Agamir Somoy E-Paper
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর জন্য রক্ত সংগ্রহে ছোটেন আইয়ুব
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় সুস্থতা

ছোট ছোট অভ্যাসে মানসিক শান্তি

লাইফস্টাইল ডেস্ক
agamir somoy
প্রকাশ: ২৫ মার্চ ২০২৬, ১০:৫০
ছোট ছোট অভ্যাসে মানসিক শান্তি

এআই নির্মিত ছবি।

একেকটা দিন যাচ্ছে, আর জীবনের গতি যেন বাড়ছেই। কাজের চাপ, নতুন প্রযুক্তির সঙ্গে তাল মেলানো, চারপাশের প্রত্যাশা- সব মিলিয়ে আমাদের মনটা যেন ধীরে ধীরে ক্লান্ত হয়ে পড়ছে। বাইরে সব চলছে, কিন্তু ভেতরে কেমন যেন শুন্যতায় ভরা। দিনশেষে এই অদৃশ্য মানসিক চাপই তৈরি করে অস্থিরতা, যেখানে শান্তি খুঁজে পাওয়া কঠিন হয়ে ওঠে।

কিন্তু সবকিছু ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই। বরং এই দ্রুতগতির জীবনেই কিছু ছোট ছোট অভ্যাস গড়ে তুললে মনকে ধীরে ধীরে শান্ত রাখা সম্ভব।

দিন শুরু হোক নিজের মতো

ঘুম থেকে উঠেই ফোন হাতে নেওয়া এখন প্রায় অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। কিন্তু দিনের শুরুতেই বাইরের কোলাহলকে মাথায় ঢুকতে দিলে অস্থিরতা বেড়ে যায়। তার বদলে প্রথম ২০–৩০ মিনিট নিজের জন্য রাখুন। এক গ্লাস পানি খান, জানালার ধারে দাঁড়িয়ে আকাশ দেখুন, গাছের দিকে তাকান। এই ছোট সময়টুকুই মস্তিষ্ককে স্থির করে, সারাদিনের জন্য প্রস্তুত করবে।

তুলনা করবেন না

সোশ্যাল মিডিয়ার অন্যদের সাজানো জীবনের সঙ্গে নিজের জীবনকে মেলাতে গিয়ে আমরা প্রায়ই অখুশি হয়ে পড়ি। অথচ বাস্তবতা ভিন্ন। প্রতিদিন রাতে তিনটি ভালো লাগার মুহূর্ত মনে করার অভ্যাস করুন। ছোট হলেও কেউ হাসিমুখে কথা বলেছে, কোনো কাজ শেষ হয়েছে, একটা গান ভালো লেগেছে। এই অভ্যাস কৃতজ্ঞতা বাড়ায়, আর না পাওয়ার চাপ কমায়।

না বলুন

সবাইকে খুশি রাখতে গিয়ে আমরা অনেক সময় নিজের ওপর অযথা চাপ নিয়ে ফেলি।
মনে রাখুন, সব দায়িত্ব আপনার না। যা আপনার পক্ষে সম্ভব না বা করতে গিয়ে ক্লান্ত হচ্ছেন সেখানে বিনয়ের সঙ্গে ‘না’ বলুন। এটা স্বার্থপরতা নয়, বরং নিজের মানসিক সুস্থতার জন্য প্রয়োজনীয় সীমা তৈরি করা।

প্রকৃতির কাছে যাওয়া

শহরের ব্যস্ততায় আমরা মাটি আর সবুজ থেকে অনেক দূরে চলে এসেছি। অথচ প্রকৃতি মনকে শান্ত করার সবচেয়ে সহজ উপায়। যতটা সম্ভব সুযোগ তৈরি করে কিছু সময় খোলা বাতাসে হাঁটুন। পার্কে বসুন, গাছের দিকে তাকান। গবেষণা বলছে, সবুজ পরিবেশে থাকলে আমাদের মস্তিষ্কে প্রশান্তি আনে, হরমোনের নিঃসরণ বাড়ে। বাইরে যাওয়া সম্ভব না হলে ঘরে ছোট গাছ রাখুন, এটাও মনকে হালকা করে।

ডিজিটাল বিরতি

সারাদিন স্ক্রিনে চোখ রাখার ফলে আমরা বুঝতেই পারি না মস্তিষ্ক কতটা ক্লান্ত হয়ে পড়ছে।
দিনে অন্তত এক ঘণ্টা ‘ডিজিটাল ডিটক্স’ করুন। এই সময়টা ফোন, ল্যাপটপ ছাড়া কাটান। বই পড়ুন, ডায়েরি লিখুন কিংবা পরিবারের সঙ্গে কথা বলুন। মাথার ভেতরের এলোমেলো চিন্তাগুলো কাগজে লিখে ফেলাও অনেকটা চাপ কমিয়ে দেয়।

শরীরের যত্নে মনের যত্ন

আপনি কী খাচ্ছেন, কতটা ঘুমাচ্ছেন এসব সরাসরি আপনার মনের ওপর প্রভাব ফেলে। অতিরিক্ত কফি বা চিনি অস্থিরতা বাড়াতে পারে, আবার ঘুমের অভাব মনকে খিটখিটে করে তোলে। প্রতিদিন ৭–৮ ঘণ্টা ঘুম নিশ্চিত করুন। ভালো ঘুমই মস্তিষ্ককে নতুন করে গুছিয়ে নিতে সাহায্য করে।

নিজের প্রতি যত্ন

আমরা অন্যকে সহজে ক্ষমা করি, কিন্তু নিজের ভুল নিয়ে বারবার কষ্ট পাই। মনে রাখুন, সবকিছু নিখুঁত হবে না, এটাই স্বাভাবিক। অতীতের অনুশোচনা বা ভবিষ্যতের ভয় বাদ দিয়ে, বর্তমান মুহূর্তটাকে একটু উপভোগ করুন। প্রতিদিন অন্তত একটি কাজ করুন, যা আপনাকে ভেতর থেকে আনন্দ দেয়।

লাইফস্টাইলমানসিক স্বাস্থ্য
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise