Agamir Somoy E-Paper
শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
অরক্ষিত রেলক্রসিং পাহারায় ইসলাম
শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় টো টো কোম্পানি

দুই চাকায় মালয়েশিয়া-৬

কোটা বারু- তেলাগা পাপান- ১১৮ কিলোমিটার

বাবর আলী
agamir somoy
প্রকাশ: ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ১২:১৪
কোটা বারু- তেলাগা পাপান- ১১৮ কিলোমিটার

কোটা বারু ০ পয়েন্টে লেখক।

পুরোদিন সাইকেল চালাই; দিনশেষে খানিকটা আরাম করি। তথাকথিত দুর্ভোগ আর ভোগ— এই দুই মিলিয়েই জীবন! সকাল হলেই সাইকেল নামক যন্ত্রে চড়ে বসি যন্ত্রীর মতো। যেতে যেতে কত অভিজ্ঞতা হয়; কতজনের সঙ্গে হাসি বিনিময় হয়। ডিঙিয়ে যাই কতজনের বাড়ির চৌকাঠ। মাঝে মাঝে মনে হয়, জীবন-নদীতে ছিপ ফেলে বসে আছি; মাছের বদলে উঠে আসে অভিজ্ঞতা। আর কদিন পরেই পাখির মতো ডানা ঝাপটে কোনো সুদূরে চলে যাবে এসব পথের পুঁথি।

রাতে দেখেছি কোটা বারু শহরটি বেশ তাড়াতাড়ি ঘুমিয়ে পড়ে। এই সকালে আড়মোড়া ভাঙছে শহর। এত সকালেও রাস্তায় প্রচুর ব্যক্তিগত গাড়ি। এখানে গণপরিবহণ খুব একটা নেই। থাকলেও মালয়েশিয়ানরা খুব একটা চড়ে না; গতবার এসে বেশিরভাগ গণপরিবহণে আমরা ছাড়া আর বড়োজোর ৩-৪ জনকে পেতাম প্রতি বাসে। অবশ্য জর্জটাউনের কথা ভিন্ন। সেখানের গণপরিবহণে যথেষ্ট ভিড়। তাও আবার অভিবাসীরাই গণপরিবহণ ব্যবহার করেন বেশি। অধিকাংশ মালয় পরিবারেই দুইয়ের অধিক গাড়ি আছে। সকাল থেকে বেশ কয়েকটা সিগন্যালে আটকা পড়লাম। পথে একটা রেস্তোরাঁ পড়ল যার সম্মুখভাগে রীতিমতো একটা টু-সিটার ছোট বিমান বসানো। প্লেনের গায়ে এমনকি দুই পাইলটের নামও লেখা আছে! কোটা বারু শহরের রাস্তার মোড়ে মোড়ে প্রচুর উড়ালসড়ক।


কোটা বারু শহরটাতে ব্যক্তিগত গাড়ি ব্যবহারকারীই বেশি
সুলতান ইসমাইল পেত্রার অতীব সুন্দর স্থাপত্যের মসজিদ চোখে পড়ল। সামনে অনেকগুলো পাম গাছ সৌকুমার্যের সঙ্গে সাজানো। ইসলামিক স্থাপত্যে মালয়েশিয়া নিজেকে অন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে বহু আগেই। জুমন ভাই চলছে আমার কয়েক মিটার সামনেই। কুবাং কেরিয়ানের কাছে এসে একটা লালচে লোমশ বিড়াল রাস্তা পারাপারের সময় সোজা জুমন ভাইয়ের পেছনের চাকার তলে। জুমন ভাই বিড়ালের উপর সাইকেল পড়ায় আছাড় খেয়ে একদম রাস্তায়। ফুল প্যান্ট আর গ্লাভস থাকায় বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। শুধু ডান হাতের কব্জির কাছে অল্প ব্যথা। ব্যথানাশক মলম লাগিয়ে দিলাম কব্জিতে। তবে আঘাত আরও বেশিই হতে পারত। ভাগ্যিস, দ্রুতগতির কোনো গাড়ি পেছন থেকে এসে পড়েনি। বিড়ালটা অবশ্য ততক্ষণে গা ঝাড়া দিয়ে উঠে পগারপার। সাইকেল না হয়ে দ্রুতগতির অন্য কোন যানবাহন হলে পগারপার না হয়ে পরপারে যেতে হতো বিড়ালটাকে। বিড়ালদের আদালত থাকলে আমি ওই বিড়ালকে অসাবধানে রাস্তা পারাপারের শাস্তিস্বরূপ মান্দার গাছে উঠতে দেবার আবেদন জানাতাম!

রেস্তোরার উপরে টু সিটার বিমান বসানো
ধাতস্ত হয়ে ফের সাইকেলের সিটে। এগোতেই সুংগাই পেং দাতু নদী। আমাদের আপাত গন্তব্য বাচক। কিছুটা সামনে পড়ল সুংগাই কেমাচিন নদী। এত অল্প দূরত্বে দুটি নদী মালয়েশিয়াতে আগে দেখিনি। নারকেল বীথির ছায়া পড়েছে জলে। হঠাৎ মনে হয়, বরিশাল বিভাগের কোনো নদী বুঝি! এদিকে রাস্তার ধারে প্রচুর ‘আইয়াম প্রসেস’ এর দোকান। সোজা বাংলায় প্রক্রিয়াজাত করা মুরগি। একটা জায়গায় কয়েকশ মিটার ইলেকট্রিকের খাম্বা জুড়ে লাল-সবুজ পতাকা। কীসের পতাকা ঠাহর করতে পারলাম না অবশ্য। মেঘ গর্জনের মতো শব্দ তুলে বেশ কয়েকটা মোটরসাইকেল আমাদেরকে কাঁপিয়ে দিয়ে চলে গেল।

সুংগাই পেং দাতু নদী
অনেকগুলো ছোট ছোট ক্যাম্পুং পড়ছে পথে। বাকি ফাঁকা জায়গা কনকচূড়ার দখলে আজ। দুই বিশাল গম্বুজ আর ছয় মিনারওয়ালা মসজিদ আল কুদুস দেখার মুগ্ধতা মনে রয়ে গেল অনেকটা সময়।
এতক্ষণে খিদেটা বেশ চাগিয়ে উঠেছে। রাস্তার পাশের এক দোকানে থামলাম। ‘রটি চনাই’ আছে কি না, জিজ্ঞেস করার জন্য মুখ খুলতেই ভেতরের কক্ষ থেকে আসা কিশোরী রীতিমতো ভূত দেখার মতো চমকে উঠে অন্দরমহলে চলে গেল। চেহারা-ছবির শ্রী কি এতই খারাপ হয়ে গেছে যে লোকে ভয় পেতে শুরু করেছে! সাধে কি আর গুরুজনরা বলে, মুখই মনের আয়না! নাহ, কাল থেকে ফের সানস্ক্রিনটা ঘষা ছাড়া উপায়ান্তর দেখছি না! অবশ্য কিছু সময় পরেই ভুল ভাঙল। হিজাব পরিধানের জন্যই ভেতরের ঘরে ঢুকে পড়েছে ওই কিশোরী। এখান থেকে অবশ্য বিফল মনোরথেই ফিরতে হলো। নাসি বা ভাত ছাড়া আপাতত কিছু নেই এখন।

মালয়েশিয়ান ডেজার্ট চেন্ডল
খানিক এগিয়ে একটা চৌরাস্তায় ফের থামলাম। জায়গাটা বেশ জমজমাট। ভুট্টার দানা, ক্রিমি ম্যাশড পটেটো আর চিকেনের মিশ্রণটা দারুণ লাগল জিভে। সঙ্গে নিলাম আমার ফেভারিট মালয়েশিয়ান ডেজার্ট চেন্ডল। খাবারের মাঝপথে রোদের মধ্যেই নামল ঝুম বৃষ্টি। দোকানের মালকিনের ঘরের সামনের চিলতে বারান্দায় সাইকেল দুটোর ঠাঁই হলো আপাতত। আমরা আধো ভেজা অবস্থাতেই দাঁত আর জিভের কসরত করছি। বৃষ্টি ধরে আসতেই ফের পথে। মিনিট দশেকের মধ্যে রক্তচক্ষু সূর্য চোখরাঙানো শুরু করল। অল্পক্ষণ বাদেই রাস্তা জুড়ে বৃষ্টির চিহ্ন উধাও।

সুংগাই সেমেরেক নদী
তক বালিতে এসে সড়কের উপর রঙিন একটা ট্রলার। সামনের সুংগাই সেমেরেক নদীর সেতুতে উঠতেই মোহনা চোখে পড়ল। সুংগাই সেমেরেক নদী মিশেছে দক্ষিণ চীন সাগরের সঙ্গে, দূরে আবছা দেখা যাচ্ছে পাহাড়। এ যাত্রায় প্রথমবারের মতো সাক্ষাৎ হলো দক্ষিণ চীন সাগরের সঙ্গে। আগামী কয়েক দিন দক্ষিণ চীন সাগরের পাশ ঘেঁষে ইস্ট কোস্ট ধরেই সাইকেল চালাব। আগেরবার মালয়েশিয়া এসে বিখ্যাত মালাক্কা প্রণালির পাশঘেঁষা জায়গাগুলোয় যাওয়ার সুযোগ হয়েছিল। এপাশটায় আসার সুযোগ হয়নি সেবার।

সেংগাই সেমেরেক নদী আর দক্ষিণ চীন সাগরের মোহনা
পথে পড়ছে ছোট-বড় নানান সাইজের লেগুন। আর লেগুনের ধার ঘেঁষে দেদার কাঁকড়া আর শামুক বিক্রি হচ্ছে। মালয়রা গাড়ি থামিয়ে কিনছে এসব সি-ফুড। আজকে রাস্তার পাশে প্রচুর পরিমাণ একাশিয়া গাছ পড়ছে। আমার অপছন্দের গাছগুলোর মধ্যে একটি এ গাছ।

বড় একটা জনপদের পর কেলানটান ছাড়িয়ে প্রবেশ করলাম তেরেংগানু প্রদেশে। এ পথের পঞ্চম প্রদেশ এটি। টানা চলে এ পথের প্রথম বড় শহর বেসুত-এ। শুক্রবার বলে বেশিরভাগ দোকানপাট বন্ধ। একটা সুন্দর গোরস্থান দেখে থামলাম। শহর ছাড়াতেই পথের দুপাশে অসংখ্য সেগুন গাছ, ফুল এসেছে বলে ঝকমক করছে রোদে।

পাম বাগান
ফের পাহাড় পড়ল পথে; নাম বুকিত কেলুয়াং। সাগরের কাছাকাছি এসেও পাহাড় পিছু ছাড়ছে না। আমাদের! সামনেই মোহনীয় সিক্রেট বিচ। কেলুয়াং বেসার নদী এখানে এসে মিশেছে দক্ষিণ চীন সাগরের সঙ্গে। প্রচণ্ড গরম আজকের আবহাওয়া।
গরমে মগজ গলে তরল হয়ে যাবে মনে হচ্ছে। অল্প এগিয়েই বুকিত বেবুস নামে আরও একটি পাহাড়। পথের ধারে চোখ রাখলে দেখা মেলে ঝাউ আর একাশিয়া গাছের। আর পথে চোখ রাখলে ভরদুপুরের গরমে মরীচিকার দৃষ্টিবিভ্রম দেখি। দূর থেকে দেখা পানি কাছে গেলেই হারিয়ে যায়!

নারকেলের তৈরি এক ধরনের পিঠা পুলুট বাকার
পরের কিছুটা পথ বিচ থেকে সরে জনপদের মধ্য দিয়ে। অবশ্য সৈকত অদূরেই। এদিকে প্রচুর পাম বাগানের মাঝে মাঝে কাশফুল। তবে এ কাশফুলের মাথাগুলো সাদা নয়; পাণ্ডুর বর্ণের। ব্যক্তিগত গাড়িগুলো রীতিমতো পাখা লাগিয়ে অতি দ্রুত পাশ ঘেঁষে যাচ্ছে। এদের গতির কাছে প্রাণ হারিয়ে কত প্রাণী পিষ্ট হয়ে স্টাফড অবস্থায় পড়ে আছে। হঠাৎ করেই আমার সাইকেলের পাশ ঘেঁষে এসে একটা গাড়ি গতি কমাল; সামনের সিটে বসা এক তরুণী নারকেলের তৈরি এক ধরনের পিঠা পুলুট বাকার হাতে তুলে দিল। বেশ অবাকই হলাম। বাংলাদেশ-ভারতের রাস্তায় এমন হঠাৎ আতিথেয়তার অভিজ্ঞতা থাকলেও মালয়েশিয়ার মতো উন্নত দেশে ব্যাপারটা খানিক অপ্রত্যাশিতই। এক স্কুলের সামনের যাত্রী ছাউনিতে বসে পুলুট বাকার এর সদ্ব্যবহার করলাম দুজনে।

সৈকত-লাগোয়া দুপুরের খাবার স্থান
ফের স্যাডলে। হঠাৎ খেয়াল করলাম, পুব আকাশ জলভারাতুর মেঘে ঢাকা। বৃষ্টি নামে নামে অবস্থা। পান্তাই পেনারিক পৌঁছে বিরা পাতা নামে এক রেস্তোরাঁয় সারলাম দুপুরের খাবার। এ খাবারের দোকান একদম সৈকত-লাগোয়া; এই ভরদুপুরেও লাইভ মিউজিকের ব্যবস্থা আছে। গায়কের কণ্ঠ যথেষ্ট ভালো। মিষ্টি চিলি সসে ডোবানো গরুর মাংস সমেত নাসি ডাগিং খেলাম আজ। আমাদের আজকের গন্তব্য ছিল পান্তাই পেনারিক। পান্তাই শব্দের অর্থ সৈকত। তবে বুকিং.কম ঘেঁটেও আমাদের বাজেটের হোটেল মেলেনি এখানে। তাই এগোতে হবে আরও পনেরো কিলোমিটারের পথ। সেখানেই আজকের রুমস্টে ঠিক করা।

মিষ্টি চিলি সসে ডোবানো গরুর মাংস সমেত নাসি ডাগিং
পরের পথটুকু একদম সাগরের পাড় ধরে। এখানের সৈকতটা বেশ ভঙুর। বিশাল সব পাথরের ব্লক ফেলে সমুদ্রের লোকালয়ের দিকে আসা ঠেকানো হয়েছে। দূরে উঁকি দিচ্ছে সমুদ্রের তলদেশ থেকে মাথা উঁচু করে দাঁড়ানো দারুণ সুন্দর সব পাহাড়। নারকেল বীথি আর ঝাউবনের ফাঁকে ফাঁকে সমুদ্র দেখতে দেখতে এগোচ্ছি। আকাশের অবস্থা ভালো ঠেকছে না খুব একটা। শুভ মেঘেদের গায়ে কে যেন কালি গুলে দিয়েছে।

রুম স্টে
বৃষ্টি আসার আগেই রুমস্টে-তে ঢুকে পড়তে চাই আমরা। আর্দ্র হাওয়াতে এবার গতির ঝড় তুললাম।
তবে উল্টোদিক থেকে আসা হেড উইন্ড (বিপরীতে বয়ে যাওয়া বাতাস) বারকতক ঝামেলায় ফেলল রীতিমতো। টানা চালিয়ে তেলাগা পাপনের পন্দক আবহ নামে রুমস্টেতে ঢুকলাম ৫টা নাগাদ। একটা নারকেল বাগানের মধ্যেই এই রুমস্টের অবস্থান। সঙ্গে অবশ্য মালয়েশিয়ান ড্রিংক ১০০ প্লাস বগলদাবা করে। রিহাইড্রেট করার জন্য এর চেয়ে ভালো পানীয় আর হয় না। মালয়েশিয়া-সিঙ্গাপুরে বেশ জনপ্রিয় এই পানীয়। অনেক ডাক্তার অনানুষ্ঠানিকভাবে রোগীদেরকে এ পানীয় পানের পরামর্শও দিয়ে থাকেন।

সৈকতে খেলছে মালয় শিশুরা
রুমস্টে এর মালকিন বুকিং.কম এ রুমের নম্বর কোডসহ সবকিছুই আগে পাঠিয়ে দিয়েছে। সে অনুযায়ী কোড দিতে গিয়েই ওপাশ থেকে বয়ষ্কা মালয় মহিলা কীসব খচরমচর করে বলতে শুরু করেছে। একটা বর্ণ বুঝছি না আমরা। বুকিং.কম এর মালকিনকে ফোন দেওয়ার খানিক বাদে বুঝলাম, এলাকায় বানরের দৌরাত্ম্যের কথা স্মরণ করিয়ে বাইরে কিছু না রাখতে বলছে বুড়ি! বিকালে হাঁটতে বেরোলাম সৈকতের দিকে। প্রচুর কেয়াবন পথে; আর শত শত বানর। সৈকতে এক মালয় পরিবারের সঙ্গে সূর্যাস্ত দেখে আরও একটা দিনের সমাপ্তি।

আন্তর্জাতিক ভ্রমণবিদেশ ভ্রমণবিশ্বভ্রমণদুই চাকায় মালয়েশিয়াবাবর আলী
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    খালে পড়ে ছিল যুবকের দুই হাত রশি দিয়ে বাঁধা মরদেহ, সঙ্গে ইট বাঁধা বস্তা

    খালে পড়ে ছিল যুবকের দুই হাত রশি দিয়ে বাঁধা মরদেহ, সঙ্গে ইট বাঁধা বস্তা

    মাইকিং করে ঘোষণা হলো শেখ হাসিনা ডিসেম্বরে দেশে ফিরবেন

    মাইকিং করে ঘোষণা হলো শেখ হাসিনা ডিসেম্বরে দেশে ফিরবেন

    ওসির বিরুদ্ধে বিকাশে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ

    ওসির বিরুদ্ধে বিকাশে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ

    ওসির সঙ্গে বাদানুবাদ, ‘আপনি বিরাট আওয়ামী লীগ ছিলেন’ বললেন রুমিন ফারহানা

    ওসির সঙ্গে বাদানুবাদ, ‘আপনি বিরাট আওয়ামী লীগ ছিলেন’ বললেন রুমিন ফারহানা

    হাতছাড়া এলাকার নিয়ন্ত্রণ নিতেই সাজেক অস্থির

    হাতছাড়া এলাকার নিয়ন্ত্রণ নিতেই সাজেক অস্থির

    ভোট টানতে জোট ভাঙছে হেফাজত!

    ভোট টানতে জোট ভাঙছে হেফাজত!

    সাংবাদিকদের গাড়ি আটকে চাঁদা আদায়ের চেষ্টা যুবদল নেতার!

    সাংবাদিকদের গাড়ি আটকে চাঁদা আদায়ের চেষ্টা যুবদল নেতার!

    সন্তানের সামনেই মারধর, ন্যায়বিচার চান মা তানিশা

    সন্তানের সামনেই মারধর, ন্যায়বিচার চান মা তানিশা

    মনে রাখতে হবে আমরা কী মন্ত্রে দেশ স্বাধীন করেছি!

    মনে রাখতে হবে আমরা কী মন্ত্রে দেশ স্বাধীন করেছি!

    শিক্ষার্থীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে মাদ্রাসা শিক্ষককে মারধর

    শিক্ষার্থীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে মাদ্রাসা শিক্ষককে মারধর

    রাস্তার পাশে জিজ্ঞাসাবাদ করছিল পুলিশ, কাভার্ড ভ্যানচাপায় এসআইসহ নিহত ২

    রাস্তার পাশে জিজ্ঞাসাবাদ করছিল পুলিশ, কাভার্ড ভ্যানচাপায় এসআইসহ নিহত ২

    বনমালী

    বনমালী

    সংগীতশিল্পী আসিফ আকবরের গাড়িতে গুলি

    সংগীতশিল্পী আসিফ আকবরের গাড়িতে গুলি

    কৃষিপণ্যে হেলায় ক্ষতি বছরে ২৯ হাজার কোটি

    কৃষিপণ্যে হেলায় ক্ষতি বছরে ২৯ হাজার কোটি

    পদ্মা যমুনায় এক সেতু রেললাইন ছাড়া

    পদ্মা যমুনায় এক সেতু রেললাইন ছাড়া