংলা সাহিত্যে গোয়েন্দা গল্পের আকাশে ব্যোমকেশ বক্সী আর ফেলুদা দুই উজ্জ্বল নক্ষত্র। একজন ১৯৩২ সালে ‘সত্যান্বেষী’ গল্পে আত্মপ্রকাশ করেন, অন্যজন ১৯৬৫ সালে ‘সন্দেশ’-এর পাতায় ‘ফেলুদার গোয়েন্দাগিরি’ দিয়ে পথ চলা শুরু করেন। শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়ের ব্যোমকেশ অনেক বেশি মনস্তাত্ত্বিক, সমাজমুখী, প্রাপ্তবয়স্ক পাঠকের নৈতিক ও দার্শনিক জিজ্ঞাসার উত্তরখোঁজা এক সত্যান্বেষী বা গোয়েন্দা। অন্যদিকে সত্যজিৎ রায়ের ফেলুদা যুক্তিবাদী, অ্যাডভেঞ্চারপ্রিয়, কিশোর কল্পনার এক উজ্জ্বল প্রতীক। মজার বিষয় হলো, ফেলুদার স্রষ্টা সত্যজিৎ নিজেই ১৯৬৭ সালে ‘চিড়িয়াখানা’ ছবিটি নির্মাণ করেছিলেন, যেখানে ব্যোমকেশের ভূমিকায় অভিনয় করেছিলেন মহানায়ক উত্তম কুমার। অর্থাৎ, এই দুই গোয়েন্দা পরস্পরের প্রতিদ্বন্দ্বী নন, বরং বাংলা গোয়েন্দা সাহিত্যের দুই স্তম্ভ। কিন্তু আজ এই দুই স্তম্ভের মধ্যে আমরা শুধু একজনের কথা বলব—যিনি বাংলা গোয়েন্দা সাহিত্যকে প্রথমবারের মতো সুসাহিত্যের পর্যায়ে উন্নীত করার চ্যালেঞ্জ নিয়েছিলেন, চলে গিয়েছিলেন আজকের এই দিনে, তিনি শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়।

১৮৯৯ সালে জন্ম শরদিন্দুর। বাবা তারাভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় ছিলেন মুঙ্গেরের এক ডাকসাইটে উকিল। বরাবরই চেয়েছেন, ছেলে আইনজীবী হোন। বাড়িতে আলমারি ঠাঁসা বই, নামকরা সাহিত্যপত্রিকা— সব আসে। ফলে কম বয়স থেকেই সাহিত্যের সঙ্গে পরিচয় শরদিন্দুর। প্রথম দিকে ইংরেজি বই-ই বেশি পড়তেন। চলতি বাংলা নভেল কম বয়সে পড়ানোর পক্ষপাতী ছিলেন না তাঁর অভিভাবকেরা। লুকিয়ে চুরিয়ে যেটুকু পড়েছিলেন, ভাল লাগেনি। প্রথম মুগ্ধতা এল রমেশচন্দ্র দত্ত পড়ে, তার পর পনেরো বছর বয়সে বঙ্কিম একেবারে মন জুড়ে বসলেন। এক বছর আগেই স্কুলে বাংলার শিক্ষক বলেছেন, “কবিতা লেখার চেষ্টা কর তো দেখি। যার লেখা ভাল হবে, প্রাইজ পাবি!” সেই থেকে লেখার অভ্যেসও পেয়ে বসল। ম্যাট্রিক দেওয়ার পরে ছুটিতে মামার বাড়ি গেলেন, এলাহাবাদে। সেখানে ঝোঁক গেল গল্প লেখার দিকে। নিত্যনতুন প্লটও আসতে থাকল, কিন্তু কোনওটাই শেষ করা হয় না। তবু কেমন করে যেন একটা উপন্যাস লেখা হয়ে গেল। বেশ কয়েকবার চেষ্টা করেও ছাপানো যায়নি সেটা। ড্রয়ারেই পড়ে ছিল শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা প্রথম উপন্যাস ‘দাদার কীর্তি’।

শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়১৯১৫ সালে বিদ্যাসাগর কলেজে ভর্তি হলেন শরদিন্দু। কলকাতা-বাসের প্রথম পাঁচ বছর ওয়াইএমসিএ-র হোস্টেল, তার পরে মেস। অর্থাৎ সিমলা স্ট্রিট, বাদুড়বাগান ঘুরে হ্যারিসন রোড। হোস্টেল থেকেই অজিত সেনের সঙ্গে বন্ধুত্ব। কলেজজীবনে শরদিন্দুর সাহিত্যচর্চার প্রধান দোসর এই অজিতকুমার সেন। শরদিন্দুর ১৯১৮-১৯২০র ডায়েরি পড়লে বোঝা যায়, কীভাবে সদ্য যুবকের মনটি নানা দিকে ডানা মেলছে। একদিকে সাহিত্যচর্চা, অন্যদিকে বাড়িতে বিয়ের তোড়জোড়। পাত্রী বাবারই ঠিক করা, মুঙ্গেরে তাঁর সহকর্মী আইনজীবীর কন্যা পারুল।

প্রথম বিশ্বযুদ্ধ তখনও শেষ হয়নি। ১৯১৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে শরদিন্দু সামরিক প্রশিক্ষণ শিবিরে ভর্তি হয়ে গেলেন। কিন্তু অভিজ্ঞতাটা ভাল নয়। তিনি লিখছেন, “এ জীবনের হীনতা এতই অতলস্পর্শ, এর শাসনবিধান এতই প্রভুতান্ত্রিক যে personal qualities এখানে একেবারেই নিষ্পেষিত হয়ে যায়।” ক্যাম্প থেকে ফেরার কিছু দিন পরে আষাঢ় মাসে বিয়ে হল। নবপরিণয়ের রোম্যান্সটুকু বুকে নিয়ে ক'দিন পরে অজিত আর অতুল মিত্রের উৎসাহেই কবিতার বই ছাপালেন, ‘যৌবনস্মৃতি’ (১৯১৯)। জীবন সুখেই কাটছিল। শুধু কেবলই মনে হচ্ছিল, রুজিরোজগারে সাফল্যের জন্য যে পাটোয়ারি বুদ্ধি থাকা দরকার, সে তাঁর নেই। ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে কথা উঠলেই শরদিন্দু কিছুটা গুটিয়ে যেতেন।

পিতার আগ্রহেই আইন পড়া ধরলেন। কিন্তু বেশি দিন লেগে থাকতে পারলেন না। বছর দুয়েকের মধ্যে অসহযোগ আন্দোলন শুরু হয়ে গেল। শরদিন্দু বিলিতি সিগারেট ছাড়লেন, আন্দোলনে সামান্য জড়িয়েও পড়লেন। তার পরেই পড়াশোনায় ইস্তফা দিয়ে মুঙ্গেরে ফিরে গেলেন। বরদার গল্পে যে বাণীমন্দির ক্লাবের কথা আছে, ওই ক্লাবের জন্যই শুরু করলেন বঙ্কিম আর রমেশচন্দ্র দত্তর উপন্যাসকে নাট্যরূপ দেওয়ার কাজ। কিন্তু বাবা যে ছেলের রকমসকম দেখে খুবই কষ্ট পাচ্ছেন, সেটা চাপা থাকল না। শেষ অবধি শরদিন্দুকে ফের আইন পড়তে যেতে হল। পাটনা থেকে পাশ করে বাবার জুনিয়র হিসেবে যোগ দিলেন।

ওকালতি জীবনেই বসুমতীতে ছাপা হল প্রথম গল্প ‘উড়ো মেঘ’। শরদিন্দুর কাছে এইবার যেন স্পষ্ট হতে থাকল তাঁর কক্ষপথ। একে একে ‘প্রবাসী’, ‘ভারতবর্ষ’ও তাঁর লেখা নিতে থাকল। ১৯২৯ সালে শরদিন্দু ওকালতি থেকে হাত তুলে নিলেন অর্থাৎ ছাড়লেন। বাবাও ততদিনে বুঝেছেন, এ পথ শরদিন্দুর নয়। তা হলে? শরদিন্দু ঠিক করে নিলেন, সাহিত্যই তাঁর সাধনা। তাতে হয়তো জাঁকালো রোজগার হবে না। কিন্তু বাবার যে রকম পসার, তাতে খুব দুশ্চিন্তা না করলেও চলবে।

দ্বিতীয় বই বেরোল ১৪ বছরের ব্যবধানে। গল্পগ্রন্থ ‘জাতিস্মর’ (১৯৩৩)। সাহিত্যিক হিসেবে শরদিন্দু এতদিনে তাঁর জাত চেনাতে শুরু করলেন। লেখার টেকনিক সম্বন্ধে নিজের জন্য নির্দিষ্ট নিয়মাবলি তৈরি করলেন, যার মূল কথাই হল পরিমিতি। তিনি লিখছেন, “স্টাইল দেখাইবার চেষ্টা করিবে না। মনের ভাবটিকে শ্রেষ্ঠ অভিব্যক্তি দিবার চেষ্টা করিবে, তাহা হইলেই স্টাইল আসিয়া পড়িবে। অকারণে একটি শব্দও ব্যবহার করিবে না... digression অতিশয় বিপজ্জনক। মাঝে মাঝে প্রয়োজন হইলেও যত দূর সম্ভব সংক্ষেপে সারিবে। প্রকৃতির বর্ণনা কোথাও দশ পংক্তির বেশী করিবে না...” শরদিন্দু এ সময়ে কিছু দিন মুঙ্গেরে, কিছু দিন কলকাতায় মেসে থাকেন। সম্পাদকদের সঙ্গে দেখা করে নতুন লেখা পড়িয়ে নেন। সাহিত্যিক বন্ধু-পরিচিতের সংখ্যা বাড়ে।

১৯৩২ সালেই আবির্ভূত হয়েছিল ব্যোমকেশ। আষাঢ়, অঘ্রাণ আর মাঘের ‘বসুমতী’তে বেরোল পরপর তিনটি গল্প। ‘পথের কাঁটা’, ‘সীমান্তহীরা’ আর ‘সত্যান্বেষী’। পরের বছর এর সঙ্গে ‘মাকড়সার রস’ গল্পটি যুক্ত হয়ে প্রকাশ পেল ব্যোমকেশের প্রথম বই, ‘ব্যোমকেশের ডায়েরি’। অজিত, অতুল, হ্যারিসন রোডের মেস বাংলা সাহিত্যে চিরজীবী হয়ে গেল। শরদিন্দু নিজে তখন কলকাতায় মেসখরচ আর অন্যান্য মিলিয়ে মাসে ত্রিশ টাকা নিজের জন্য বরাদ্দ করেছেন। ব্যোমকেশের গল্পে অজিতের মাসখরচ দেখানো হল পঁচিশ টাকা।

শরদিন্দুর দৃঢ় বিশ্বাস ছিল, নিম্ন মানের লেখার জন্যই এ দেশে গোয়েন্দা সাহিত্য তার প্রাপ্য মর্যাদা পায় না। আর্থার কোনান ডয়েল, এডগার অ্যালান পো, আগাথা ক্রিস্টির পাশে দেশীয় ডিটেকটিভ সাহিত্যকে তাঁর কোনও দিনই উঁচু মানের বলে মনে হয়নি। কিশোর বয়সেও পাঁচকড়ি দে-র ‘নীলবসনা সুন্দরী’ পড়ে ভাল লাগেনি। সে দিক থেকে এই ধারাটিকে সুসাহিত্যের পর্যায়ে উন্নীত করার একটা চ্যালেঞ্জই তিনি নিয়েছিলেন বলা যেতে পারে। তাঁর বক্তব্য ছিল, “ডিটেকটিভ গল্প যদি অপাংক্তেয় হয়, তবে historical romance-ও অপাংক্তেয়। একটা অতীতের romance, অন্যটা বর্তমানের romance।”

যত লেখা লিখেছেন শরদিন্দু, মোটের উপরে তাদের চারটি গোত্রে ভাগ করা যায়—সামাজিক-রোমান্টিক, ইতিহাস-আশ্রয়ী, সরস রচনা এবং ডিটেকটিভ গল্প। বন্ধু পরিমল গোস্বামী বিশেষ ভক্ত ছিলেন শরদিন্দু ওরফে ‘চন্দ্রহাস’-এর সরস কবিতার। যেমন, ‘শিল্পীর শিরে পিলপিল করে আইডিয়া/ লেখেন যখন পুস্তক তিনি তাই দিয়া/উইপোকা কয় চল এইবার খাই গিয়া’! অথবা নজরুলের গানের প্যারডি, ‘তোমার এ মহাবিশ্বে ছাতা হারায় খালি প্রভু’! পরিমলের আগ্রহেই শরদিন্দুর লেখা ‘শিব-উমা’ আর ‘ডিটেকটিভ’, দুটো নাটকের রেকর্ড বেরোয়। ‘বন্ধু’ নামে আর একটি নাটক রঙমহলে অভিনীত হতো। শরদিন্দু নিজেও অভিনয় করেছিলেন দু’-এক বার। যেমন ১৯৩৬-এর রবীন্দ্রজয়ন্তীতে রেডিওয় লেখকদের নিয়ে ‘বৈকুণ্ঠের খাতা’ অভিনীত হয়। শরদিন্দু কেদারের চরিত্রে অভিনয় করেন।

এদিকে বাবার পসার এবার কমছিল। একটা চালকল ছিল, সেটাও লোকসানে পড়ল। ১৯৩৪-এর ভূমিকম্পে মুঙ্গেরের বাড়িটাও ক্ষতিগ্রস্ত হল। ছাদে দাঁড়িয়ে শরদিন্দু দেখলেন, টালীগুলো একের পর এক ফেটে চৌচির হয়ে যাচ্ছে। নীচে নামার সিঁড়ি বন্ধ। ওই অবস্থায় স্ত্রীকে উদ্ধার করে মাটিতে নামালেন। যে নিশ্চিন্তির মধ্যে তাঁর জীবন অতিবাহিত হয়ে এসেছে, এইবার তাতে ছেদ পড়ল। শরদিন্দু লিখেছেন, ১৯৩৮-এ তাঁর মাসিক আয় দেড়শো টাকার মতো। সমসাময়িক বহু লেখকের থেকেই বেশি। কিন্তু বড় পরিবারের দায়দায়িত্ব, নিজের তিন পুত্রের প্রতিপালন—“টাকার প্রয়োজন আর ফুরায় না”।

এমন সময়ে ভাগ্যদেবী প্রসন্ন হলেন। বম্বে টকিজ়ের হিমাংশু রায় হন্যে হয়ে চিত্রনাট্যকার খুঁজছিলেন। কলকাতায় তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়কে অনুরোধ করেছেন। তিনি রাজি নন। এমতাবস্থায় হিমাংশুর ভগ্নীপতি, সংস্কৃত কলেজের অধ্যক্ষ সুরেন্দ্রনাথ দাশগুপ্ত নাম প্রস্তাব করলেন শরদিন্দুর। ছাত্রজীবন থেকে শরদিন্দুর সিনেমার নেশা। হলিউডই দেখতেন প্রধানত— দেশী ছবি কদাচিৎ। যেটুকু দেখতেন, মন ভরতো না। লিখেছেন— “...সিনেমা শিল্পের অপূর্ব সম্ভাবনার কথা ভাবিয়া হাত নিশপিশ করিত। তাই সিনেমা শিল্পের আহবান যেদিন পাইলাম, সেদিন আশায় মন উদ্দীপ্ত হইয়া উঠিল। এইবার সুযোগ পাইয়াছি। সিনেমা শিল্পকে উন্নত করিব, তাহাকে সাহিত্যের পর্যায়ে টানিয়া তুলিব...”। হাসবেন না পাঠক, তখন সাহিত্যই আসল বড় কাজ, সিনেমা তার পিছু পিছু হাঁটিতেছে।

‘ভাবী’, ‘বচন’, ‘দুর্গা’, ‘কঙ্গন’, ‘নবজীবন’, ‘আজাদ’, ‘পুনর্মিলন’—বম্বে টকিজ়ে সাতটি ছবির গল্প লিখেছিলেন শরদিন্দু। ইংরেজিতে লিখতেন, হিন্দিতে তর্জমা করে নেওয়া হত। বাণিজ্যিক ফরমায়েশের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলা অচিরেই তাঁর পক্ষে অসহ্য হয়ে উঠল। অনুভব করলেন, সিনেমায় টাকার যোগটা এতই ওতপ্রোত যে, নিজের মতো করে গল্প বলা দুঃসাধ্য। মনে হতে থাকল, “দেবতা ভাবিয়া অপদেবতার পূজা করিয়াছি...”

শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত একটি জনপ্রিয় উপন্যাস ‘ছায়াপথিক’ এবং ভৌতিক ও অলৌকিক গল্পের সংকলন ‘বরদা সমগ্র’বম্বে টকিজ়েরই পরিচালক এন আর আচার্য নিজের প্রোডাকশন খুললে শরদিন্দু কিছু দিন সেখানে গেলেন। ফ্রিল্যান্সিং হিসেবে চিত্রনাট্য লেখা শুরু করলেন। মালাডে স্টুডিয়োর কাছেই থাকতেন। ‘শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়, মালাড’ লিখলেই চিঠি পৌঁছে যেত। বম্বে টকিজ়ের সঙ্গে সম্পর্ক ছেঁড়েনি তখনো। শরদিন্দুর গল্প ‘নিশাচর’ থেকে পরেও তারা ছবি করেছে। কিন্তু লেখকের মনোকষ্টের হেরফের হয়নি। ‘ছায়াপথিক’ উপন্যাসে ইন্দু রায়কে দিয়ে বলালেন, “বিষয়বুদ্ধি আর সৃষ্টিপ্রতিভা যদি এক বস্তু হত তা হলে জগৎ শেঠ জয়দেবের চেয়ে বড় কবি হতে পারতো!”

বছর কয়েক পরে কনিষ্ঠ পুত্রের পড়াশোনা শেষ হল। জ্যেষ্ঠ পুত্র নামী সংস্থায় চিফ কেমিস্টের পদে পাঁকা হলেন। শরদিন্দু ছেলেকে জিজ্ঞেস করলেন, “তুমি এখন থেকে আমাকে খাওয়াতে পারবে তো? তুমি খাওয়ানোর ভার নিলে আমি ষোল আনা সাহিত্যসেবা করতে পারব।” ছেলে বললেন, “তা হলে আমার জীবনও সার্থক হবে বাবা।” শরদিন্দু আর কখনও সাহিত্য ছাড়া অন্যত্র মন দেননি। যদিও বলতেন, “সিনেমা শিল্পের বিরুদ্ধে আমার কোনও নালিশ নাই। নালিশ তাহাদের বিরুদ্ধে যাহারা এই শিল্পকে নিছক অর্থোপার্জনের উদ্দেশ্যে ব্যবসায়ে পরিণত করিয়াছে। পরিতাপ এই যে ইহারা ভাল ব্যবসায়ীও নয়।”

সিনেমার বোঝা মাথা থেকে পুরোপুরি নামার পরে সত্যান্বেষীর প্রত্যাবর্তন ঘটল ১৫ বছর বাদে, ‘চিত্রচোর’ (১৯৫১) এ। নবপর্যায়ে ব্যোমকেশের কী রকম সমাদর হল, তা শরদিন্দু-পাঠকমাত্রই জানেন। প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত আর শরদিন্দুর মধ্যে তো এমনভাবে কথা হত, যেন সে সত্যিই জলজ্যান্ত মানুষ। প্রতুলবাবুর তাগাদাতেই ব্যোমকেশের বাড়ি হয়। কলকাতায় এলে শরদিন্দু তখন কেয়াতলায় ছেলের কাছে উঠতেন। ব্যোমকেশ-সত্যবতীর বাড়িও হল কেয়াতলাতেই। প্রতুল আবদার করলেন, “এবার গাড়ি দিন।” শরদিন্দুর স্পষ্ট জবাব, “আমি ব্যোমকেশের কোষ্ঠী দেখেছি। ওর হাতে গাড়ি নেই!”

শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত জনপ্রিয় উপন্যাস ‘শৈল ভবন’ এবং ভৌতিক ও অলৌকিক ছোটগল্প সংকলন ‘অলৌকিক গল্পসমগ্র’ব্যোমকেশকে নিয়ে খুঁতখুঁতে ছিলেন শরদিন্দু। মাথায় রাখতেন, নিছক গোয়েন্দা কাহিনি নয়, ব্যোমকেশকে হতে হবে সামাজিক। থাকবে জীবনের ছবি, সময়ের ছাপ। তাঁর বক্তব্য ছিল, “ব্যোমকেশের গল্পে যদি সাহিত্যরস না থাকিয়া শুধু থ্রিল ও শস্তা সেনসেশন থাকে, তবে সাহিত্যবিচারকগণ তাহাকে দ্বীপান্তরিত করুন, আপত্তি নাই। কিন্তু যদি তাহা থাকে, তবে শুধু ডিটেকটিভ বলিয়া তাহাকে শাস্তি দিবার অধিকার কাহারো নাই।” মুম্বাইনিবাসী শরদিন্দু জানতেন কি না কে জানে, তাঁর ব্যোমকেশ নামধাম পাল্টে হিন্দিতেও বেরিয়ে গিয়েছিল ততদিনে। ‘ব্যোমকেশের ডায়েরি’ বেরোনোর কিছু কাল পরেই হিন্দিতে নামী লেখক গোপালরাম গহমারীর নামে ‘হংসরাজ কা ডায়েরি’ বলে একখানি পুস্তিকা বের হয়। ঘটনাস্থল মুম্বাই।

১৯৪৮ সালের আগস্ট মাসের ডায়েরিতে একটা আশ্চর্য কথা লিখেছিলেন শরদিন্দু— “যাঁহারা বর্তমান কালের সামাজিক ও রাজনৈতিক ব্যবস্থা আশ্রয় করিয়া গল্প-উপন্যাসাদি লেখেন, অকস্মাৎ স্বাধীনতাপ্রাপ্তির ফলে তাঁহাদের বড় অসুবিধা হইয়াছে। পটভূমি এমন বদলাইয়া গিয়াছে যে নূতন আসরে পুরাতনের পালা আর জমিতেছে না... এখন অনতিপূর্বকালও ইতিহাসের পর্যায়ে গিয়া পড়িয়াছে, তাই বর্তমান ও সদ্য অতীতকে যে লেখক ঐতিহাসিকের চক্ষু দিয়া দেখিতে পারিবেন, তাঁহার রচনাই সার্থক হইবার সম্ভাবনা।”

এই ‘ঐতিহাসিকের চক্ষু’টিই শরদিন্দুর মতে সবচেয়ে দামি জিনিস। তাঁর নিজের বিচরণক্ষেত্র অবশ্য শুধু বর্তমান নয়। প্রাচীন অতীতও, নির্দিষ্ট করে বললে প্রাক-ইসলামি অতীত। ইসলামি পর্বের ইতিহাসের প্রতি তাঁর দৃষ্টি সদয় ছিল না। সমসাময়িক সাহিত্যধারা সম্পর্কেও নয়। নাম না করে কল্লোল গোষ্ঠী সম্পর্কে বলেছিলেন, “এখনকার সৃষ্টিধর্মী সাহিত্যিকেরা মানবচিত্তের পঙ্কোদ্ধারে ব্যস্ত...আমরা অমৃতের পুত্র নই, আমরা বানরের বংশধর এই কথাটাই এখন বড় কথা।”

ঐতিহাসিক ও রোমাঞ্চকর উপন্যাস ‘ঝিন্দের বন্দী’ এবং ইতিহাস-আশ্রয়ী উপন্যাস ও ছোটগল্প সংকলন ‘ঐতিহাসিক কাহিনী সমগ্র ’তিন জনকে গুরু মানতেন শরদিন্দু—বঙ্কিমচন্দ্র, রবীন্দ্রনাথ, শরৎচন্দ্র। তবে তাঁর আদর্শ ছিলেন বঙ্কিম, যিনি বলে গিয়েছিলেন, “যে জাতির ইতিহাস নাই, তাহার ভবিষ্যৎও নাই।” শরদিন্দুর সাহিত্য বহুলাংশে এই ভাবনায় সিঞ্চিত। তাঁর ঐকান্তিক প্রায়াস তাঁর নিজেরই কথায়, “...আমি বাঙালীকে তাহার প্রাচীনের সঙ্গে পরিচয় করাইয়া দিবার চেষ্টা করিয়াছি... বাঙালী যতদিন না নিজের বংশগরিমার কথা জানিতে পারিবে, ততদিন তাহার চরিত্র গঠিত হইবে না...”

এ দেশে জাতীয়তাবাদের উন্মেষ এবং সাহিত্যধারা হিসেবে উপন্যাসের বিবর্তন, এ দুয়েরই সাধারণ সূত্র ছিল ইতিহাসের প্রতি আবেগ। ১৮৯৯ সালে জন্মানো শরদিন্দু যেন উনিশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধের সেই বিদ্বৎসমাজের উত্তরসূরি, যাঁরা ইতিহাসচর্চাকে জরুরি কর্তব্য বলে মনে করতেন। শরদিন্দু যখন লিখতে শুরু করেছেন, ততদিনে জাতীয়তাবাদী ইতিহাসচর্চা পুরোদমে পাগলা ঘোড়া ছোটাচ্ছে। রাখালদাস বন্দ্যোপাধ্যায়, যদুনাথ সরকার, রমেশচন্দ্র মজুমদার, নীহাররঞ্জন রায়ের লেখা হয়ে উঠছে শরদিন্দুর আকর। রমেশচন্দ্র তাঁকে সাধুবাদ জানিয়ে বলছেন, “লোকে ইতিহাস পড়ে না, কিন্তু আপনার বই পড়িবে।”

নিজে প্রচুর নানা রকম বই পড়তেন শরদিন্দু। সাহিত্য, ইতিহাস, পুরাণ নিয়ে কী গবেষণা হচ্ছে, খেয়াল রাখতেন। ভাষাচর্চার জন্য মাস-মাইনে দিয়ে সংস্কৃত পণ্ডিত রেখেছিলেন। যে যুগের গল্প, সেই যুগের উপযোগী ভাষা, শব্দ, জীবনযাত্রার খুঁটিনাটি বর্ণনা আহরণ করে আনতেন। বিশেষ করে তৎসম শব্দব্যবহারে তাঁর অসাধারণ ব্যুৎপত্তি ছিল। যোগেশচন্দ্র রায়বিদ্যানিধি তাঁকে বলেছিলেন, “এত সংস্কৃত শব্দ পুঞ্জীভূত হইয়াছে, এত সমাসবদ্ধ নূতন নূতন শব্দ রচিত হইয়াছে যে আমি ভাষায় আপনার অধিকার দেখিয়া বিস্মিত হইয়াছি।” প্রথম গল্পগ্রন্থ ‘জাতিস্মর’-এর তিনটি গল্পই ইতিহাসগন্ধী। ‘চুয়াচন্দন’, ‘প্রাগজ্যোতিষ’, ‘মরু ও সঙ্ঘ’র মতো বিখ্যাত সব গল্পও তিরিশের দশকেই লেখা হয়ে গিয়েছে। ১৯৩৮ সালে একটা উপন্যাসও আরম্ভ করেছিলেন, মাঝপথে মুম্বাই যেতে হল। এক যুগ পরে সে লেখা শেষ হয়। ‘কালের মন্দিরা’র ভূমিকায় বলা ছিল, “গল্পের যে স্থানটিতে বারো বছরের ফাঁক পড়িয়াছে পাঠকপাঠিকা হয়তো তাহা সহজেই ধরিয়া ফেলিতে পারিবেন। যদি না পারেন, বুঝিব আমার অন্তর্লোকে মহাকালের মন্দিরা এখনও একই ছন্দে বাজিতেছে...”

ছাত্রবয়স থেকেই প্ল্যানচেট করতেন শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে শেষ দিনটি পর্যন্ত চৌম্বকীয় নেশা ছিল কোষ্ঠীবিচার। একদিকে মুম্বাইয়ে হৃষীকেশ-নবেন্দুদের ভরসা দিচ্ছেন তিনি। অন্যদিকে ডাকযোগে তারাশঙ্করের প্রশ্ন, “অশুভটা কোন পথ ধরে আসবে? একটু আলোকপাত করলে সুখী হব।” সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়, রাজশেখর বসু তাঁর গণনায় চমৎকৃত হয়েছেন। প্রমথনাথ বিশী চিঠিতে লিখছেন, “আপনার বিরহে আমরা অর্থাৎ প্রতুলবাবু, জিতেনবাবু, বিমল মিত্র, গজেনবাবু ও আমি সকলেই কাতর। আপনি আসিয়া গ্রহনক্ষত্রকে একটু সচল করিয়া দিবেন, এই ভরসায় আছি।” বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় মারা গিয়েছেন। শরদিন্দু ডায়েরি লিখছেন, “জন্মসময়ের অভাবে লগ্ন স্থির করিতে পারিতেছি না... চেহারা ইত্যাদি হইতে মনে হয় সিংহ লগ্ন। সিংহ লগ্নের বুধ মারক। বুধ দশার আরম্ভেই মৃত্যু হইয়াছে।”

চলচ্চিত্রেও ব্যোমকেশের জয়জয়কার, চলছেইনিজের চেহারাটি ছিল বিশাল লম্বা। এতটাই যে, মাপসই জুতো মিলত না দোকানে। সুকুমার সেন লিখেছেন, “আকারে শালপ্রাংশু মহাভুজ, সদ্বংশজাত, সৌম্য, বিনয়ী, সদালাপী, শিক্ষিত, বিচক্ষণ, সহৃদয় বাঙালির বোধ করি শেষ নিখুঁত নিদর্শন ছিলেন তিনি।” গার্হস্থ্যে টইটম্বুর মানুষটি মুহূর্মুহূ চা খেতেন। আর লেখার সময়ে অভ্যেস ছিল, মাঝে মাঝে উঠে বয়াম খুলে হাল্কা কিছু মুখে পোরা। তবে মুম্বই যাওয়া ইস্তক শরীর ভাঙতে শুরু করেছিল। পঞ্চাশের দশকের গোড়ায় পুণায় চলে গেলেন। বাড়ির নাম রাখলেন ‘মিথিলা’। ২৬/৬/৫৩-র চিঠিতে পরিমলকে লিখলেন, “সাত মাস হল পুনায় এসে স্বাস্থ্য অন্বেষণ করছি... আমার মাথায় রক্তের চাপ, পেটে বায়ুশূল, পায়ে বাত। আর বেশিদিন নয়।”

না, এর পরেও প্রায় বারোটা বছর খুব খারাপ ছিলেন না শরদিন্দু। হৃদরোগের ফাঁড়াটা গেল ৬৬ বছর বয়সে। সিগারেট ছাড়তে হল। তবে সামলে গেলেন। কিন্তু তারই লেখা থেকে উদ্ধৃত করছি— “মহাকাল হচ্ছেন বাড়িওয়ালা। তিনি নোটিশ দিলে বাড়ি ছাড়তেই হবে।” সেই নোটিস এসে পৌঁছল ১৯৭০ সনের ২২ সেপ্টেম্বর। পরিমল পরে লিখেছিলেন, “জুলাই কি আগস্ট মাসে রেডিওতে তার কণ্ঠস্বর শুনেছি। সে স্বরে জীবন শেষ হয়ে আসার ধ্বনি স্পষ্ট হয়ে উঠেছিল।” লেখা অবশ্য থামেনি। ব্যোমকেশের নতুন গল্প নিয়ে প্রতুলচন্দ্রকে শাসিয়ে রেখেছিলেন, “সত্যবতীর গাড়ি হবে। কিন্তু একটা খুনের মামলায় পুলিশ আপনাকে কিরকম নাস্তানাবুদ করে দেখবেন।” ‘বিশুপালবধ’-এ সত্যিই প্রতুলবাবু নামে একটি চরিত্র ছিল। কাহিনি সমাপ্ত হওয়ার আগেই যবনিকা পড়ে গেল। আর কতটাই বা পারা যাবে—এই ভাবনাটা শরদিন্দুর দীর্ঘ দিনের। একবার ভেবেছিলেন, ‘কালের মন্দিরা’র (১৯৫১) পরে আর বড় কিছু লিখবেন না। “বয়স বাড়িতেছে, জীবন জটিলতর হইয়া উঠিতেছে। অতঃপর দীর্ঘ রচনা আর সম্ভব হইবে না।” বাস্তবে? “নীহাররঞ্জনের ‘বাঙ্গালীর ইতিহাস’ পড়িয়া আবার মাথায় একটি উপন্যাস আসিয়াছে। লিখিতে আরম্ভ করিয়াছি।”

এই হলেন শরদিন্দু। কুড়ি বছর বয়সেই ভাবতেন, “এই যে এতগুলো দিন গেল, আমি কি করলুম!” সাহিত্যই যে তাঁর একমাত্র ইষ্টদেবতা, সেটা তখনও স্থির হয়নি আসলে। খেলাধুলোর নেশা প্রবল। ফুটবল, ক্রিকেট, হকি, টেনিস, বাস্কেটবল, ভলিবল... কী না খেলতেন! কলেজজীবনে চুটিয়ে সিনেমাও দেখেছেন। শখের থিয়েটার করেছেন। আইন পড়বেন না সাহিত্য করবেন, ওকালতি করে সাহিত্য না শুধুই সাহিত্য—এই দ্বন্দ্ব ঘুচতে সময় লাগল। কিন্তু একবার পথ ঠিক হয়ে গেলে আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। ব্যোমকেশকে তিনি বুড়ো হতে দেননি, কারণ তিনি জানতেন, যে সৃষ্টি সত্যিই জীবন্ত, তার কোনো বয়স হয় না। অজিত, সত্যবতী, ব্যোমকেশ—এরা সবাই আজও আমাদের সঙ্গে আছে, শরদিন্দুর নিরলস কলমের জাদুতে। আর কতটাই বা পারা যাবে—এই প্রশ্নটা তিনি সারাজীবন নিজেকে করেছিলেন, আর প্রতিবার উত্তর দিয়েছেন নতুন এক সমাধানগল্প রচনা করে। সেই উত্তর কী আজও আমাদের কাছে পৌঁছে যায় না শরদিন্দুর প্রতিটি পাতা উল্টোনোর সঙ্গে সঙ্গে।

প্রিয় পাঠক, আপনার পড়া কিংবা দেখা শরদিন্দুর প্রিয়তম গল্প কোনটি, জানাতে ভুলবেন না আমাদের মন্তব্যের ঘরে।

শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়ব্যোমকেশব্যোমকেশ বক্সী
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    সড়ক সংস্কার করেন ছাত্তার

    সড়ক সংস্কার করেন ছাত্তার

    সুরক্ষা ভাবনাতেও ঝুঁকিতে বেসরকারিরা

    সুরক্ষা ভাবনাতেও ঝুঁকিতে বেসরকারিরা

    কফের সঙ্গে রক্ত এলে কী করবেন?

    কফের সঙ্গে রক্ত এলে কী করবেন?

    কে হচ্ছেন ‎শিল্পকলা একাডেমির নতুন মহাপরিচালক

    কে হচ্ছেন ‎শিল্পকলা একাডেমির নতুন মহাপরিচালক

    এমপি নজরুলের ফ্ল্যাট থেকে একাধিক চিরকুট উদ্ধার

    এমপি নজরুলের ফ্ল্যাট থেকে একাধিক চিরকুট উদ্ধার

    শিক্ষা ‘শহরমুখী অ্যাডভেঞ্চার’

    শিক্ষা ‘শহরমুখী অ্যাডভেঞ্চার’

    নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রীর মৃত্যুর ঘটনায় মামলা, প্রথম স্ত্রী গ্রেপ্তার

    নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রীর মৃত্যুর ঘটনায় মামলা, প্রথম স্ত্রী গ্রেপ্তার

    ২০ বছর বঞ্চিত ঠিকাদারদের ভাগ্য খুলছে

    ২০ বছর বঞ্চিত ঠিকাদারদের ভাগ্য খুলছে

    বার্লিনে বামপন্থীদের জয়, চাপে চ্যান্সেলর মের্ৎস

    বার্লিনে বামপন্থীদের জয়, চাপে চ্যান্সেলর মের্ৎস

    বিশ্ববাজারে কমল জ্বালানি তেলের দাম

    বিশ্ববাজারে কমল জ্বালানি তেলের দাম

    সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ভবিষ্যত তহবিলের মুনাফা হার বাড়ল

    সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ভবিষ্যত তহবিলের মুনাফা হার বাড়ল

    গভীর সতর্কবার্তা

    গভীর সতর্কবার্তা

    কিলোমিটারে ২০ পয়সা বাড়তে পারে বাসভাড়া

    কিলোমিটারে ২০ পয়সা বাড়তে পারে বাসভাড়া

    চীন-পাকিস্তান সীমান্ত সমঝোতায় ভারত কেন অস্বস্তিতে

    চীন-পাকিস্তান সীমান্ত সমঝোতায় ভারত কেন অস্বস্তিতে

    আমার মেয়ের পরিণতির জন্য ওবায়দুর দায়ী : মরিয়মের বাবা

    আমার মেয়ের পরিণতির জন্য ওবায়দুর দায়ী : মরিয়মের বাবা