Agamir Somoy E-Paper
শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
বেলালের ‘মানবতার স্কুল’
শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় বিজ্ঞান+প্রযুক্তি

এআইয়ের উত্থানে কার সম্ভাবনা, ঝুঁকিতে কে

আফিয়া মাসউদা
agamir somoy
প্রকাশ: ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:১২
এআইয়ের উত্থানে কার সম্ভাবনা, ঝুঁকিতে কে

সংগৃহীত ছবি

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা। সবাই চেনে এক নামে, এআই। বর্তমানে প্রযুক্তি বিশ্বের সবচেয়ে আলোচিত বিষয় এই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা। সময়ের সঙ্গে এআই হয়েছে আরও শক্তিশালী ও বহুমুখী। প্রযুক্তির গণ্ডি পেরিয়ে রীতিমতো বদলে দিচ্ছে অর্থনীতি ও কর্মসংস্থানের চিত্র। প্রশাসনিক থেকে সৃজনশীল, বিভিন্ন কাজে বাড়ছে এআইর ব্যবহার। এআই ব্যবহারের এই প্রবণতা এখন সামনে এনেছে কয়েকটি প্রশ্ন। এর মধ্যে বড় প্রশ্নটি হলো— সম্ভাবনার এআই আমাদের ভবিষ্যৎকে কীভাবে বা কতটুকু ঝুঁকিতে ফেলতে পারে?

কর্মক্ষেত্রে কাজের ধরন অনুযায়ী প্রধানত চার ধরনের এআই ব্যবহার হয়ে থাকে। প্রথমত, জেনারেটিভ এআই, এটি নতুন কনটেন্ট তৈরি করে, যেমন— চ্যাটজিপিটি দিয়ে ইমেইল বা রিপোর্ট লেখা। দ্বিতীয়ত, প্রেডিক্টিভ এআই, এটি ভবিষ্যৎ ঘটনা বা আচরণ অনুমান করে, যেমন নেটফ্লিক্সের সিনেমা রেকমেন্ডেশন বা ব্যাংকের জালিয়াতি ধরা। তৃতীয়ত, অ্যাসিস্টিভ এআই, যেটি মানুষের কাজ সহজ করে, যেমন— মাইক্রোসফট কোপাইলট দিয়ে ডকুমেন্ট তৈরি বা সারাংশ করা এবং গুগল ম্যাপস দিয়ে রুট সাজেস্ট করা।

চতুর্থত, এজেন্টিক এআই, যেটি নিজে থেকে একাধিক ধাপের কাজ সম্পন্ন করতে পারে, যেমন— কোনো এআই এজেন্ট দিয়ে ইমেইল পড়ে তথ্য সংগ্রহ, ক্যালেন্ডারে মিটিং খোঁজা এবং প্রয়োজনীয় উত্তর প্রস্তুত করা।

আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও) ও পোল্যান্ডের ন্যাশনাল রিসার্চ ইনস্টিটিউটের ২০২৫ সালের গবেষণা অনুযায়ী, বিশ্বব্যাপী প্রায় চারজন কর্মীর একজন এমন পেশায় রয়েছেন, যার কোনো না কোনো অংশ জেনারেটিভ এআই দ্বারা প্রভাবিত। তবে গবেষণাটি একই সঙ্গে বলছে, অধিকাংশ ক্ষেত্রে পুরো চাকরি বিলুপ্ত হওয়ার চেয়ে কাজের ধরন পরিবর্তিত হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। বর্তমানে অধিকাংশ চাকরিতেই রয়েছে এআইর প্রভাব। তবে সব পেশায় তা সমান নয়। এআইর সামনে সবচেয়ে বেশি চ্যালেঞ্জের মুখোমুখী হচ্ছে সেসব পেশা, যেখানে কাজের ধরন পুনরাবৃত্তিমূলক, নিয়মমাফিক বা সাধারণ ডেটা প্রক্রিয়াকরণের ওপর নির্ভরশীল।

এআইর চ্যালেঞ্জ বেশি যেসব পেশায়: যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত এআই নিরাপত্তা ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান অ্যানথ্রোপিক। মূলত নির্ভরযোগ্য ও নিয়ন্ত্রণযোগ্য এআই সিস্টেম তৈরির লক্ষ্যে কাজ করে প্রতিষ্ঠানটি। তাদের চলতি বছরের মার্চ মাসের একটি রিপোর্টে উঠে এসেছে চাকরির সঙ্গে এআইর একটি বিস্ময়কর সমীকরণ। এআইর প্রভাবে সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত হতে পারে— এমন ১০টি পেশা চিহ্নিত করেছে অ্যানথ্রোপিক। সেখানে প্রতিষ্ঠানটি দেখিয়েছে কোন কোন পেশায় সবচেয়ে বেশি ব্যবহার হয় তাদের তৈরি এআই অ্যাসিস্ট্যান্ট ক্লোড। প্রথম পেশা, যেটির সঙ্গে এআই জড়িত, সেটি কম্পিউটার প্রোগ্রামিং। অর্থাৎ যেকোনো কোড লিখে দিতে ৭৫ শতাংশ সঠিকভাবে কাজ করতে সক্ষম এআই। এরপরই এআইর ব্যবহার রয়েছে গ্রাহকসেবা প্রতিনিধি (৭০ শতাংশ), ডেটা এন্ট্রি অপারেটর (৬৭ শতাংশ), মেডিকেল রেকর্ড বিশেষজ্ঞ (৬৭ শতাংশ), বাজার গবেষণা বিশ্লেষক ও বিপণন বিশেষজ্ঞ (৬৫ শতাংশ), বিক্রয় প্রতিনিধি (৬৩ শতাংশ), আর্থিক ও বিনিয়োগ বিশ্লেষক (৫৭ শতাংশ), সফটওয়্যার কোয়ালিটি অ্যাসিউরেন্স বিশ্লেষক (৫২ শতাংশ), তথ্য নিরাপত্তা বিশ্লেষক (৪৯ শতাংশ) এবং কম্পিউটার ব্যবহারকারী সহায়তা বিশেষজ্ঞ (৪৭ শতাংশ) এর মতো কাজে। এসব পেশার ক্ষেত্রে প্রায় নির্ভুলভাবে তথ্য শ্রেণিবিন্যাস, সাজানো এবং বিশ্লেষণের কাজ করতে সক্ষম কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা। যেকোনো এআই চ্যাটবটে সুস্পষ্ট নির্দেশনা প্রদানের মাধ্যমে অল্প সময়েই এসব কাজ নিখুঁতভাবে করে দিতে পারে এআই। ফলে আসছে বিশ্বে এসব পেশার জন্য লোকবল নিয়োগ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিতে পারে অনেক প্রতিষ্ঠান এবং সেই জাগায় কাজে থাকতে পারে তাদের প্রশিক্ষিত এআই মডেল।

মাইক্রোসফট ২০২৫ সালে এমন ৪০টি পেশার তালিকা প্রকাশ করে, যেগুলো সরাসরিভাবে প্রভাবিত হয় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দ্বারা। বিখ্যাত প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানটির তালিকার ওপরের দিকেই ‘সবচেয়ে বেশি ঝুঁকির’ মুখে রয়েছে ইতিহাসবিদ, অনুবাদক এবং বিক্রয় প্রতিনিধিদের মতো পেশাগুলো। যদিও মাইক্রোসফট জানিয়েছে, এআইর সঙ্গে কাজের মিল থাকার অর্থই এই নয় যে, ওই পেশাগুলো পুরোপুরি বিলুপ্ত হয়ে যাবে। তবে কর্মদক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে অনেক নিয়োগকর্তাই এখন নতুন কর্মী নিয়োগ স্থগিত রাখছেন এবং বিভিন্ন পদ ছাঁটাই করছেন বলেও উল্লেখ করা হয় ব্যবসায়িক ম্যাগাজিন ফরচুনের চলতি বছরের এপ্রিল মাসের একটি প্রতিবেদনে।

যেসব পেশায় কম এআইর চ্যালেঞ্জ: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রভাবে অনেক চাকরি টিকে থাকা নিয়ে রয়েছে উদ্বেগ। তবে হাজারো পেশার মধ্যে এমন অনেক পেশা আছে, যেগুলো এআই চাইলেও পারবে না ধ্বংস করতে। যেসব কাজে মানুষের সরাসরি উপস্থিতি, যোগাযোগ, সহানুভূতি ও দ্রুত সিদ্ধান্ত দরকার, সেখানে এআই সাধারণত মানুষের বিকল্প নয়; বরং সহায়ক হিসেবে কাজ করে। তবে স্বাস্থ্যসেবা, নার্সিং, ব্যক্তিগত পরিচর্যা, সামাজিক কাজ, নির্মাণ, কৃষি এবং বিভিন্ন ফ্রন্টলাইন পেশায় এআইর ব্যবহার বাড়লেও এসব কাজের বড় অংশ বাস্তব জগতের মানুষের উপস্থিতির ওপর নির্ভরশীল। চলতি বছরের মে মাসে সার্জারিতে এআইর ব্যবহার এবং এটির ভবিষ্যৎ নিয়ে একটি রিপোর্ট প্রকাশ করে ন্যাচার জার্নাল।

‘দ্য ফিউচার অব রোবোটিক সার্জারি ইন দ্য এজ অব আর্টিফিশিয়াল ইন্টালিজেন্স’ শীর্ষক রিপোর্টটিতে বলা হয়, স্বাস্থ্য খাতে বা সার্জারিতে জেনারেটিভ এআই একজন রোগীর শরীরের ভেতরের তথ্য বুঝতে, ঝুঁকি অনুমান করতে এবং সঠিক ফিডব্যাক দিতে সাহায্য করবে। তবে এআইর সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণই থাকবে চিকিৎসকের হাতে। রিপোর্টে আরও উল্লেখ করা হয়, প্রাথমিক গবেষণায় দেখা গেছে, এআই ভুল কমাতে, সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করতে এবং শেখার সময় কমাতে পারে। বিশেষ করে অ্যানাটমি শনাক্তকরণ, সার্জারি নেভিগেশন, ভুল শনাক্তকরণ এবং টেলিসার্জারিতে এর ব্যবহার হতে পারে গুরুত্বপূর্ণ। এক্ষেত্রে এআইর ব্যবহার হবে মানবজাতির সহায়ক হিসেবে।

ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের ফিউচার অব  জব রিপোর্ট ২০২৫-এর তথ্য অনুযায়ী ২০৩০ সাল পর্যন্ত কৃষি, ডেলিভারি, নির্মাণ, বিক্রয় এবং খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ-সংক্রান্ত অনেক চাকরিতে প্রত্যাশা রয়েছে প্রবৃদ্ধির। একই সঙ্গে নার্সিং, ব্যক্তিগত পরিচর্যা, সামাজিক কাজ এবং শিক্ষার মতো ক্ষেত্রেও কর্মসংস্থান বৃদ্ধির কথা বলা হয়েছে রিপোর্টটিতে। অর্থাৎ, এআইর যুগে ‘কম চ্যালেঞ্জ’ বলতে এআইর কোনো প্রভাব নেই, এমনটা বোঝায় না। বরং এসব পেশায় কাজের কিছু অংশ প্রযুক্তিনির্ভর হলেও মানুষের শারীরিক উপস্থিতি, সামাজিক দক্ষতা ও বাস্তব অভিজ্ঞতার গুরুত্ব বজায় থাকতে পারে। এ বিষয়ে অ্যাক্সিওসের চলতি বছরের মার্চ মাসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, আইনপ্রণেতারা, এইচআর  ব্যবস্থাপক, কৃষক, খামারি ও কৃষি ব্যবস্থাপক, খাদ্যসেবা ব্যবস্থাপক এবং পোস্টমাস্টার ও ডাক তত্ত্বাবধায়কের পেশাগুলো এআই চ্যালেঞ্জের অন্তর্ভুক্ত নয়।

এআই বনাম মানবশ্রম: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বিকাশে এরই মধ্যে অনেক বিকল্প পেশা যুক্ত হয়েছে চাকরিবাজারে। এআইকে হুমকি হিসেবে না দেখে অনেক নিয়োগকর্তা দেখছেন সুযোগ হিসেবে। আধুনিক যুগের এই প্রযুক্তির সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করতে আগ্রহী অনেক প্রতিষ্ঠান। নিউ ইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সিলিকন ভ্যালির সফটওয়্যার নির্মাতা বক্স আরও অনেক কর্মী নিয়োগ দেওয়ার ব্যাপারে আশাবাদী। এআইকে মাথায় রেখে তৈরি করা হয়েছে নানান পেশাগত পদ। এর মধ্যে আছে এআই স্থপতি, এআই সলিউশন ম্যানেজার, এআই ট্রেনার, প্রোম্পট ইঞ্জিনিয়ার, ডেটা সংগ্রাহক ও তত্ত্বাবধায়ক এবং অন্যান্য এআইভিত্তিক পদ।

তবে ক্রমেই শক্তিশালী ও বড় হয়ে ওঠা এআই নিয়ে আছে শঙ্কা। যুক্তরাষ্ট্রের এমআইটি স্লোয়ান স্কুল অব ম্যানেজমেন্ট তাদের ওয়েবসাইটে এআই-সংক্রান্ত সবচেয়ে জরুরি ঝুঁকি নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে এই বছরের জুলাই মাসে। সেখানে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, প্রতিষ্ঠানটির ফিউচারটেকের গবেষক পিটার স্ল্যাটারি বলেছেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইচালিত অস্ত্র এবং সাইবার হামলার বিষয়টি বিপর্যয় তালিকার ওপরের দিকে রয়েছে। কারণ কোডিং, প্যাটার্ন শনাক্তকরণ এবং তথ্যের সমন্বয় সাধনের ক্ষেত্রে এআই বিশেষভাবে কার্যকর। বর্তমানের অধিকাংশ অবকাঠামোই সফটওয়্যারের ওপর নির্ভরশীল। এই সফটওয়্যার ব্যবস্থাগুলোতে এমন অনেক দুর্বল দিক বা ‘অ্যাটাক সারফেস’ (হামলার সুযোগ) থাকে, যা সম্ভাব্য হ্যাকারদের দুর্বলতা শনাক্ত করতে, কোড তৈরি করতে কিংবা আক্রমণাত্মক সাইবার কার্যক্রম ত্বরান্বিত করতে সহায়তা করতে পারে। স্ল্যাটারি আরও বলেছেন, ‘সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে আঘাত হানা ও ক্ষতি সাধনের জন্য এআই অনন্যভাবে সক্ষম। কোডিং এবং হ্যাকিং হলো এমন কিছু ক্ষেত্র, যেখানে এআইর সক্ষমতার দ্রুততম বিকাশ আমরা প্রত্যক্ষ করছি।’

বাংলাদেশে কর্মক্ষেত্রে এআইর ভবিষ্যৎ: বাংলাদেশের কর্মসংস্থার ভবিষ্যৎ নিয়ে চলতি বছরের জুলাই মাসে একটি গবেষণা পরিচালনা করে দ্য সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগ (সিপিডি)। সেখানে উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশ শ্রমবাজারে এক গভীর রূপান্তরের প্রক্রিয়ায় প্রবেশ করছে, অথচ একই সঙ্গে উল্লেখযোগ্য কাঠামোগত দুর্বলতাও বহন করছে। কেবল অটোমেশনের কারণেই তৈরি পোশাক (আরএমজি) খাতের প্রায় ১২ লাখ ২০ হাজার কর্মসংস্থান ঝুঁকির মুখে রয়েছে এবং ২০৪১ সালের মধ্যে এ খাতে নিয়োজিত নারীদের কর্মসংস্থানের প্রায় ৬০ শতাংশই বিলুপ্ত হয়ে যেতে পারে।

লাইট ক্যাসেল পার্টনারসের জুলাই মাসে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে বলা হয়, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা থেকে পূর্ণাঙ্গ সুবিধা লাভের জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামোর অভাব রয়েছে দক্ষিণ এশিয়ায়। ‘অক্সফোর্ড ইনসাইটস গভর্নমেন্ট এআই রেডিনেস ইনডেক্স ২০২৫’-এ এই ঘাটতির বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে। ইনডেক্সে উত্তর আমেরিকা ও পশ্চিম ইউরোপের উন্নত অর্থনীতিগুলো অর্জন করেছে ৬০ বা তার বেশি স্কোর। এই স্কোরগুলো ডিজিটাল অবকাঠামো, গবেষণার সক্ষমতা এবং প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর ক্ষেত্রে কয়েক দশক ধরে করা বিনিয়োগের প্রতিফলন। এর বিপরীতে, দক্ষিণ এশিয়া ও সাব-সাহারা অঞ্চলের দেশগুলোর স্কোর ৫০-এর নিচে। সেখানে আরও উল্লেখ করা হয়, প্রযুক্তি, তৈরি পোশাকশিল্প এবং ব্যবসায়িক সেবায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ছে। তবে ডিজিটাল দক্ষতা, কর্মীদের প্রস্তুতি, গবেষণা এবং বিনিয়োগের অভাব এআইর মাধ্যমে দেশের ব্যাপক অর্থনৈতিক উন্নয়নকে বাধাগ্রস্ত করছে। তবে এর মধ্যেও কিছুটা হলেও আছে আশার আলো। প্রস্তুতির কিছু ঘাটতি থাকলেও, বাংলাদেশ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তি থেকে হতে পারে উপকৃত। সঠিক পরিবেশ থাকলে এআই এরই মধ্যে ভালো ফল দিচ্ছে। সেবা খাতে মোবাইল আর্থিক সেবা ও প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো দক্ষতা বাড়াতে এরই মধ্যে শুরু করেছে এআই ব্যবহার।

উল্লেখ, গত ১০ সেপ্টেম্বর দেশের শীর্ষস্থানীয় টেলিযোগাযোগ সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান গ্রামীণফোন সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই সেবা পৌঁছে দিতে মাইজিপি অ্যাপে চালু করেছে ‘ওয়ানএআই’ নামক একটি নতুন ও যুগান্তকারী প্ল্যাটফর্ম। এর মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা এখন থেকে একটিমাত্র ইন্টারফেস এবং একক সাবস্ক্রিপশনের আওতায় চ্যাটজিপিটি, ক্লড, গ্রক, ডিপসিক ও জেমিনাইয়ের মতো বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় একাধিক এআই মডেল এবং টুল একসঙ্গে ব্যবহার করার সুবিধা পাবেন। পৃথকভাবে বিভিন্ন এআই প্ল্যাটফর্মে সাবস্ক্রিপশন নেওয়ার ঝামেলা দূর করে দেশের প্রযুক্তিপ্রেমী ও সাধারণ গ্রাহকদের জন্য এআই ব্যবহার আরও সহজ, সুলভ ও সাশ্রয়ী করার লক্ষ্যেই এই সেবাটি আনা হয়েছে।

রাজধানীর জিপি হাউজে আয়োজিত ‘এআই অ্যান্ড আই ডে’ উপলক্ষে এক বিশেষ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে এই ওয়ানএআই সেবার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রীর ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়বিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ। দেশের ডিজিটাল রূপান্তরে এআইর গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেছেন, ‘২০৩৪ সালের মধ্যে ১ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়ার যে লক্ষ্য সরকারের রয়েছে, তাতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভূমিকা অপরিহার্য।’

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাএআইসম্ভাবনাসম্ভাবনা ঝুঁকি
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    একদিনে রাজধানীর ৮ স্থানে ককটেল বিস্ফোরণ, আহত রিকশাচালক

    একদিনে রাজধানীর ৮ স্থানে ককটেল বিস্ফোরণ, আহত রিকশাচালক

    কোটি টাকার বর্জ্য অপসারণের গাড়ি গ্যারেজে কঙ্কাল

    কোটি টাকার বর্জ্য অপসারণের গাড়ি গ্যারেজে কঙ্কাল

    ৬ মাসের সংসার শেষ ৭০ হাজার টাকার বিরোধে

    ৬ মাসের সংসার শেষ ৭০ হাজার টাকার বিরোধে

    মক্কায় আলোচিত যত হামলা

    মক্কায় আলোচিত যত হামলা

    প্রধানমন্ত্রীকে সতর্ক করলেন নাহিদ

    প্রধানমন্ত্রীকে সতর্ক করলেন নাহিদ

    দেশে আওয়ামী লীগ পুনর্বাসিত হলে দায় জামায়াত-এনসিপির

    দেশে আওয়ামী লীগ পুনর্বাসিত হলে দায় জামায়াত-এনসিপির

    যে দেশ ছাড়েন, চাইলে আবার ঢুকতেও পারেন: রুমিন ফারহানা

    যে দেশ ছাড়েন, চাইলে আবার ঢুকতেও পারেন: রুমিন ফারহানা

    ডেঙ্গু থেকে সতর্ক হোন

    ডেঙ্গু থেকে সতর্ক হোন

    পে স্কেলের প্রজ্ঞাপন প্রকাশ হচ্ছে আজ

    পে স্কেলের প্রজ্ঞাপন প্রকাশ হচ্ছে আজ

    ভিডিও ভাইরালের পর ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’ থেকে পাভেল বাদ!

    ভিডিও ভাইরালের পর ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’ থেকে পাভেল বাদ!

    অন্যদের লক্ষ্য অর্জন বাংলাদেশের অংশগ্রহণ

    অন্যদের লক্ষ্য অর্জন বাংলাদেশের অংশগ্রহণ

    ফুটপাত ছেড়ে প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া বাড়িতে সেই গোলাপি বেগম

    ফুটপাত ছেড়ে প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া বাড়িতে সেই গোলাপি বেগম

    তেজগাঁও মসজিদে ‘গোপন বৈঠক’, জঙ্গি সন্দেহে আটক ২৩

    তেজগাঁও মসজিদে ‘গোপন বৈঠক’, জঙ্গি সন্দেহে আটক ২৩

    পরীক্ষায় নকল করায় ছাত্রদল ও হল সংসদ নেতাকে শাস্তি দিল ঢাবি

    পরীক্ষায় নকল করায় ছাত্রদল ও হল সংসদ নেতাকে শাস্তি দিল ঢাবি

    চার বছর পর গড়াইয়ের বুকে নৌকাবাইচ

    চার বছর পর গড়াইয়ের বুকে নৌকাবাইচ