Agamir Somoy E-Paper
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর জন্য রক্ত সংগ্রহে ছোটেন আইয়ুব
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় লাইফস্টাইল

পাখিরা কীভাবে বেছে নেয় নিরাপদ বাসা

অনলাইন ডেস্ক
agamir somoy
প্রকাশ: ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১০:৪৬
পাখিরা কীভাবে বেছে নেয় নিরাপদ বাসা

সংগৃহীত ছবি


পাখিদের জীবনে প্রজনন একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়, এবং সেই অধ্যায়ের কেন্দ্রবিন্দু হলো নিরাপদ বাসা। প্রেম, প্রতিযোগিতা ও টিকে থাকার চাহিদা মিলিয়ে তারা এমন স্থান খোঁজে যেখানে ডিম ও ছানারা নিরাপদে বেড়ে উঠতে পারে। বাসা নির্বাচন মোটেও এলোমেলো নয়; সহজাত প্রবৃত্তি, পরিবেশগত ইঙ্গিত, খাদ্যের প্রাপ্যতা এবং শিকারির ঝুঁকি— এই বিষয়গুলো পাখিদের এই সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলে।

প্রতিটি প্রজাতির নির্দিষ্ট পরিবেশগত চাহিদা থাকে। যেমন, কাঠঠোকরা নরম বা আংশিক পচে যাওয়া গাছ, বিশেষ করে হার্টরট ছত্রাকে আক্রান্ত গাছ পছন্দ করে। এর ভেতরের নরম কাঠ খনন সহজ করে, আবার বাইরের শক্ত স্তর বাসাকে সুরক্ষা দেয়। দাঁড়িয়ে থাকা মৃত গাছ বা স্নাগ তাদের জন্য আদর্শ।

খাদ্য ও পানির সহজলভ্যতা ও গুরুত্বপূর্ণ। কীটভোজী পাখি পোকামাকড় সমৃদ্ধ এলাকা পছন্দ করে, বীজভোজীরা বীজসমৃদ্ধ পরিবেশ বেছে নেয়, আর শিকারি পাখিরা শিকারের উপযোগী খোলা স্থান নির্বাচন করে। উদাহরণস্বরূপ, টাক ঈগল সাধারণত নদী, হ্রদ বা উপকূলের কাছে লম্বা ও শক্ত গাছে বাসা বাঁধে, যাতে মাছ ধরার সুবিধা থাকে এবং চারপাশ ভালোভাবে দেখা যায়।

শিকারির ঝুঁকি কমানোও মূল কারণ। আমেরিকান রবিন সাধারণত ঘন পাতার আড়ালে বা মাটির থেকে কিছুটা উঁচুতে বাসা বাঁধে, যাতে শিকারি সহজে পৌঁছাতে না পারে। শহর ও শহরতলিতে তারা ছাদ, কাঠামো বা কৃত্রিম স্থানেও অভিযোজিত। বিপদের সময় তারা অ্যালার্ম ডাক দেয় এবং প্রয়োজনে আক্রমণাত্মক প্রতিক্রিয়া দেখায়।

অনেক পাখি বাসার চারপাশে নিজস্ব এলাকা প্রতিষ্ঠা করে, যা খাদ্য ও অন্যান্য সম্পদ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে এবং প্রতিযোগিতা কমায়। কাকের মতো পাখি লম্বা গাছে বাসা বানিয়ে আশপাশ নজরদারি করে অনুপ্রবেশকারীদের প্রতিরোধ করে। কিছু পাখি বছর পর বছর একই স্থানে ফিরে আসে, যদি পূর্বের অভিজ্ঞতা সফল হয়।

কিছু প্রজাতি জটিল বাসা না বানিয়ে ছদ্মবেশ ও মাটি ব্যবহার করে। কিলডিয়ার মাটিতে অগভীর গর্তে ডিম পাড়ে। ডিমের রং ও দাগ আশপাশের সঙ্গে মিলিয়ে শিকারির চোখ এড়িয়ে চলে। বিপদের সময় তারা ভাঙা ডানার ভান করে শিকারিকে দূরে সরিয়ে দেয়। ছানারা দ্রুত চলাফেরা করতে সক্ষম।

হোয়াইট টার্ন প্রায় কোনো বাসাই তৈরি করে না। তারা গাছের খালি ডালে সরাসরি ডিম পাড়ে। ডিমের রং ও দাগ এমন, দূর থেকে বোঝা যায় না। ছানারা শক্ত নখর নিয়ে জন্মায়, যাতে ডাল আঁকড়ে থাকতে পারে। যদিও ঝুঁকিপূর্ণ, এই বিশেষ অভিযোজনই তাদের বাঁচাতে সাহায্য করে।

সার্বিকভাবে, পাখিদের বাসা নির্বাচন একটি কৌশলগত প্রক্রিয়া। খাদ্য, নিরাপত্তা, পরিবেশ এবং পূর্ব অভিজ্ঞতার সমন্বয়ে তারা এমন স্থান বেছে নেয় যা প্রজননের সাফল্য নিশ্চিত করে। সহজাত প্রবৃত্তি ও শেখা আচরণের এই মিলই তাদের টিকে থাকার মূল শক্তি।

অন্তর্বর্তী সরকারড. মুহাম্মদ ইউনূসনতুন সরকারসোমবার ও মঙ্গলবারপাখিপাখিরানিরাপদ বাসা
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise