Agamir Somoy E-Paper
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর জন্য রক্ত সংগ্রহে ছোটেন আইয়ুব
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় ফিচার

খাবার কি সত্যি মন ভালো রাখে?

লাইফস্টাইল ডেস্ক
agamir somoy
প্রকাশ: ২৩ মার্চ ২০২৬, ১৩:০০
খাবার কি সত্যি মন ভালো রাখে?

প্রতীকী ছবি

খিদে পেলে আমরা খাই, এটা স্বাভাবিক। কিন্তু সব খাওয়া কি শুধু ক্ষুধার জন্য? কোনো কোনো দিন হঠাৎই ইচ্ছে করে গরম ভাতের সঙ্গে ডাল আর আলুভর্তা, বা বৃষ্টির দিনে খিচুড়ি খেতে ভালো লাগে। আবার মন খারাপ হলে কেউ চকলেট খোঁজে, কেউ চা। এই যে খাবারের সঙ্গে মনের এমন টান, এটাকেই বলে ‘কমফোর্ট ফুড’।
তার মানে খাবার যে কেবল পেট ভরায় তা নয়। মনও ভালো রাখে।

স্মৃতির স্বাদ

কমফোর্ট ফুডের সঙ্গে জড়িয়ে থাকে স্মৃতি। ছোটবেলায় মায়ের হাতে বানানো পায়েস, দাদির রান্না করা মুরগির ঝোল‌ এসব শুধু খাবার নয়, একটা সময়, একটা নিরাপদ অনুভূতি। মনোবিজ্ঞানের ভাষায় একে বলা হয় “ইমোশনাল অ্যাসোসিয়েশন”—একটি স্বাদ, একটি গন্ধ, আমাদের সরাসরি ফিরিয়ে নিয়ে যায় অতীতে। তাই একই খাবার খেলে আজও সেই নিরাপত্তা, সেই ভালোবাসার অনুভূতি ফিরে আসে। মন ভালো হয়।

মস্তিষ্ক ও হরমোনের সম্পর্ক

খাবার আর মনের সম্পর্ক শুধু আবেগে নয়, শরীরের ভেতরেও এর বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা আছে।

কার্বোহাইড্রেট-সমৃদ্ধ খাবার শরীরে সেরোটোনিন বাড়াতে সাহায্য করে—যাকে বলা হয় ‘হ্যাপি হরমোন’। আবার চকলেট খেলে ডোপামিন নিঃসরণ হয়, যা মুহূর্তেই ভালো লাগা তৈরি করে। তাই স্ট্রেস, দুঃখ বা একঘেয়েমির সময় আমরা অজান্তেই সেই খাবারের দিকেই ঝুঁকে পড়ি, যেগুলো আমাদের মস্তিষ্ককে সাময়িক স্বস্তি দেয়।

স্ট্রেস ইটিং

অনেকেই হয়তো খেয়াল করেন না—মন খারাপ হলেই বারবার কিছু না কিছু খাচ্ছেন। এটাকে বলা হয় ‘স্ট্রেস ইটিং’ বা ‘ইমোশনাল ইটিং’। এতে সমস্যা হলো, তখন আমরা শরীরের চাহিদা বুঝে নয়, মনের চাপ কমাতে খাই। ফলে প্রয়োজনের চেয়ে বেশি খাওয়া হয়ে যায়, বিশেষ করে মিষ্টি বা ফাস্টফুড। এতে সাময়িক ভালো লাগলেও পরে শরীরে ক্লান্তি, ওজন বাড়া, এমনকি অপরাধবোধও তৈরি হতে পারে।

সংস্কৃতি ও কমফোর্ট ফুড

কমফোর্ট ফুড শুধু ব্যক্তিগত নয়, সাংস্কৃতিকও। আমাদের দেশে খিচুড়ি, পান্তা-ইলিশ, গরম ভাতের সঙ্গে ভর্তা—এসবই অনেকের কমফোর্ট ফুড। অন্য দেশে হয়তো সেটা স্যুপ, পাস্তা বা ব্রেড। অর্থাৎ, যে খাবারের সঙ্গে আপনি বড় হয়েছেন, যেটা আপনার জীবনের অংশ—সেটাই আপনার কমফোর্ট ফুড হয়ে ওঠে।

একাকীত্বে খাবারের ভূমিকা

শহুরে জীবনে একা থাকা এখন খুব সাধারণ। এই একাকীত্বে অনেক সময় খাবার হয়ে ওঠে নীরব সঙ্গী। এক কাপ গরম চা, এক প্লেট প্রিয় খাবার—এগুলো শুধু খাওয়া নয়, নিজেকে একটু সময় দেওয়া। এই ছোট ছোট রুটিনই মানসিক ভারসাম্য ধরে রাখতে সাহায্য করে।

সচেতনতা

কমফোর্ট ফুড খারাপ কিছু নয়, তবে সেটাকে সচেতনভাবে গ্রহণ করা জরুরি।
* খুব দ্রুত বা অচেতনভাবে খাওয়ার বদলে ধীরে ধীরে উপভোগ করুন।
* মন খারাপ হলেই খাবার নয়—কখনো হাঁটা, গান শোনা বা কথা বলা চেষ্টা করুন।
* হালকা ও স্বাস্থ্যকর কমফোর্ট ফুড বেছে নিন, যেমন স্যুপ, ফল, ঘরে তৈরি খাবার।

নিজের কমফোর্ট খুঁজে নিন

প্রতিটি মানুষের কমফোর্ট ফুড আলাদা। কারও জন্য সেটা চা, কারও জন্য বিরিয়ানি, কারও জন্য হয়তো শুধু একটা আপেল। গুরুত্বপূর্ণ হলো—আপনি কীসে শান্তি পান। সেই খাবারটুকু সময় নিয়ে, মন দিয়ে উপভোগ করুন।

খাবারমন ভালো রাখাস্বাদ
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise