অভিজ্ঞতার আলো
ডেটা বিশ্লেষণের দক্ষতাই একজনকে আলাদা করে

ছবি: আগামীর সময়
মাহফুজ রাব্বানী বললেন, ‘এই পেশায় সফল হতে সোশ্যাল মিডিয়া, ইংরেজি ভাষা ও গাণিতিক জ্ঞানের মতো মৌলিক দক্ষতার পাশাপাশি কৌতূহলী মানসিকতা থাকা জরুরি, যেখানে নতুনরা এআই টুল এবং গুগল ও মেটা অ্যাডসের মাধ্যমে প্রাথমিক দক্ষতা অর্জন করতে পারেন।’
প্রতিনিয়ত পরিবর্তনশীল এই ইন্ডাস্ট্রিতে টিকে থাকতে হলে নিয়মিত অফিসিয়াল আপডেট ও ব্লগের মাধ্যমে নিজেকে আপ-টু-ডেট রাখার এবং এআই-এর মতো নতুন প্রযুক্তি ব্যবহারের ক্ষেত্রে এর কার্যকারিতা ও সীমাবদ্ধতা বুঝে প্রায়োগিক দক্ষতা অর্জনের পরামর্শ দেন তিনি।
মাহফুজ রাব্বানীর মতে, একজন সফল মার্কেটার হওয়ার মূল চাবিকাঠি হলো ডেটা অ্যানালিটিকস এবং অডিয়েন্স সাইকোলজি বুঝে তথ্যউপাত্ত বিশ্লেষণের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা। কোনো ক্যাম্পেইন ব্যর্থ হলে হতাশ না হয়ে ডেটা বিশ্লেষণের মাধ্যমে ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে কৌশল পরিবর্তনের পরামর্শ দেন তিনি। বললেন, ‘ডিজিটাল মার্কেটিং কোনো রাতারাতি ধনী হওয়ার উপায় নয়; বরং এটি একটি ক্রমবর্ধমান ও স্থায়ী পেশা যেখানে নিরন্তর পরিশ্রম এবং অভিজ্ঞতার সঙ্গে সঙ্গে উচ্চ আয়ের ও ফ্রিল্যান্সিংয়ের সুনিশ্চিত সুযোগ তৈরি হয়।’ তরুণদের জন্য কিছু দিকনির্দেশনাও দিয়েছেন তিনি।
ফ্রেশারদের জন্য: প্রথমে চ্যাট জিপিটি বা ক্লডের মতো এআই টুলের মাধ্যমে বেসিক ধারণা নেওয়া যেতে পারে। এরপর গুগল অ্যাডস, মেটা অ্যাডস এবং ইউটিউব মার্কেটিংয়ের মতো প্ল্যাটফর্মগুলো নিয়ে পড়াশোনা করা গুরুত্বপূর্ণ।
এআই-এর সঙ্গে তাল মেলানো: নতুন কোনো প্রযুক্তি আসার পর শেখার জন্য চারটি ধাপ অনুসরণ করা যেতে পারে। প্রথমত, প্রযুক্তিটি কী এবং কীভাবে কাজ করে তা বোঝার চেষ্টা করা। দ্বিতীয়ত, টুলটির ডেটা অ্যাকুরেসি যাচাই করা। ডেটা বিশ্লেষণ এবং ডেটার ওপর ভিত্তি করে সিদ্ধান্ত নেওয়ার দক্ষতা একজন মার্কেটারকে অন্যদের চেয়ে আলাদা করে রাখে। কারণ, মার্কেটিংয়ে ডেটার সঠিক ব্যবহার এবং এর গভীর বিশ্লেষণের মাধ্যমেই সেরা ফলাফল অর্জন করা সম্ভব। তৃতীয়ত্ব, প্র্যাকটিক্যাল কাজে টুলটিকে ব্যবহার করে সমস্যার সমাধানের চেষ্টা চালানো। চতুর্থত, টুলটির লার্নিং ফেস ও সীমাবদ্ধতাগুলো বুঝে নেওয়া।
লেখক: হেড অব ডিজিটাল ম্যানেজমেন্ট, আকিজ রিসোর্স




