হরর ছবি
দ্য শ্রাইন

সাংবাদিক কারমেন এবং তার ফটোগ্রাফার প্রেমিক মার্কাস এ চলচ্চিত্রের প্রধান দুই চরিত্র। তাদের সম্পর্কটা বেশ কিছুদিন ধরে ভালো যাচ্ছিল না। এর মধ্যে কারমেন শোনে পোল্যান্ডের ‘আলভানিয়া’ গ্রাম থেকে হুট করেই পর্যটকরা গায়েব হতে শুরু করেছে। এমনকি তাদের সরঞ্জামগুলো মেলে গ্রাম থেকে বহু দূরে। ওই গ্রামটাও নাকি বেশ রহস্যময়, ওখানকার বাসিন্দারা বাইরের লোকদের সঙ্গে তেমন কথা বলতে চায় না। গ্রামের ধারে বনের ভেতর এমন একটি জায়গা রয়েছে, যা সবসময় কুয়াশাচ্ছন্ন থাকে। কারমেন নিজের বসকে বারবার অনুরোধ করে তাকে যেন ওই গ্রামটি নিয়ে রিপোর্ট করার সুযোগ দেওয়া হয়, কিন্তু তিনি ব্যাপারটা তেমন পাত্তা দেন না।
অবশেষে কারমেন ঠিক করে বসের অনুমতি ছাড়াই ওই গ্রামে যাবে। শিক্ষানবিশ সারাও ওর সঙ্গে যেতে রাজি হয়। মার্কাস শুরুর দিকে আগ্রহী না হলেও পরে রাজি হয়ে যায়। তিনজন মিলে চলে যায় সেই গ্রামে। কিন্তু গ্রামটা বেশ অদ্ভুত। এখানকার লোকদের পোশাকও বেশ পুরনো ধাঁচের। কেউই পর্যটকদের সঙ্গে কথা বলতে তেমন আগ্রহী নয়।
একটা সময় বনের সেই কুয়াশাঢাকা জায়গাটার কাছাকাছি চলে যায় ওরা তিনজন। সারা আর কারমেন একে একে প্রবেশ করে ভেতরে। দুজনই কুয়াশার মধ্যে কালো পাথরের তৈরি একটা ভয়ংকর মূর্তি দেখতে পায়!
এরপর বনের মধ্যে পথ হারিয়ে ফেলে! একসময় গ্রামবাসীরা ওদের ধাওয়া করে। হুট করেই সারার মধ্যে অদ্ভুত এক পরিবর্তন আসে, বমি করতে শুরু করে সে।
এরপর কী হবে? জানতে হলে মুভিটি পুরো দেখতে হবে। যাদের ‘সিক্রেট কাল্ট’ নিয়ে তৈরি মুভিগুলোতে আগ্রহ আছে, তারা এটি দেখে বেশ মজা পাবেন। তবে শেষের দিকে একটা বেশ ভালো রকমের টুইস্ট আছে।
কানাডিয়ান
চলচ্চিত্রটি মুক্তি পেয়েছিল ২০১০ সালে। এটির
পরিচালক ছিলেন মোট চারজন।




