Agamir Somoy E-Paper
শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
মানুষের বিপদে ছোটেন খলিল
শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় টো টো কোম্পানি

দুই চাকায় মালয়েশিয়া ১২ (শেষ পর্ব)

মাওয়াই টু সুংগাই রেংগিত-৭৫ কিলোমিটার

বাবর আলী
agamir somoy
প্রকাশ: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৩৮
শেয়ার করুন:
মাওয়াই টু সুংগাই রেংগিত-৭৫ কিলোমিটার

পুরোনো জেটির সামনে লেখক

এই হোমস্টে এর মালিক ভদ্রলোক দারুণ ইংরেজি বলেন। বেরোনোর সময় উনি পাকড়াও করলেন। পায়ের সমস্যার জন্য চলাফেরা করেন লাঠি হাতে। মানুষটা ছোটখাট হলেও মনটা বিশাল। গতকাল আমাদের একবার করে বলা নাম সকালে স্পষ্টভাবে উচ্চারণ করে শুভ সকাল জানালেন। এদিকে ওনার ছোট ছেলের সাইকেল নিয়ে প্রচুর শখ। ছোট ছেলেকে দেখানোর জন্য আমাদের সাথে একটা ছবি তুলে রাখলেন। আজ বেরোতে বেরোতে প্রায় নয়টা। তবে আজকে আমাদের পথ মাত্র ৭৫ কিলোমিটার বলে খুব একটা অসুবিধা হবে না।

হোম স্টে-এর হোস্ট আঙ্কেলের সঙ্গে লেখক (বামে)

আকাশে শৈশবের মেঘের মতো মেঘ। ছোটবেলায় বইয়ের পাতায় চিনতে শেখা নানান বস্তু আর প্রাণীদের আকৃতি খুঁজে বের করতাম মেঘ দেখে। সেসব দিন যে কবে গত হয়ে গেছে। অল্প এগিয়েই ডানে মোড়। শুরু হলো পাম আর নারকেল বাগান। একটা পাম বাগান সংলগ্ন ছোট্ট খাবার জায়গায় থামলাম। মনে মনে সকালে রটি চনাই খুঁজছি কয়েকদিন ধরেই। একদিনও মেলে না। আজ রটি চনাই আর কপি পানাস সহকারে সকালের নাশতা। জুমন ভাই অবশ্য কপি সেজুক এর ভক্ত। হীরার মতো চকচকে দেখতে গ্লাসে এলো পানীয় দুটো।
কপি পানাস, কপি সেজুক পানীয়

আহারের পরেই শুরু হলো চড়াইয়ের প্রহার! বিশাল সব চড়াই ওত পেতে আছে। পরের বড় বাগানের নাম বুকিত আপিং তিমুর। বেশ রঙিন সাইনবোর্ড আছে বাগানের মুখে। পথে এক জায়গায় চশমাপরা হনুমান দেখে থামলাম। আমাকে দেখে ওদের হুটোপুটি থেমে গেছে; কিন্তু তখনও পালিয়ে যায়নি। কিন্তু জুমন ভাই পেছন থেকে 'কী দেখস?' বলামাত্রই এরা পগারপার। আমি জানালাম মাত্রই চশমাপরা হনুমান দেখলাম। জুমন ভাইয়ের সপ্রতিভ উত্তর, 'চশমাপরা না, মুখপোড়া হনুমান দেখতে চাইলে আমার চেহারা দেখতে পারস। মালয়েশিয়ার রোদ আমার চেহারাটা মুখপোড়া হনুমানের মতোই বানিয়ে ফেলেছে।'

এই রাস্তাটা বেশ সরু। এই পথের শেষরেখায় কোন বড় শহর নেই বলে এটি গাড়িবিরল রাস্তাও বলা যায়। মিনিট তিন-চারেক পরপর একটা-দুটো গাড়ির দেখা মেলে। পাম বোঝাই ট্রাকই সংখ্যায় বেশি। পথের নানান জায়গায় পামের ফল পাড়া হচ্ছে। বাঁকানো একটা দা দিয়ে নিচ থেকেই এই কাজ সেরে ফেলে বাগানের লোকজন। এর জন্য গাছে উঠতে হয় না। এসব কাজে সিদ্ধহস্ত ইন্দোনেশিয়ান অভিবাসীরা। অবশ্য প্রচুর বাংলাদেশিরাও পামবাগানে কাজ করে। তবে পাম বাগান যেহেতু ইন্দোনেশিয়াতেও দেদার আছে, তাই ইন্দোনেশিয়ানদের এই কাজে দক্ষতাও আছে বেশ। ইন্দোনেশিয়া আসলে বিশ্বের মোট পাম তেলের অর্ধেকেরও বেশি জোগান দেয়। তারপরেই মালয়েশিয়ার অবস্থান।

পাম ফল

তবে কয়েকদিন আগেই আসিয়ানের দুই প্রতিবেশী মালয়েশিয়া আর ইন্দোনেশিয়ার সম্পর্কে একটা টানাপোড়েন গেছে। ইন্দোনেশিয়াতে পাম বনায়নের জন্য ব্যাপক হারে বন পোড়ানো হয়েছে গত কিছুদিনে। বন পোড়ানো নতুন ঘটনা নয়। শুধু ইন্দোনেশিয়া কেন, বিশ্বের সব দেশের নৈমিত্তিক ঘটনা। তবে ইন্দোনেশিয়ার এবারের বন বিনাশের হার আগের বছরগুলোকে বিশাল ব্যবধানে হারিয়ে দিয়েছে। বনে দেওয়া আগুন থেকে উদ্ভুত ধোঁয়া ইন্দোনেশিয়ার নিজ দেশের সীমানা পেরিয়ে প্র‍তিবেশী রাষ্ট্র মালয়েশিয়ায় চলে আসে। ফলে সৃষ্টি হয় ধোঁয়াশার। এয়ার কোয়ালিটি ইন্ডেক্স সূচকে মালয়েশিয়ার বেশ কিছু শহরের মান ভয়ানকভাবে নেমে যায়। কুয়ালালামপুর, জোহর বাহরুও আছে এর মধ্যে। আমাদের বর্তমান অবস্থান জোহর প্রদেশের স্কুলও বন্ধ ঘোষণা করা হয় ধোঁয়াশা থেকে বাচ্চাদেরকে বাঁচানোর জন্য। মালয়েশিয়ার সাধারণ্যের মধ্যে ইন্দোনেশিয়ানদের নিয়ে ক্ষোভ পুঞ্জীভূত হতে থাকে এই ঘটনায়। প্রকৃতির উপর প্রভুত্ব ফলাতে গেলে ফলাফল মাঝে মাঝেই এমন হয়!

রাইডের শেষদিনে আমার খানিকটা মন খারাপ হয়। এতদিনের লালন করা একটা ইচ্ছে পূরণ হতে যাচ্ছে-সেই ভালোলাগাটুকুকেও ছাপিয়ে উঠে নতুন জায়গা বা অভিজ্ঞতার সুযোগ কাল থেকে না হয়ে যাচ্ছে ভেবে! পথের সাথে গত কদিনের এই গাঁটছড়ায় যতি পড়তে যাচ্ছে কাল থেকে। পথের প্রতি এই আকর্ষণ কি কোন ধরনের হরমোন-ঘটিত হাঙ্গামা? কে জানে এর হদিস!

ঢেউ খেলানো পথ
চলতি পথে পড়ল লক হেং নামক বাগান। আকার-আকৃতিতে বিশাল। কিলোমিটারের পর কিলোমিটার এগোচ্ছি; শেষই হয় না এই বাগান। পাম বাগান ছাড়া পুরো পথে কিচ্ছু নেই। একটা দোকান, বাড়ি কিংবা মসজিদ অবধি না। গরমে ঘেমেনেয়ে একাকার অবস্থা। পথের অবস্থা দেখে চোখে পানি আসা দরকার। কিন্তু চোখ বাদে সারা গা দিয়ে ঘাম আকারে পানি বেরোচ্ছে!  চালাতে চালাতে নিজের ভেতরে একাগ্রচিত্তে তাকানোর চেষ্টা করি; কূলকিনারা পাই না। বুকিত আপিং সেলাতান ঢুকতেই পাম ফলের গাঁজানো গন্ধ। থেকে থেকেই সাইকেল থেকে একটা ভোঁতা শব্দ পাচ্ছি। চলতি অবস্থাতেই সামনের চাকা, পেছনের চাকা দেখে সুরাহা করতে পারলাম না। একটু বাদে খেয়াল করলাম, সাইকেলের তালাটা পেছনের চাকার সাথে লেগে এই ভোঁতা শব্দের উৎপত্তি। তালার মোটা অংশটা সামনে আনতেই এই ভোঁতা শব্দ থেকে মুক্তি।

অবশেষে ৩৭ কিলোমিটার পর একটা গ্রাম পড়ল। নাম ফেল্ডা সুংগাই মাস। মূল রাস্তা থেকে একটু ভেতরে একটা সুরাও বা ইবাদতখানা আছে। পানি পান করে বোতলে ভরে নিলাম এখান থেকে। ফের এগোনো শুরু করে বন্দর পেনাওয়ারকে বামে রেখে সোজা এগিয়ে চললাম। খানিক বাদে পড়ল দেসারু ফ্রুট ফার্ম। নানান ফল ফলানোর পাশাপাশি অ্যাগ্রো-টুরিজমের জন্যও এটি জনপ্রিয় গন্তব্য। এর ফটকে প্রচুর গাড়ির ভিড়।

এর মধ্যেই হঠাৎ করে আকাশ কালো হয়ে গেল। বৃষ্টি আসি আসি করছে। দুই-চার ফোঁটা পড়তে শুরু করেছে; যেন ছোট ছোট আলপিন খসছে আকাশ থেকে। স্যাকরার ঠুকঠাক ঠিক আছে, কামারের এক ঘা এর মতো ঝুমবৃষ্টি হলে বিপদেই পড়তে হবে। রাইডের শেষদিনে বৃষ্টির হুজ্জতে পড়ে সবকিছু ভেজাতে চাই না। কয়েক কিলোমিটার জোর কদমে প্যাডেল মেরে আসন্নপ্রসবা বৃষ্টির হাত থেকে রক্ষা পাওয়া গেল।

ফের শুরু হলো চড়াই-উতরাই। একের পর এক পাহাড় কষ্টে চড়ি, ফের উতরাই পথে নামি। তার উপর শুরু হলো হেড উইন্ড এর যন্ত্রণা। জোর কদমে প্যাডেল মেরেও এগোনো যায় না খুব একটা। হোক কষ্ট; কষ্ট জেনেই আসা। হাসিটা পথরেখার শেষপ্রান্তের জন্য তোলা থাক। He laughs well who laughs last!

খানিকক্ষণ বাদে হেড উইন্ড থেকে মুক্তি পাওয়া গেল। তবে এদিকে এক পশলা বৃষ্টি হয়ে গেছে। পথ ভেজা। এদিকের রাস্তায় একদম পথের পাশেই পাম বাগানের অবস্থান নয়। প্রথমে একসার সবুজ ফার্ন বা লতাপাতা থাকে; এরপর পাহাড়ের মাথায় গাঢ় সবুজ পাম। সুংগাই রেংগিত আর মাত্র ছয় কিলোমিটার। গন্তব্য চার, তিন, দুই হয়ে এক সংখ্যায় ধরা দিলো!

সুংগাই রেংগিত গ্রাম। আর মাত্র ১২ কিলোমিটার

অবশেষে সুংগাই রেংগিত! প্রথমেই ধরলাম পুরোনো জেটির রাস্তা। লাল কাঁকরের একটি পথ এগিয়েছে জেটির পানে। কাঁকরের উপর চাকা পড়ে পিছলে যাওয়া ঠেকাতে ঠেকাতে থামলাম পুরোনো জেটিতে। এটি পরিত্যক্ত হলেও পিলারের থামগুলো এখনো আছে। আমাদের দুজনের একটা ছবি তুলে দিতে পারে এমন কাউকে খুঁজছিলাম। হায়! এই পাণ্ডববর্জিত জায়গায় কাউকেই পাওয়া গেল না। সাইকেলের সিটের উপর পাথর বসিয়ে টাইমার দিয়ে দুজনের একটা ছবি তুলল জুমন ভাই। এখান থেকে যাব সুংগাই রেংগিতের লবস্টার পয়েন্টে। অতিকায় এক চিংড়ির ভাষ্কর্য আছে ওই পয়েন্টে। এখানেও বিশ মিনিট অপেক্ষা করে ছবি তুলে দেওয়ার মতো কাউকে পেলাম না। সুংগাই রেংগিতের জনবসতি অত্যন্ত পাতলা। তার উপর পথচারীর দেখা পাওয়ার সম্ভাবনাও কম এখানে। শেষে এক বাংলাদেশি ভাইকে হন্টনরত অবস্থায় পাওয়া গেল। উনি বৃত্তান্ত শুনে চোখ ছানাবড়া করে ছবি তুলে দিলেন। পাশের রেস্তোরাঁয় নিয়ে গিয়ে হাতে চায়ের কাপ ধরিয়ে দিলেন। খানিক বাদে মেহেরপুর নিবাসী এই ভাইয়ের পিছু পিছু ওনার বাসায় গেলাম গোসল সারার জন্য।

পুরোনো জেটি

রাইডের শেষ উদযাপন করতে জুমন ভাই আর আমি গেলাম মিক্সইউ-তে আইস কফি পান করতে। সেখানে ঘন্টাখানেক কাটিয়ে সন্ধ্যাটা সৈকতের পাড়ে। ১৮ অক্টোবর সকালে থাইল্যান্ড সীমান্ত ঘেঁষা পাদাং বেসার থেকে যে যাত্রা শুরু হয়েছিল, তা শেষ হলো দক্ষিণ চীন সাগর আর সিঙ্গাপুর প্রণালীর মিলনস্থল সুংগাই রেংগিতে এসে।

রাইডের শেষ উদযাপনটা ছিল আইস কফি

যাত্রার প্রথম ধাপে পাদাং বেসার থেকে কোটা বারু অবধি মালয়েশিয়াকে অতিক্রম করেছি আড়াআড়িভাবে। পথে পাড়ি দিয়েছি ওয়েস্ট মালয়েশিয়ার মেরুদণ্ডখ্যাত তিতিওয়াংসা পর্বতমালা। পরের ধাপে মালয়েশিয়ার এপ্রান্ত থেকে ওপ্রান্ত পাড়ি দিলাম লম্বালম্বিভাবে; পথরেখা কোটা বারু থেকে শুরু হয়ে থেমেছে সুংগাই রেংগিত এসে। এই পুরো পথটাই ছিল দক্ষিণ চীন সাগর ঘেঁষে।

দীর্ঘ এই ভ্রমণে জুমন ভাই ছিলেন সঙ্গী

এই ১২ দিনে জুমন ভাই আর আমি সাইকেলের সওয়ারি হয়ে পাড়ি দিয়েছি প্রায় ১২০০ কিলোমিটার পথ। অনেক কারণেই এই রাইড মনে থাকবে বহুদিন। আদিগন্তবিস্তৃত পাম বাগান, ১৩০ মিলিয়ন বছর পুরোনো বেলুম-তেমেনগর বনের মধ্যে দিয়ে সাইকেল চালানো, জাভা জুট নামে পরিচিত কেনাফ শস্যখেত দেখা, বুনো হাতির সঙ্গে সাক্ষাৎ, বান্দিং নামক পাণ্ডববর্জিত জায়গায় দেশি ভাইদের অতিথেয়তা, মালয়েশিয়ান ভোজ শেষের পদ সেন্ডলের স্বাদ, ব্যক্তিগত গাড়িতে যাওয়ার সময় মালয়দের হর্ন বাজিয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করে
থাম্বস আপ দেখানো- আপাতত এই মুহুর্তগুলোই মনে পড়ছে।


আকাশে অতিকায় ফানুসের মতো চাঁদকে সঙ্গী করে এগোচ্ছি রাজধানী কুয়ালালামপুরের পানে। দুদিন বাদেই ফিরব দেশে। পুজোর দুই সপ্তাহ যে রোগী আর রোগের ছুটি দিয়ে সাইকেলের সওয়ারি হতে এই দেশে এসেছিলাম! গাছের ঝরাপাতার মতো ফের উড়ে যাওয়ার দিনের জন্য অপেক্ষার প্রহর শুরু হলো বলে! এই পথের পুথি আপাতত এখানেই শেষ। আমার ছোট্ট জীবন-পরিধিতে এমন রাইড বারবার আসুক। বাড়ুক আমার বোধ আর বোধির ব্যাপ্তি।

বাবর আলীদুই চাকায় মালয়েশিয়াবিদেশ ভ্রমণ
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    ‘আই অ্যাম অ্যাট গান পয়েন্ট’- বলেছিলেন তাহসিফ

    ‘আই অ্যাম অ্যাট গান পয়েন্ট’- বলেছিলেন তাহসিফ

    মিউচুয়াল ফান্ড বিধিমালা সংশোধনে অযৌক্তিক সিদ্ধান্ত নয়: বিএসইসি চেয়ারম্যান

    মিউচুয়াল ফান্ড বিধিমালা সংশোধনে অযৌক্তিক সিদ্ধান্ত নয়: বিএসইসি চেয়ারম্যান

    দুই ঘণ্টা পরও সারেনি ত্রুটি, বিমান থেকে নামলেন প্রধানমন্ত্রী

    দুই ঘণ্টা পরও সারেনি ত্রুটি, বিমান থেকে নামলেন প্রধানমন্ত্রী

    তুরাগ নদ থেকে বিমান বাহিনীর সাবেক কর্মকর্তার মরদেহ উদ্ধার

    তুরাগ নদ থেকে বিমান বাহিনীর সাবেক কর্মকর্তার মরদেহ উদ্ধার

    ‘তিনটি গুলির আওয়াজ শুনে দৌড়ে গিয়ে দেখি বাবা মাটিতে পড়ে আছেন’

    ‘তিনটি গুলির আওয়াজ শুনে দৌড়ে গিয়ে দেখি বাবা মাটিতে পড়ে আছেন’

    প্রধানমন্ত্রীর ফিরতি ফ্লাইটে যান্ত্রিক ত্রুটি, যাত্রায় বিলম্ব

    প্রধানমন্ত্রীর ফিরতি ফ্লাইটে যান্ত্রিক ত্রুটি, যাত্রায় বিলম্ব

    ডিএসইতে শ্রমিক নেই তহবিল আছে, ভাগবাটোয়ারা করে নেন কর্তারা

    ডিএসইতে শ্রমিক নেই তহবিল আছে, ভাগবাটোয়ারা করে নেন কর্তারা

    নিজ বাসায় আওয়ামী লীগ নেত্রীর লাশ, হদিস মিলছে না দুই মোবাইলের

    নিজ বাসায় আওয়ামী লীগ নেত্রীর লাশ, হদিস মিলছে না দুই মোবাইলের

    সুন্দরবন এখনো আমাদের শেষ ভরসা

    সুন্দরবন এখনো আমাদের শেষ ভরসা

    পারিবারিক লেনদেন কি করযোগ্য আয়?

    পারিবারিক লেনদেন কি করযোগ্য আয়?

    শেখ হাসিনার পালানোর ভিডিও নিয়ে যা বলেছিলেন তাহসিফ

    শেখ হাসিনার পালানোর ভিডিও নিয়ে যা বলেছিলেন তাহসিফ

    হত্যা করা হয়েছে তাহসিফকে, সন্দেহ বাবার

    হত্যা করা হয়েছে তাহসিফকে, সন্দেহ বাবার

    পাঠ্যবইয়ে নৌকা-দাঁড়িপাল্লা খুঁজতে বিশেষ কমিটি!

    পাঠ্যবইয়ে নৌকা-দাঁড়িপাল্লা খুঁজতে বিশেষ কমিটি!

    ‘রইদ’ এর বদলে জয় চৌধুরীর সিনেমা অস্কারে পাঠানো উচিত, বললেন ইয়াশ

    ‘রইদ’ এর বদলে জয় চৌধুরীর সিনেমা অস্কারে পাঠানো উচিত, বললেন ইয়াশ

    ৫ বন্ধুর হাতে কতকিছুর সুরক্ষা

    ৫ বন্ধুর হাতে কতকিছুর সুরক্ষা