শুক্রবার, ১ মে, ২০২৬
আগামীর সময়
মিথ্যা বলার যুগ শেষ! কোথায় আছেন শনাক্ত করবে বিজ্ঞান

মিথ্যা বলার যুগ শেষ! কোথায় আছেন শনাক্ত করবে বিজ্ঞান

শুক্রবার, ১ মে, ২০২৬
আগামীর সময়
  • বেটা
  • সর্বশেষ
  • ইপেপার
EN
  • বেটা
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • সারা দেশ
  • বিশ্ব
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • চট্টগ্রাম
  • শিক্ষা
  • বিচিত্রা
  • ইপেপার
  • EN

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলীগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

info@agamirsomoy.com

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় লাইফস্টাইল

পাখিরা কীভাবে বেছে নেয় নিরাপদ বাসা

অনলাইন ডেস্কপ্রকাশ: ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১০:৪৬
পাখিরা কীভাবে বেছে নেয় নিরাপদ বাসা

সংগৃহীত ছবি


পাখিদের জীবনে প্রজনন একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়, এবং সেই অধ্যায়ের কেন্দ্রবিন্দু হলো নিরাপদ বাসা। প্রেম, প্রতিযোগিতা ও টিকে থাকার চাহিদা মিলিয়ে তারা এমন স্থান খোঁজে যেখানে ডিম ও ছানারা নিরাপদে বেড়ে উঠতে পারে। বাসা নির্বাচন মোটেও এলোমেলো নয়; সহজাত প্রবৃত্তি, পরিবেশগত ইঙ্গিত, খাদ্যের প্রাপ্যতা এবং শিকারির ঝুঁকি— এই বিষয়গুলো পাখিদের এই সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলে।

প্রতিটি প্রজাতির নির্দিষ্ট পরিবেশগত চাহিদা থাকে। যেমন, কাঠঠোকরা নরম বা আংশিক পচে যাওয়া গাছ, বিশেষ করে হার্টরট ছত্রাকে আক্রান্ত গাছ পছন্দ করে। এর ভেতরের নরম কাঠ খনন সহজ করে, আবার বাইরের শক্ত স্তর বাসাকে সুরক্ষা দেয়। দাঁড়িয়ে থাকা মৃত গাছ বা স্নাগ তাদের জন্য আদর্শ।

খাদ্য ও পানির সহজলভ্যতা ও গুরুত্বপূর্ণ। কীটভোজী পাখি পোকামাকড় সমৃদ্ধ এলাকা পছন্দ করে, বীজভোজীরা বীজসমৃদ্ধ পরিবেশ বেছে নেয়, আর শিকারি পাখিরা শিকারের উপযোগী খোলা স্থান নির্বাচন করে। উদাহরণস্বরূপ, টাক ঈগল সাধারণত নদী, হ্রদ বা উপকূলের কাছে লম্বা ও শক্ত গাছে বাসা বাঁধে, যাতে মাছ ধরার সুবিধা থাকে এবং চারপাশ ভালোভাবে দেখা যায়।

শিকারির ঝুঁকি কমানোও মূল কারণ। আমেরিকান রবিন সাধারণত ঘন পাতার আড়ালে বা মাটির থেকে কিছুটা উঁচুতে বাসা বাঁধে, যাতে শিকারি সহজে পৌঁছাতে না পারে। শহর ও শহরতলিতে তারা ছাদ, কাঠামো বা কৃত্রিম স্থানেও অভিযোজিত। বিপদের সময় তারা অ্যালার্ম ডাক দেয় এবং প্রয়োজনে আক্রমণাত্মক প্রতিক্রিয়া দেখায়।

অনেক পাখি বাসার চারপাশে নিজস্ব এলাকা প্রতিষ্ঠা করে, যা খাদ্য ও অন্যান্য সম্পদ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে এবং প্রতিযোগিতা কমায়। কাকের মতো পাখি লম্বা গাছে বাসা বানিয়ে আশপাশ নজরদারি করে অনুপ্রবেশকারীদের প্রতিরোধ করে। কিছু পাখি বছর পর বছর একই স্থানে ফিরে আসে, যদি পূর্বের অভিজ্ঞতা সফল হয়।

কিছু প্রজাতি জটিল বাসা না বানিয়ে ছদ্মবেশ ও মাটি ব্যবহার করে। কিলডিয়ার মাটিতে অগভীর গর্তে ডিম পাড়ে। ডিমের রং ও দাগ আশপাশের সঙ্গে মিলিয়ে শিকারির চোখ এড়িয়ে চলে। বিপদের সময় তারা ভাঙা ডানার ভান করে শিকারিকে দূরে সরিয়ে দেয়। ছানারা দ্রুত চলাফেরা করতে সক্ষম।

হোয়াইট টার্ন প্রায় কোনো বাসাই তৈরি করে না। তারা গাছের খালি ডালে সরাসরি ডিম পাড়ে। ডিমের রং ও দাগ এমন, দূর থেকে বোঝা যায় না। ছানারা শক্ত নখর নিয়ে জন্মায়, যাতে ডাল আঁকড়ে থাকতে পারে। যদিও ঝুঁকিপূর্ণ, এই বিশেষ অভিযোজনই তাদের বাঁচাতে সাহায্য করে।

সার্বিকভাবে, পাখিদের বাসা নির্বাচন একটি কৌশলগত প্রক্রিয়া। খাদ্য, নিরাপত্তা, পরিবেশ এবং পূর্ব অভিজ্ঞতার সমন্বয়ে তারা এমন স্থান বেছে নেয় যা প্রজননের সাফল্য নিশ্চিত করে। সহজাত প্রবৃত্তি ও শেখা আচরণের এই মিলই তাদের টিকে থাকার মূল শক্তি।

অন্তর্বর্তী সরকারড. মুহাম্মদ ইউনূসনতুন সরকারসোমবার ও মঙ্গলবারপাখিপাখিরানিরাপদ বাসা
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    কাচ কারখানা বন্ধ করে চালু করতে সময় লাগবে দেড় বছর, খরচ ৫০০ কোটি টাকা

    কাচ কারখানা বন্ধ করে চালু করতে সময় লাগবে দেড় বছর, খরচ ৫০০ কোটি টাকা

    ০১ মে ২০২৬, ০১:০৮

    সালথায় একমাত্র চলাচলের রাস্তা বন্ধে ১৫ পরিবার অবরুদ্ধ

    সালথায় একমাত্র চলাচলের রাস্তা বন্ধে ১৫ পরিবার অবরুদ্ধ

    ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ২২:৫১

    দেড়শ বছর ধরে শ্রমিকের মর্যাদা ও অধিকারের লড়াই

    দেড়শ বছর ধরে শ্রমিকের মর্যাদা ও অধিকারের লড়াই

    ০১ মে ২০২৬, ০১:২৯

    মামুনুলের কান্নাভেজা বিদায়ের গল্প

    মামুনুলের কান্নাভেজা বিদায়ের গল্প

    ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ২৩:১৬

    'ক্যামনে বছর কাটবো, এই চিন্তায় চোখোর পাটি আটে না'

    'ক্যামনে বছর কাটবো, এই চিন্তায় চোখোর পাটি আটে না'

    ০১ মে ২০২৬, ০০:১৭

    স্কুলে দ্বিতল ভবন, রাখা হয়নি সিঁড়ি

    স্কুলে দ্বিতল ভবন, রাখা হয়নি সিঁড়ি

    ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ২২:০৪

    ঘামের গন্ধে লুকানো এক অদৃশ্য মর্যাদা

    ঘামের গন্ধে লুকানো এক অদৃশ্য মর্যাদা

    ০১ মে ২০২৬, ০০:০১

    ফের হামলা হলে ‘দীর্ঘ ও কষ্টদায়ক’ আঘাতের হুঁশিয়ারি ইরানের

    ফের হামলা হলে ‘দীর্ঘ ও কষ্টদায়ক’ আঘাতের হুঁশিয়ারি ইরানের

    ০১ মে ২০২৬, ০৭:৪২

    বোয়িংয়ের ১৪ উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি করল বিমান

    বোয়িংয়ের ১৪ উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি করল বিমান

    ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ২২:০৭

    বিদ্যুৎ বিভ্রাটে নষ্ট ৬০ হাজার কেজি চা পাতা

    বিদ্যুৎ বিভ্রাটে নষ্ট ৬০ হাজার কেজি চা পাতা

    ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ২০:৪৯

    নিজামীপুত্র নাদিমুর নাম লেখাচ্ছেন এনসিপিতে

    নিজামীপুত্র নাদিমুর নাম লেখাচ্ছেন এনসিপিতে

    ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৬:০৩

    বিনামূল্যের কাজে এগিয়ে নারী, পিছিয়ে উপার্জনে

    বিনামূল্যের কাজে এগিয়ে নারী, পিছিয়ে উপার্জনে

    ০১ মে ২০২৬, ০১:১৬

    শিক্ষক হেনস্তার প্রতিবাদে মানববন্ধন, পাল্টাপাল্টি অভিযোগে উত্তেজনা

    শিক্ষক হেনস্তার প্রতিবাদে মানববন্ধন, পাল্টাপাল্টি অভিযোগে উত্তেজনা

    ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ২৩:৪৯

    নীতি থেকে আইনেই এক দশক, বাস্তবায়ন কত দিনে?

    নীতি থেকে আইনেই এক দশক, বাস্তবায়ন কত দিনে?

    ০১ মে ২০২৬, ০১:১৪

    অবশেষে সিডিএ চেয়ারম্যানের দুঃখ প্রকাশ

    অবশেষে সিডিএ চেয়ারম্যানের দুঃখ প্রকাশ

    ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ২২:৩৪

    advertiseadvertise