একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
বহুনির্বাচনী প্রশ্ন ও উত্তর প্রস্তুতি
- উৎপাদন ব্যবস্থাপনা ও বিপণন প্রথম পত্র

গ্রাফিকস: আগামীর সময়
(গত সংখ্যার পর)
জ্ঞানমূলক এবং অনুধাবনমূলক প্রশ্ন
৫৯. শিল্প বিপ্লবের পরবর্তী যুগ ধরা হয় — ১৮৫০-১৯৫০ সালকে।
৬০. ক্রেতা কেিন্দ্রকতার ক্ষেত্রে বিবেচিত হয় — ক্রেতার পছন্দ, আয়, চাহিদা ও প্রতিযোগিতার মোকাবিলা।
৬১. গ্যান্ট চার্টের প্রবর্তক — হেনরি এল গ্যান্ট।
৬২. গ্যান্ট চার্টের উদ্দেশ্য — সময় নিরীক্ষণ।
৬৩. F. W. Tylor বৈজ্ঞানিক ব্যবস্থাপনার নীতি প্রদান করেছেন ৪টি এবং হেনরি ফেয়ল — ১৪টি।
৬৪. একটি নির্দিষ্ট সময়ে কোনো প্রতিষ্ঠান তার সব উপকরণ ব্যবহার করে যে পরিমাণ পণ্য বা সেবা উৎপাদন করে তাকে উৎপাদন মাত্রা বলে।
৬৫. উৎপাদন বৃদ্ধি পেলেও একটি নির্দিষ্ট স্তর পর্যন্ত অপরিবর্তিত থাকে — স্থির ব্যয়।
৬৬. ক্ষুদ্র উৎপাদনকারী শিল্পের ন্যূনতম মূলধন — ৭৫ লাখ টাকা।
৬৭. মাঝারি উৎপাদনকারী শিল্পে সর্বনিম্ন মূলধন — ১৫ কোটি টাকা।
৬৮. বৃহদায়তন উৎপাদন শিল্পে সর্বনিম্ন মূলধন — ৫০ কোটি টাকা।
৬৯. বৃহদায়তন সেবা শিল্পে সর্বনিম্ন মূলধন — ৩১ কোটি টাকা।
৭০. বৃহদায়তন শিল্পে সর্বনিম্ন শ্রমিক সংখ্যা:
উৎপাদন ক্ষেত্রে — ৩০১ জন, সেবার ক্ষেত্রে — ১২১ জন।
৭১. মাঝারি উৎপাদনকারী এন্টারপ্রাইজের কর্মীর সংখ্যা — ১২১-৩০০ জন।
৭২. সেবাধর্মী ক্ষুদ্রায়তন এন্টারপ্রাইজের কর্মীর সংখ্যা — ১৬-৫০ জন।
৭৩. উৎপাদনের মাত্রা উৎপাদনের পরিমাণ নির্দেশ করে।
৭৪. ক্ষুদ্র উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের সর্বোচ্চ কর্মী সংখ্যা— ১২০ জন।
৭৫. উৎপাদন ব্যয় ২ প্রকার। যথা: ক) স্থায়ী ব্যয়, খ) পরিবর্তনশীল ব্যয়।
৭৬. ক্ষুদ্র ও মাঝারি প্রতিষ্ঠানের মালিকানা সাধারণত— একক মালিকানা।
৭৭. ক্ষুদ্র ও মাঝারি প্রতিষ্ঠানের প্রাথমিক মূলধন সাধারণত জোগান দেয়— মালিক।
৭৮. সর্বোচ্চ দক্ষতা কাজে লাগিয়ে সর্বনিম্ন ব্যয়ে উৎপাদন করাকে মিতব্যয়ী উৎপাদন মাত্রা বলে।
৭৯. পণ্য উৎপাদনের মাত্রা বৃদ্ধি পেলেও স্থির ব্যয় অপরিবর্তিত থাকে।
৮০. পণ্য উৎপাদনের মাত্রা পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে পরিবর্তনশীল ব্যয় পরিবর্তন হয়।
৮১. মাত্রাজনিত ব্যয় সংকোচন কাজের কাম্য স্তরকে নির্দেশ করে।
৮২. উৎপাদন বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি গড় ব্যয় হ্রাস পেলে তাকে বলে মিতব্যয়ী উৎপাদন।
৮৩. উৎপাদনের একটি নির্দিষ্ট মাত্রার পর গড় উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি পেলে তাকে বলে অমিতব্যয়ী উৎপাদন।
৮৪. উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের সর্বোচ্চ পণ্যের মান নিশ্চিতের সচেষ্ট থাকে।
৮৫. মান হলো পণ্যের অন্তর্নিহিত বৈশিষ্ট্য।
৮৬. মান ব্যবস্থাপনার মূল লক্ষ্য হলো পণ্যের মানের ধারাবাহিক উন্নয়ন সাধন।
৮৭. মান ব্যবস্থাপনার নীতি হলো গ্রাহক সন্তুষ্টি অর্জন করা।
৮৮. মান ব্যবস্থাপনার প্রধান উপাদান ৪টি, যথা: মান পরিকল্পনা, মান নিয়ন্ত্রণ, মানের নিশ্চয়তা এবং মান উন্নয়ন।
৮৯. মানের লক্ষ্য প্রথমে ঠিক করা হয়, পরে বাস্তবায়ন করা হয়।
৯০. উৎপাদন-পরবর্তীতে ত্রুটির জন্য সংঘটিত ব্যয়কে বাহ্যিক ব্যর্থতাজনিত ব্যয় বলে।
৯১. প্রতিরোধমূলক মান নিয়ন্ত্রণ খরচ বা প্রতিরোধ ব্যয় হলো ত্রুটি বা বিচ্যুতি নির্ণয় করে মূল্যায়ন করা হয়।
৯২. উৎপাদনের সময় নষ্ট হওয়া পণ্যকে উদ্ধার করতে সংঘটিত ব্যয়কে বলে অভ্যন্তরীণ বিচ্যুতি ব্যয়।
৯৩. কোনো পণ্যের ত্রুটি সংঘটিত হওয়ার পূর্বেই তা এড়ানোর জন্য প্রতিরোধমূলক ব্যয় সংঘটিত হয়।
৯৪. উৎপাদিত পণ্যের ত্রুটি নির্ধারণ ও সংশোধন মান নিয়ন্ত্রণের অন্তর্ভুক্ত।
৯৫. প্রতিরোধমূলক ব্যয়সমূহ হলো—
(i) ত্রুটি চিহ্নিতকরণ ব্যয় (ii) সংশোধনমূলক কার্যক্রম (iii) পুনঃডিজাইন ব্যয়
(iv) প্রশিক্ষণ ব্যয় ও (v) সরবরাহকারীদের সঙ্গে কাজ করার ব্যয়।
৯৬. মূল্যায়ন ব্যয়সমূহ হলো— পরিদর্শন ব্যয়, পরীক্ষা ব্যয় ও পরিসংখ্যানিক মান নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচি ব্যয়।
৯৭. সার্বিক মান ব্যবস্থাপনা ধারাটির সাথে উদ্ভাবক দেশ— জাপান।
৯৮. আন্তর্জাতিক মান নির্ধারণকারী প্রতিষ্ঠান—
ISO (International Organization for Standardization)।
৯৯. ISO-9000 পাঁচটি সনদ দ্বারা গঠিত।
১০০. ISO-9000 হচ্ছে একটি মানদণ্ড বা মান-সংক্রান্ত ২০টি দিকের ওপর দৃষ্টিপাত করে। (যেমন: প্রতিষ্ঠানের ডিজাইন প্রণয়ন, উৎপাদন, প্রতিষ্ঠাপন ইত্যাদি।) ISO-9002: যেসব কোম্পানি ক্রেতাদের ডিজাইন সংক্রান্ত সেবা প্রদান করে তাদের জন্য নির্দেশনা।
ISO-9003: এর পরিধি খুবই সীমিত যা শুধু উৎপাদন প্রক্রিয়ার ওপর গুরুত্ব দেয়।
ISO-9004: অন্যান্য মানদণ্ড ব্যাখ্যা করার ক্ষেত্রে দিকনির্দেশনা দিয়ে থাকে।
ISO-14000: একটি পরিবেশ বিষয়ক ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি। এই সনদপত্র প্রধান ৪টি বিষয় চিহ্নিত করে। যথা—
(i) পরিবেশগত ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি (ii) পরিবেশগত কার্যাবলি মূল্যায়ন
(iii) পরিবেশগত মোড়ক (iv) জীবনচক্র নিরীক্ষণ।
লেখক : প্রভাষক, ঢাকা সিটি কলেজ, ঢাকা।




